ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব
- আপডেট সময় : ০৫:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আসন্ন উপনির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো উদ্বেগের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। বুধবার (২৮ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে সব শ্রেণির ভোটার নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ভোটারদের জন্য সেই পরিবেশ রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ভবনে ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি এবং পরবর্তী সময়ে শেরপুর ও বগুড়ার দুটি উপনির্বাচনে যেভাবে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছিল, এক্ষেত্রেও সেই একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। নির্বাচন কমিশন ভবন থেকে ভোটের দিনের প্রতিটি মুহূর্তের পরিস্থিতি তদারকি করা হবে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন এবং পরবর্তী সময়ে শেরপুর ও বগুড়ার দুটি উপনির্বাচনেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগের নির্বাচনগুলোর মতোই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগও রাখা হচ্ছে।
নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করা হবে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব। তিনি জানান, পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি ও এসআরপি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবে। বিশেষ নজরদারির অংশ হিসেবে ড্রোন এবং বডি ক্যামেরার ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া অনলাইন ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করেও কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে তোলা অভিযোগ ও আন্দোলনের হুঁশিয়ারির বিষয়ে আখতার আহমেদ বলেন, কোনো অভিযোগকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার জন্য আগামীকালের নির্বাচনের ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ত্রুটিগুলো ভোটগ্রহণের মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও কোথায় ত্রুটি রয়েছে, তা আগামীকালকের নির্বাচনেই আরও স্পষ্ট হবে।
ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনকারী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। সচিবের ভাষ্যমতে, এখন পর্যন্ত আশঙ্কাজনক কোনো কারণ পাওয়া যায়নি এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে গণমাধ্যম সঠিক তথ্য পেলে তা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এভাবে প্রাপ্ত তথ্য কাজে লাগাতে পারলে নির্বাচন পরিচালনার মান আরও উন্নত করা সম্ভব হবে। একটি ভালো উদ্যোগকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র: দৈনিক এদিন

























