ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও শহরের পৌর ড্রেনে মিলল ভ্রূণের মরদেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষণ মামলা নিয়ে নাটকীয় মোড়: তদন্তে মিথ্যা প্রমাণ, জামিন নামঞ্জুর করে বাদী কারাগারে সোনারায়ে ডি বি স্পোর্টিং ফুটবল টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ আসর: জমকালো আয়োজনে উত্তর খেলা অনুষ্ঠিত আকাশসীমা জটিলতায় আটকে রূপপুরের জ্বালানি, নতুন রুটের অপেক্ষায় দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ২৩৩ জন ৩ পুত্র সন্তান জন্ম দেওয়া অসহায় কল্পনার পাশে উপজেলা প্রশাসন রাজধানীতে সাবেক বাণিজ্য মেলার মাঠে মিলল ২০টির বেশি বোমা ভূরুঙ্গামারীতে অনিয়মের অভিযোগ তুলে পদত্যাগের পর করা হলো বহিষ্কার! শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত তালিকা তৈরির সুপারিশ কমিটির কটিয়াদীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি: বেকারিকে জরিমানা

উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত: ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালে

রাজিবপুর থেকে তরিকুল ইসলাম তারা
  • আপডেট সময় : ১১:০৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত:  ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালে

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত:  ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালে

উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত:  ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালে।
উত্তরবঙ্গের ১৩টি জেলায় চলছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। সারা দিন সূর্যের দেখা নেই, আর আকাশ ঢেকে আছে ঘন কুয়াশায়। বিশেষ করে সীমান্ত ঘেঁষা কুড়িগ্রামের রাজিবপুর ও রৌমারী উপজেলায় আকাশ যেন কুয়াশার চাদরে মোড়ানো। এই তীব্র শীতে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

 

শৈত্যপ্রবাহের ফলে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীদের ভিড় বাড়ছে। ঠাণ্ডাজনিত ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছেন অনেকে। ডাক্তার ও নার্সরা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

 

রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক ডাক্তার জানান, “প্রতিদিন গড়ে ২০-৩০ জন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে। শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। আমরা চেষ্টা করছি যথাসাধ্য সেবা দিতে।”

 

তীব্র শীতের কারণে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। কাজ না থাকায় তাদের আয়ের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকেরই পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র নেই, ফলে ঠাণ্ডা সহ্য করতে গিয়ে বাড়ছে অসুস্থতা।

 

এক রিকশাচালক বলেন, “সকাল থেকে কুয়াশার জন্য বের হতে পারিনি। ঠাণ্ডায় হাত-পা জমে যায়। কাজ না করলে খাওয়া চলবে না, কিন্তু বের হতেও পারছি না।”

 

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। ফলে জনজীবনে শীতের প্রভাব আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

 

শীতজনিত এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

পড়ুন>> শরীরে বিভিন্ন যৌগের অভাবের কারণেই ঠান্ডা বেশি লাগে

 

উত্তরবঙ্গের মানুষের এই দুঃসময়ে প্রয়োজন কার্যকর সহযোগিতা এবং দ্রুত সুরাহার ব্যবস্থা। শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব কেটে গেলে হয়তো কিছুটা স্বস্তি ফিরবে জনজীবনে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত: ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালে

আপডেট সময় : ১১:০৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫

উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত:  ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালে

উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত:  ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালে।
উত্তরবঙ্গের ১৩টি জেলায় চলছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। সারা দিন সূর্যের দেখা নেই, আর আকাশ ঢেকে আছে ঘন কুয়াশায়। বিশেষ করে সীমান্ত ঘেঁষা কুড়িগ্রামের রাজিবপুর ও রৌমারী উপজেলায় আকাশ যেন কুয়াশার চাদরে মোড়ানো। এই তীব্র শীতে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

 

শৈত্যপ্রবাহের ফলে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীদের ভিড় বাড়ছে। ঠাণ্ডাজনিত ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছেন অনেকে। ডাক্তার ও নার্সরা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

 

রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক ডাক্তার জানান, “প্রতিদিন গড়ে ২০-৩০ জন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে। শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। আমরা চেষ্টা করছি যথাসাধ্য সেবা দিতে।”

 

তীব্র শীতের কারণে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। কাজ না থাকায় তাদের আয়ের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকেরই পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র নেই, ফলে ঠাণ্ডা সহ্য করতে গিয়ে বাড়ছে অসুস্থতা।

 

এক রিকশাচালক বলেন, “সকাল থেকে কুয়াশার জন্য বের হতে পারিনি। ঠাণ্ডায় হাত-পা জমে যায়। কাজ না করলে খাওয়া চলবে না, কিন্তু বের হতেও পারছি না।”

 

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। ফলে জনজীবনে শীতের প্রভাব আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

 

শীতজনিত এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

পড়ুন>> শরীরে বিভিন্ন যৌগের অভাবের কারণেই ঠান্ডা বেশি লাগে

 

উত্তরবঙ্গের মানুষের এই দুঃসময়ে প্রয়োজন কার্যকর সহযোগিতা এবং দ্রুত সুরাহার ব্যবস্থা। শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব কেটে গেলে হয়তো কিছুটা স্বস্তি ফিরবে জনজীবনে।

 

 

Facebook Comments Box