ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্পেনের মালাগার সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়াতে চায় বাংলাদেশ বাংলাদেশে কার্যালয় খুলতে জেবিআইসিকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সরকারি বেতন দিতে ব্যাংক থেকে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ আকাশে ড্রোন, মাঠে কে-৯: ঠাকুরগাঁও-১আসন উপ-নির্বাচনে ২১ প্লাটুন বিজিবি রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কায় নিহত ৩ হুতিদের শান্ত করতে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের ইসরাইলের নির্বাচনে ঝুলে আছে নেতানিয়াহুর ভাগ্য, সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং দমনে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল জরুরি চুয়েটে ক্লাস শুরু নিয়ে বিভাগীয় প্রধানদের ভিন্নমত কেপটাউন টেস্টে মিচেল স্টার্কের বোলিং তাণ্ডব: ৩২৯ রানে অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা

টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়তে ন্যায়বিচার ও নারীর অংশগ্রহণ অপরিহার্য: আইরিন খান

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:০৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়তে ন্যায়বিচার ও নারীর অংশগ্রহণ অপরিহার্য: আইরিন খান

টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা এবং মানবাধিকারের চর্চা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

 

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

শান্তি বিনির্মাণে নারী নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে আইরিন খান বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো সন্তোষজনক নয়। অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের মতামতকে উপেক্ষা করা হয়, যা শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য একটি বড় বাধা।

 

পড়ুন>>গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

নারী নেতৃত্বকে এগিয়ে নিতে রাষ্ট্রদূত তিনটি প্রধান অগ্রাধিকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। প্রথমত, শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। দ্বিতীয়ত, কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে বিনিয়োগ করা, বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ও সাক্ষরতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া। তৃতীয়ত, সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা এবং সামাজিক সংহতি রক্ষায় নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে টেকসই ও সুনির্দিষ্ট সহায়তা প্রদান করা।

পড়ুন>>জ্বালানি সংকট নিরসনে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। আইরিন খান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নারী নেতৃত্বের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়তে ন্যায়বিচার ও নারীর অংশগ্রহণ অপরিহার্য: আইরিন খান

আপডেট সময় : ০৩:০৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়তে ন্যায়বিচার ও নারীর অংশগ্রহণ অপরিহার্য: আইরিন খান

টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা এবং মানবাধিকারের চর্চা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

 

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

শান্তি বিনির্মাণে নারী নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে আইরিন খান বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো সন্তোষজনক নয়। অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের মতামতকে উপেক্ষা করা হয়, যা শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য একটি বড় বাধা।

 

পড়ুন>>গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

নারী নেতৃত্বকে এগিয়ে নিতে রাষ্ট্রদূত তিনটি প্রধান অগ্রাধিকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। প্রথমত, শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। দ্বিতীয়ত, কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে বিনিয়োগ করা, বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ও সাক্ষরতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া। তৃতীয়ত, সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা এবং সামাজিক সংহতি রক্ষায় নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে টেকসই ও সুনির্দিষ্ট সহায়তা প্রদান করা।

পড়ুন>>জ্বালানি সংকট নিরসনে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। আইরিন খান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নারী নেতৃত্বের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

 

Facebook Comments Box