ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে ছাগল-হাঁস পালনের অভিযোগে ফার্মাসিস্ট পলাশকে শোকজ ধামরাইয়ে ব্যাটারি কারখানায় লকার ভেঙে ৭০ লাখ টাকা লুট ময়মনসিংহ মেডিকেলে লিফটে আগুন ন্যাম ভবন থেকে সংসদ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে ৩০১ পদে বড় নিয়োগ নাগোয়ায় বর্ণাঢ্য উদ্বোধনে ২০তম এশিয়ান গেমস, লড়বে টিম কাতার তিন দফা দাবিতে রাজপথে সিকৃবি ও গবি শিক্ষার্থীরা সৌদিতে হুতি হামলা: প্রযুক্তিগত সহায়তায় প্রস্তুত আঙ্কারা ৩৫ সফরসঙ্গী নিয়ে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৭৩,৯১০

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার বিষয়ে জাতিসংঘের বিবৃতি

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪ ২১৯ বার পড়া হয়েছে

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার বিষয়ে জাতিসংঘের বিবৃতি

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার বিষয়ে জাতিসংঘের বিবৃতি

এই কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক। তিনি কোটাবিরোধীদের বিক্ষোভ দমনে কী কী ঘটেছে তা জানতে চেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফলকার টুর্ক বাংলাদেশ সরকারের প্রতি এ আহ্বান জানান।

পড়ুন>>বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা

তিনি বলেন, সরকারি নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নামেন শিক্ষার্থী ও তরুণরা। এ আন্দোলনে ১৭০ জনের বেশি নিহত এবং ১ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এ বিক্ষোভ দমনে কী করা হয়েছে তা যেন সরকার দ্রুত বিস্তারিত প্রকাশ করে।

আরও দাবি করেন, সর্বশেষ খবর অনুযায়ী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অনেকে এখনো নিখোঁজ। বহু গ্রেপ্তার হয়েছেন। এমনকি আহত ব্যক্তিদের কাউকে কাউকে চিকিৎসা নিতে দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া হামলার শিকার হওয়া সাধারণ মানুষদের রক্ষায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তাও জানতে চান তিনি।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময়ের জন্য ইন্টারনেট বন্ধ রাখা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ অন্যান্য মানবাধিকার রক্ষায় এ ধরনের পদক্ষেপ বিষয়ে সরকারকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারবিষয়ক রীতিনীতি ও মানদণ্ড মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

পড়ুন>>কোটা সংস্কার আন্দোলন বিক্ষোভ দমন নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বিবৃতি

হাইকমিশনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সমাবেশ নিয়ন্ত্রণ যেন মানবাধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও মানদণ্ড মেনে পরিচালিত হয়। জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং এই সহিংসতার পেছনের কারণ নিয়ে সংলাপের পরিবেশ তৈরি করার জন্য আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেসব অভিযোগ উঠেছে তার সবগুলোর নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্ত আশা করি। প্রয়োজনে এই প্রক্রিয়ায় আমার দপ্তরের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার বিষয়ে জাতিসংঘের বিবৃতি

আপডেট সময় : ০১:০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার বিষয়ে জাতিসংঘের বিবৃতি

এই কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক। তিনি কোটাবিরোধীদের বিক্ষোভ দমনে কী কী ঘটেছে তা জানতে চেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফলকার টুর্ক বাংলাদেশ সরকারের প্রতি এ আহ্বান জানান।

পড়ুন>>বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা

তিনি বলেন, সরকারি নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নামেন শিক্ষার্থী ও তরুণরা। এ আন্দোলনে ১৭০ জনের বেশি নিহত এবং ১ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এ বিক্ষোভ দমনে কী করা হয়েছে তা যেন সরকার দ্রুত বিস্তারিত প্রকাশ করে।

আরও দাবি করেন, সর্বশেষ খবর অনুযায়ী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অনেকে এখনো নিখোঁজ। বহু গ্রেপ্তার হয়েছেন। এমনকি আহত ব্যক্তিদের কাউকে কাউকে চিকিৎসা নিতে দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া হামলার শিকার হওয়া সাধারণ মানুষদের রক্ষায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তাও জানতে চান তিনি।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময়ের জন্য ইন্টারনেট বন্ধ রাখা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ অন্যান্য মানবাধিকার রক্ষায় এ ধরনের পদক্ষেপ বিষয়ে সরকারকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারবিষয়ক রীতিনীতি ও মানদণ্ড মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

পড়ুন>>কোটা সংস্কার আন্দোলন বিক্ষোভ দমন নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বিবৃতি

হাইকমিশনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সমাবেশ নিয়ন্ত্রণ যেন মানবাধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও মানদণ্ড মেনে পরিচালিত হয়। জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং এই সহিংসতার পেছনের কারণ নিয়ে সংলাপের পরিবেশ তৈরি করার জন্য আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেসব অভিযোগ উঠেছে তার সবগুলোর নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্ত আশা করি। প্রয়োজনে এই প্রক্রিয়ায় আমার দপ্তরের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে।

Facebook Comments Box