ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা শান্তিতে থাকতে দেবেন না, বিশ্বাস করি না: তথ্য উপদেষ্টা ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা কুড়িগ্রামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরের মেলান্দহে কাঁঠালগাছে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রৌঢ়ের মৃত্যু রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামে জনাকীর্ণ স্থানে গুলি, এক বছরেও শনাক্ত হয়নি সেই শুটার এপিক হেলথ কেয়ার থেকে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা পাবেন লায়ন্স সদস্যরা বিসিবির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলার চেষ্টা, সতর্কবার্তা বোর্ডের আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ কর্মী নিয়োগ, আবেদন শুরু ২ নভেম্বর ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ২৬ মার্কিন ঘাঁটি

মারামারির পরও আর্জেন্টিনার পারেদেসের শাস্তি চান না স্প্যানিশ তারকা গাভি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠের অনাকাঙ্ক্ষিত হাতাহাতির ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন স্পেনের তরুণ মিডফিল্ডার গাভি। আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস তাকে মাটিতে আছড়ে ফেলে দিলেও, এই মিডফিল্ডারের কোনো ধরনের শাস্তি বা নিষেধাজ্ঞা চান না তিনি।

নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হওয়া ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টানাকে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের দুর্দান্ত গোলে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় স্পেন। এর মাধ্যমে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তোলে ‘লা রোখা’রা। তবে ম্যাচজুড়েই ছিল চরম উত্তেজনা। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে পাউ কুবার্সিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ। পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনা দল ৬টি হলুদ কার্ড পায় এবং তাদের খেলায় শৃঙ্খলার চরম ঘাটতি দেখা যায়।

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠের এই উত্তেজনা রূপ নেয় সরাসরি সংঘর্ষে। অভিযোগ ওঠে, আর্জেন্টিনার পারেদেস স্প্যানিশ মিডফিল্ডার এরিক গার্সিয়াকে ঘুষি মারেন, গলা চেপে ধরেন এবং গাভিকে আছড়ে মাটিতে ফেলে দেন। মুহূর্তের মধ্যে সেই বাকবিতণ্ডা উভয় দলের খেলোয়াড়, বেঞ্চের বদলি সদস্য এবং টেকনিক্যাল স্টাফদের মাঝে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরবর্তীতে ম্যাচ অফিশিয়াল ও অন্যান্য ফুটবলাররা তাদের শান্ত করেন।

উত্তর আমেরিকা থেকে নিজ দেশে ফেরার পর স্প্যানিশ ক্রীড়া মাধ্যম ‘এল পার্তিদাসো দে কোপ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন গাভি। তিনি বলেন, ‘না, সততার সঙ্গে বলতে গেলে আমি মনে করি না যে তাকে (লিয়ান্দ্রো পারেদেস) বহিষ্কার করা উচিত। আমি বুঝি যে এটি ছোট বাচ্চাদের জন্য খুব ভালো কোনো বার্তা বা ছবি নয়, তবে ফুটবলে এমন শারীরিক সংঘাত এবং কিছুটা আক্রমণাত্মক দিক থাকেই। যুক্তিযুক্ত কাজ হতো যদি ম্যাচ চলার সময়েই তাকে লাল কার্ড দেওয়া হতো, ব্যস ওটুকুই। শেষ পর্যন্ত তো এটা ফুটবল, আর আমি মনে করি এটি এমনই থাকা উচিত।’

ঘটনার পরপরই রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ সহিংস আচরণের জন্য পারেদেসকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ফিফা সেই সিদ্ধান্ত সংশোধন বা মুছে দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিফার কমেন্টেটর ডেটা সিস্টেমে ভুলবশত পারেদেসের লাল কার্ডের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। ফিফার পক্ষ থেকে বিবিসি স্পোর্টসকে নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, ‘ভুলটি খুব দ্রুতই সংশোধন করা হয়েছিল।’ অর্থাৎ, সেসময় তৎক্ষণাৎ তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো শাস্তিমূলক লাল কার্ড দেখানো হয়নি।

এই উসকানিমূলক আচরণের জন্য ফিফা এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো শাস্তির ঘোষণা দেয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, পারেদেসকে অন্তত ৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে। কিন্তু ভুক্তভোগী হয়েও স্প্যানিশ তরুণ ফুটবলার গাভি চান না যে এই ঘটনার কারণে পারেদেসকে নিষিদ্ধ বা বহিষ্কার করা হোক।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মারামারির পরও আর্জেন্টিনার পারেদেসের শাস্তি চান না স্প্যানিশ তারকা গাভি

আপডেট সময় : ০২:২৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠের অনাকাঙ্ক্ষিত হাতাহাতির ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন স্পেনের তরুণ মিডফিল্ডার গাভি। আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস তাকে মাটিতে আছড়ে ফেলে দিলেও, এই মিডফিল্ডারের কোনো ধরনের শাস্তি বা নিষেধাজ্ঞা চান না তিনি।

নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হওয়া ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টানাকে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের দুর্দান্ত গোলে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় স্পেন। এর মাধ্যমে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তোলে ‘লা রোখা’রা। তবে ম্যাচজুড়েই ছিল চরম উত্তেজনা। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে পাউ কুবার্সিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ। পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনা দল ৬টি হলুদ কার্ড পায় এবং তাদের খেলায় শৃঙ্খলার চরম ঘাটতি দেখা যায়।

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠের এই উত্তেজনা রূপ নেয় সরাসরি সংঘর্ষে। অভিযোগ ওঠে, আর্জেন্টিনার পারেদেস স্প্যানিশ মিডফিল্ডার এরিক গার্সিয়াকে ঘুষি মারেন, গলা চেপে ধরেন এবং গাভিকে আছড়ে মাটিতে ফেলে দেন। মুহূর্তের মধ্যে সেই বাকবিতণ্ডা উভয় দলের খেলোয়াড়, বেঞ্চের বদলি সদস্য এবং টেকনিক্যাল স্টাফদের মাঝে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরবর্তীতে ম্যাচ অফিশিয়াল ও অন্যান্য ফুটবলাররা তাদের শান্ত করেন।

উত্তর আমেরিকা থেকে নিজ দেশে ফেরার পর স্প্যানিশ ক্রীড়া মাধ্যম ‘এল পার্তিদাসো দে কোপ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন গাভি। তিনি বলেন, ‘না, সততার সঙ্গে বলতে গেলে আমি মনে করি না যে তাকে (লিয়ান্দ্রো পারেদেস) বহিষ্কার করা উচিত। আমি বুঝি যে এটি ছোট বাচ্চাদের জন্য খুব ভালো কোনো বার্তা বা ছবি নয়, তবে ফুটবলে এমন শারীরিক সংঘাত এবং কিছুটা আক্রমণাত্মক দিক থাকেই। যুক্তিযুক্ত কাজ হতো যদি ম্যাচ চলার সময়েই তাকে লাল কার্ড দেওয়া হতো, ব্যস ওটুকুই। শেষ পর্যন্ত তো এটা ফুটবল, আর আমি মনে করি এটি এমনই থাকা উচিত।’

ঘটনার পরপরই রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ সহিংস আচরণের জন্য পারেদেসকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ফিফা সেই সিদ্ধান্ত সংশোধন বা মুছে দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিফার কমেন্টেটর ডেটা সিস্টেমে ভুলবশত পারেদেসের লাল কার্ডের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। ফিফার পক্ষ থেকে বিবিসি স্পোর্টসকে নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, ‘ভুলটি খুব দ্রুতই সংশোধন করা হয়েছিল।’ অর্থাৎ, সেসময় তৎক্ষণাৎ তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো শাস্তিমূলক লাল কার্ড দেখানো হয়নি।

এই উসকানিমূলক আচরণের জন্য ফিফা এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো শাস্তির ঘোষণা দেয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, পারেদেসকে অন্তত ৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে। কিন্তু ভুক্তভোগী হয়েও স্প্যানিশ তরুণ ফুটবলার গাভি চান না যে এই ঘটনার কারণে পারেদেসকে নিষিদ্ধ বা বহিষ্কার করা হোক।

Facebook Comments Box