ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরীরে বিভিন্ন যৌগের অভাবের কারণেই ঠান্ডা বেশি লাগে

সৃষ্টি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২২ ৩৯৫ বার পড়া হয়েছে

শরীরে বিভিন্ন যৌগের অভাবের কারণেই ঠান্ডা বেশি লাগে

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শরীরে বিভিন্ন যৌগের অভাবের কারণেই ঠান্ডা বেশি লাগে।

শীতের আমেজ শুরু হয়েছে গুটিসুটি হয়ে লেপের তলায় একটু বেশিই সময় চলে যাচ্ছে। সকালে একেবারেই উঠতে ইচ্ছে করছে না, একটু বেশি অলস লাগে? শরীরে বিভিন্ন যৌগের অভাবের কারণে ঠান্ডা লাগার সবার এক রকম ঠান্ডা অনুভব হয় না।

আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারলে শরীরে তার প্রভাব পড়ে। তাপমাত্রা এক হলেও এক এক জনের কাছে তার প্রভাব এক এক রকম হয়।

জেনে নিন>>আটটি লক্ষণ দেখা দিলে বুঝবেন শরীরে থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিয়েছে

পুষ্টিবিদদের মতে, ঠান্ডা লাগা বা এই মওসুমে অসুস্থ হয়ে পড়ার তারতম্যের কারণ কিন্তু শরীরে বিভিন্ন যৌগের অভাব হতেই পারে। তাই গরম পোশাক জড়ানোর আগে রক্তে সব যৌগের মাত্রা যথাযথ আছে কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি।

ক্যালশিয়াম :

হাড়ের স্বাস্থ্য মজবুত রাখতে ক্যালশিয়ামের গুরুত্ব রয়েছে। শুধু হাড়ের স্বাস্থ্যই নয়, গবেষণায় দেখা গিয়েছে ভিটামিন ডি-র সঙ্গে ক্যালশিয়ামের যথাযথ প্রয়োগ ক্যানসার, ডায়াবিটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণ করে।

“দুধ ছাড়াও দুগ্ধজাত যে কোনও খাবারেই ক্যালশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। এ ছাড়াও কাঠবাদাম, শাকসব্জি, সামুদ্রিক মাছ খেলেও ক্যালশিয়ামের ঘাটতি পূরণ হয়”

জিঙ্ক:

শীতে নানা রকম সংক্রামক রোগের থেকে বাঁচতে প্রতি দিন নির্দিষ্ট পরিমাণ জ়িঙ্ক যোগ করা জরুরি। এই যৌগটি ক্ষত নিরাময়ে, প্রদাহ রোধ করতে, জীবাণু ঘটিত যে কোনও রোগ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।

খাবারের মাধ্যমে প্রতি দিন নির্দিষ্ট পরিমাণ জ়িঙ্ক পেতে ডিম, মাংস, সামুদ্রিক খাবার, টফু যোগ করা যেতেই পারে।

ফলিক অ্যাসিড:

শরীরে নতুন কোষ তৈরি করতে ফলিক অ্যাসিড যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যাঁরা সন্তানধারণ করতে চাইছেন বা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রয়েছেন, তাঁদের জন্য এই যৌগটি খুব জরুরি।

পালং শাক, বিট, ব্রকোলির মতো সব্জি এবং কলা, কমলালেবুর মতো ফল প্রতি দিন খেতে পারলে যথেষ্ট পরিমাণ ফলিক অ্যাসিড স্বাভাবিক ভাবেই পাওয়া যেতে পারে।

জেনে নিন>> কিসমিসের পুষ্টিগুণ ও কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা

ভিটামিন সি:

রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন সি-র ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি দিন সকালে উষ্ণ গরম জলে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে কিছুটা হলেও ভিটামিন সি-র ঘাটতি পূরণ হয়।

এ ছাড়াও গাজর, বিট, শাকসব্জি, টমেটো, কিউইতে যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “শরীরে বিভিন্ন যৌগের অভাবের কারণেই ঠান্ডা বেশি লাগে”

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শরীরে বিভিন্ন যৌগের অভাবের কারণেই ঠান্ডা বেশি লাগে

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২২

শরীরে বিভিন্ন যৌগের অভাবের কারণেই ঠান্ডা বেশি লাগে।

শীতের আমেজ শুরু হয়েছে গুটিসুটি হয়ে লেপের তলায় একটু বেশিই সময় চলে যাচ্ছে। সকালে একেবারেই উঠতে ইচ্ছে করছে না, একটু বেশি অলস লাগে? শরীরে বিভিন্ন যৌগের অভাবের কারণে ঠান্ডা লাগার সবার এক রকম ঠান্ডা অনুভব হয় না।

আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারলে শরীরে তার প্রভাব পড়ে। তাপমাত্রা এক হলেও এক এক জনের কাছে তার প্রভাব এক এক রকম হয়।

জেনে নিন>>আটটি লক্ষণ দেখা দিলে বুঝবেন শরীরে থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিয়েছে

পুষ্টিবিদদের মতে, ঠান্ডা লাগা বা এই মওসুমে অসুস্থ হয়ে পড়ার তারতম্যের কারণ কিন্তু শরীরে বিভিন্ন যৌগের অভাব হতেই পারে। তাই গরম পোশাক জড়ানোর আগে রক্তে সব যৌগের মাত্রা যথাযথ আছে কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি।

ক্যালশিয়াম :

হাড়ের স্বাস্থ্য মজবুত রাখতে ক্যালশিয়ামের গুরুত্ব রয়েছে। শুধু হাড়ের স্বাস্থ্যই নয়, গবেষণায় দেখা গিয়েছে ভিটামিন ডি-র সঙ্গে ক্যালশিয়ামের যথাযথ প্রয়োগ ক্যানসার, ডায়াবিটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণ করে।

“দুধ ছাড়াও দুগ্ধজাত যে কোনও খাবারেই ক্যালশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। এ ছাড়াও কাঠবাদাম, শাকসব্জি, সামুদ্রিক মাছ খেলেও ক্যালশিয়ামের ঘাটতি পূরণ হয়”

জিঙ্ক:

শীতে নানা রকম সংক্রামক রোগের থেকে বাঁচতে প্রতি দিন নির্দিষ্ট পরিমাণ জ়িঙ্ক যোগ করা জরুরি। এই যৌগটি ক্ষত নিরাময়ে, প্রদাহ রোধ করতে, জীবাণু ঘটিত যে কোনও রোগ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।

খাবারের মাধ্যমে প্রতি দিন নির্দিষ্ট পরিমাণ জ়িঙ্ক পেতে ডিম, মাংস, সামুদ্রিক খাবার, টফু যোগ করা যেতেই পারে।

ফলিক অ্যাসিড:

শরীরে নতুন কোষ তৈরি করতে ফলিক অ্যাসিড যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যাঁরা সন্তানধারণ করতে চাইছেন বা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রয়েছেন, তাঁদের জন্য এই যৌগটি খুব জরুরি।

পালং শাক, বিট, ব্রকোলির মতো সব্জি এবং কলা, কমলালেবুর মতো ফল প্রতি দিন খেতে পারলে যথেষ্ট পরিমাণ ফলিক অ্যাসিড স্বাভাবিক ভাবেই পাওয়া যেতে পারে।

জেনে নিন>> কিসমিসের পুষ্টিগুণ ও কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা

ভিটামিন সি:

রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন সি-র ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি দিন সকালে উষ্ণ গরম জলে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে কিছুটা হলেও ভিটামিন সি-র ঘাটতি পূরণ হয়।

এ ছাড়াও গাজর, বিট, শাকসব্জি, টমেটো, কিউইতে যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে।

 

Facebook Comments Box