চরাঞ্চলের অনাবাদি জমিতে সরিষার চাষে কৃষকদের মুখে হাসি
- আপডেট সময় : ১০:০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৮৯৬ বার পড়া হয়েছে
চরাঞ্চলের অনাবাদি জমিতে সরিষার চাষে কৃষকদের মুখে হাসি
চরাঞ্চলের অনাবাদি জমিতে সরিষার চাষে কৃষকদের মুখে হাসি।
কুড়িগ্রামের নদী উপকূলীয় উপজেলা ও চরাঞ্চলের জমিগুলো কৃষি আবাদের জন্য অন্যতম। সরিষার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় তুলনামূলক এ বছর চরাঞ্চলে সরিষার আবাদ বেড়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন জানায়
এবারে মোট ৫হাজার একশত হেক্টর জমিতে সরিষার চায় হয়েছে। সরকারি ভাবে ৩হাজার ১শত জন কৃষককে প্রণোদনা দেয়া হয়।
সেই সঙ্গে চরের অনাবাদি জমিগুলোতে প্রতি বছর কৃষকেরা সরিষার আবাদ করেছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানায় উপজেলার নারায়ণ পুর ইউনিয়নের প্রায় ৬টি চরে সরিষার আবাদ হয়েছে ১শত ৮৫হেক্টর জমি। ১শত ৮০জন কৃষককে সরকারি ভাবে সার বীজ বিতরণ করা হয়েছে।
বিস্তৃর্ণ চরাঞ্চলের দিগন্ত জুড়ে হলুদ আর হলুদ সরিষার জমিগুলো। কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা না দিলে বাম্পার ফলনের আশা কৃষকদের।
পড়ুন>>জরিমানার ফাঁদে অনিশ্চিত কুড়িগ্রামে ১০৪ শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন
উপজেলা কৃষি অফিসার শাহরিয়ার হোসেন বলেন স্থানীয়ভাবে তেলের চাহিদা মেটাতে ধান কাটার শেষে চরাঞ্চলে পরিত্যক্ত জমিতে পরিকল্পিতভাবে সরিষার আবাদ বেড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায় গঙ্গাধর নদীর পুর্বে নারায়ণ পুর ইউনিয়নের চৌদ্দঘুরী ও ঝাউকুটিতে অধিকাংশ জমিতে সরিষার আবাদ। পাশাপাশি মৌসুমি অন্য ফসল থাকলেও সরিষার চাষ বেশি। এ বছর নাগেশ্বরীর বিভিন্ন ইউনিয়নে বেড়েছে সরিষার আবাদ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো.ফিরোজ হোসেন বলেন, একই সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে চরাঞ্চলের অনাবাদি জমিগুলো সরিষার মাধ্যমে আবাদের আওতায় আনা হয়েছে। এবারে উপজেলার অনেক জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে । এছাড়াও উপজেলার মোট ৩ হাজার ১শত কৃষককে প্রণোদনা দেয়া হয়েছে।
পড়ুন>> স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কল ও বার্তা পাঠানোর প্রযুক্তি আনছে ইনফিনিক্স
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চৌদ্দঘুরী ও দক্ষিণ ঝাউকুটি চরে ভাঙনের শিকার শাহ আলী, তিনি এ বছর এখানে এসে নতুন করে ঘর বাড়ি তৈরি করেছেন এবং সরিষার আবাদ করেছেন। তার এই সরিষার জমিগুলোতে ফলন ভালো হয়েছে। তিনি ভালো দাম পাবেন বলে আশাবাদী।
নারায়ণপুর চরের বাসিন্দা জাবেদ আলী জানান, এ বছর শীত কম পড়লেও সরিষার ফলন ভালো হয়েছে। তাদের পারিবারিক ভোজ্য তেলের চাহিদা মিটিয়ে সরিষা বিক্রি করে তাদের সংসারের খরচ জোগাবে।
একই চরের কৃষক জয়নাল হোসেন জানান, প্রতিবছরই নিজ জমিতে সরিষার আবাদ করেন। এ বছরও করেছেন। এবার ফলন ভালো হলে আগামীতে বেশি করে চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। আমরা যদি চরাঞ্চলে ক্রমান্বয়ে সরিষার আবাদ আরও বৃদ্ধি করতে পারি তাহলে স্থানীয় চাহিদা মিটাতে পারব।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























