বিশ্বকাপ ফাইনালে হাতাহাতি: নিষেধাজ্ঞার মুখে আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলার
- আপডেট সময় : ০৮:১০:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর মাঠে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলার বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছেন। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ফিফা ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। বিবিসি স্পোর্টসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘটনায় জড়িত আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলারকে অন্তত তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে।
নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ফিফা জানায়, মাঠের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায়, স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি যখন সতীর্থদের সঙ্গে শিরোপা উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনা তাকে আঘাত করেন। এরপর স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া এগিয়ে এলে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস তাকে গলা চেপে ধরেন বলে টেলিভিশনের দৃশ্যে দেখা গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি মাঠে প্রবেশ করলেও উত্তজনা থামেনি। পরবর্তীতে পারেদেস স্পেনের তরুণ মিডফিল্ডার গাভির দিকে তেড়ে যান এবং তাকে মাটিতে ফেলে লাথি মারেন। একই সময়ে আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদাও সংঘর্ষে লিপ্ত হন। ফিফার শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী, ঘুষি, লাথি বা প্রতিপক্ষকে আঘাত করার মতো আচরণের জন্য ন্যূনতম তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা অথবা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বহিষ্কারের বিধান রয়েছে।
ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি বর্তমানে ফাইনাল পরবর্তী ঘটনার ভিডিও ও তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করছে। প্রয়োজনে প্রসিকিউটর নিয়োগের মাধ্যমে শাস্তির মাত্রা আরও কঠোর করা হতে পারে। এছাড়া সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’ লেখা ব্যানার প্রদর্শনের বিষয়টিও ফিফা তদন্ত করছে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপে লুইস সুয়ারেজকে জর্জিও কিয়েলিনিকে কামড় দেওয়ার ঘটনায় নয় ম্যাচের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও চার মাসের ফুটবলীয় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ফিফা।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























