ভারতের সংসদ অভিমুখে যাত্রা করা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে তাঁর বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। এই প্রতিবাদী কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই ঘটনাটি ২০২৬-০৭-২১ তারিখে ঘটে, যার প্রতিবেদন নম্বর ০৬০।
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকে সাড়া দিয়ে গতকাল শিক্ষার্থীরা ভারতের সংসদ অভিমুখে যাত্রা করেছিলেন। সেই মিছিলে পুলিশি হামলার ঘটনার পর কংগ্রেস নেতারা এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
নরেন্দ্র মোদি ২০১৪ সালের মে মাসে ভারতের ১৬তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ভিত্তি গড়ে ওঠে ১৯২০ ও ১৯৫০-এর দশকের আদর্শিক প্রেক্ষাপটে এবং ১৯৮০ সালে বিজেপির যাত্রা শুরুর পর থেকে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এর আগে ২০০১ সালে তিনি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান এবং টানা চারবার ওই পদে ছিলেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গার কারণে তিনি চরমভাবে নিন্দিত হয়েছেন, যেখানে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়। তিনি বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে মোদি আরএসএসের প্রশিক্ষিত প্রচারক হিসেবে কাজ করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। ভাদনগর রেল স্টেশনে বাবার চায়ের দোকানে কাজ করা থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর উত্থান অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি যশোদাবেনকে বিয়ে করলেও তাঁদের সংসার দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, যা নিয়ে সমালোচকরা বরাবরই প্রশ্ন তুলে থাকেন। তাঁর এই দীর্ঘ যাত্রায় ২৮ জন গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী ও ২০ জন উপদেষ্টা বিভিন্ন সময়ে তাঁর পাশে ছিলেন, যদিও ১৭ বছর ধরে তিনি নানা বিতর্কের মুখেও পড়েছেন।
Leave a Reply