নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী চিত্রনায়িকা মাহীকে সশরীরে তলব
- আপডেট সময় : ১২:৫৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৯৪ বার পড়া হয়েছে
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী চিত্রনায়িকা মাহীকে সশরীরে তলব।
রাজশাহী-১ সংসদীয় আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলোচিত চিত্র নায়িকা শারমিন আক্তার নিপা ওরফে মাহিয়া মাহিকে সশরীরে তলব করেছেন নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাকে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর শুক্রবার অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, ২য় আদালত) আবু সাঈদ মাহিয়া মাহিকে তলব করেন।
এদিকে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতীক বরাদ্দের আগেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের প্রার্থী মাহিয়া মাহি গত বৃহস্পতিবার গোদাগাড়ী উপজেলার চরআষাঢ়িয়াদহ ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক জনসমাগম করে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন এবং ভোট চান।
নিজের ফেসবুকেও এ ছবি প্রকাশ করেছেন তিনি। এ আচরণের মাধ্যমে মাহিয়া মাহি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা ২০০৮ এর বিধি (ঘ) ও বিধি ১২ লঙ্ঘন করেছেন।
এ অবস্থায় তার বিরুদ্ধে কেন নির্বাচন কমিশনে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না- তার ব্যাখা প্রদানের জন্য মাহিকে সশরীরে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিত্রনায়িকা মাহির গণসংযোগ ও নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা আমলে নেন নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি। এরপরই তাকে তলব করে ব্যাখা চাওয়া হয়েছে।
এর আগে মাহি বৃহস্পতিবার তার সমর্থকদের নিয়ে পদ্মা পাড়ি দিয়ে ওপারে চরআষাঢ়িয়াদহ ইউনিয়নে যান। সেখানে তিনি কয়েক গ্রাম ঘুরে ঘুরে পরিচিত হন ও দোয়া চান।
এ সময় নারীরা তার মাথায় হাত দিয়ে আর্শীবাদও করেন। জবাবে মাহি চরের মানুষের নানা সমস্যার কথা শোনেন ও সমাধানের আশ্বাস দেন। এর আগের দিন রাতেও মাহি বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে গণসংযোগ করেন। এ সময় বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এঘটনায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা ও কর্মীদের মাঝে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়, মাহীকে নিয়ে বইছে মুখরুচোক নানা গুঞ্জন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বৃহস্পতিবারই চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি বলেন, ‘আমি চরআষাড়িয়াদহ ইউনিয়নে গিয়েছিলাম এটা সত্য। আমাকে এ ইউনিয়নের মানুষ কোনোদিন দেখেনি তাই তাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ ও দোয়া নিতে গিয়েছিলাম। তবে কোনো আচরণ বিধি লঙ্ঘন করিনি। আমার তো প্রতীকই নাই তাহলে ভোট চাইব কীভাবে ! আমি এ এলাকার সন্তান সবাই আমাকে দেখবে চিনবে এবং আমি দোয়া চাইব এটাই তো স্বাভাবিক ব্যাপার’।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























