বিএনপির ইফতার অনুষ্ঠানে দু’পক্ষের সংঘর্ষের গুলিতে একজনের মৃত্যু
- আপডেট সময় : ০৮:৫০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
বিএনপির ইফতার অনুষ্ঠানে দু’পক্ষের সংঘর্ষের গুলিতে একজনের মৃত্যু
চট্টগ্রামের রাউজানে ইফতার মাহফিল আয়োজন নিয়ে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কয়েক ঘণ্টা ধরে এই সংঘর্ষ চলে। এতে একজন মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। আহত হন অন্তত ১৫ জন। এ ছাড়া সংঘর্ষের সময় পাঁচটি মোটরসাইকেল ও একটি অটোরিকশায় আগুন দেয়া হয়।
বুধবার (২০ মার্চ) বিকেল থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত উপজেলার নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের অদুদ চৌধুরী ঈদগাহ মাঠ, ইউসুফ দিঘি পাড় ও গহিরা চৌমুহনী এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির নাম আবদুল কাইয়ুম (২৮)। তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকারের অনুসারী। এ ছাড়া সংঘর্ষে আহত হন গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী মুহাম্মদ সেকান্দর (২৮), তার ব্যক্তিগত সহকারী অর্জুন কুমার নাথ (৪৭), বিএনপির কেন্দ্রীয় পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী মুহাম্মদ মোরশেদ আলম (৪০), মুহাম্মদ বাদশা।
এ ঘটনায় আরও ১০ জন আহত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে সবার নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
পড়ুন>>কালিহাতীতে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকের মৃত্যু
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিএনপির দুপক্ষের নেতা–কর্মী জানান, বুধবার বিকেলে নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের নোয়াজিশপুর গ্রামের অদুদ চৌধুরী ঈদগাঁ মাঠে ইফতার মাহফিল আয়োজন করে গোলাম আকবরের অনুসারীরা। বিকেল পাঁচটার দিকে মাহফিল শুরু হলে মোটরসাইকেলে ২০ থেকে ২২ জন লোক এসে মাহফিলে থাকা সবাইকে চলে যেতে বলেন। সেখানে ইফতার মাহফিল হবে না বলে জানান।
এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়ান। একপর্যায়ে গোলাগুলি শুরু হয়। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে ইফতার মাহফিল পণ্ড হয়ে গেলে গোলাম আকবরের অনুসারী নেতাকর্মীরা পাশের মসজিদে গিয়ে ইফতার সারেন। সন্ধ্যার পর আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের ইউসুফের দিঘি এলাকায় পাঁচটি মোটরসাইকেল ও একটি অটোরিকশায় আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।
গোলাম আকবর খোন্দকারের অনুসারী রাউজান উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, ইফতার মাহফিল চলার সময় হঠাৎ ১০ থেকে ১২টি মোটরসাইকেলে ২০ থেকে ২২ জন লোক এসে অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে যান।
জসিম উদ্দিন আরও বলেন, ইফতার আয়োজনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর লোকজন হামলা চালিয়েছেন। তাদের পক্ষের লোকজন কাউকে মারধর বা কারও গাড়িতে আগুন দেয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























