ধুন্দল চাষ (Dhundal cultivation)
- আপডেট সময় : ০৫:৪২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ২৩০১ বার পড়া হয়েছে
ধুন্দল চাষ (Dhundal cultivation)
ধুন্দল একটি উৎকৃষ্ট সবজি। সুস্বাদু সবজীগুলোর মধ্যে অন্যতম।
জাত: স্থানীয় জাতের ছাড়া ধুন্দল উফসী জাতের বারী-১ ও বারী-২ বেশ ভালো। হাইব্রিড জাতের ধুন্দল চাষ করলে ফলন অনেক বেশী পাওয়া যায়। সুপ্রিম সীড, লালতীর ,গেটকো, এসিআই, ইয়ং এর হাইব্রিড বীজ গুলো বেশ ভালো।
জেনে নিন>> তরমুজ চাষ পদ্ধতি
কিভাবে ধুন্দল চাষের জমি তৈরি করবেন?
বাংলাদেশের সব এলাকা ধুন্দল চাষের উপযোগী।দোঁআশ পলি দো-আশ মাটি ধুন্দল চাষের জন্য বেশী উপযোগী। ধুন্দল চাষের জন্য মাটির কাঙ্কিত মান পি এইচ ৫.৫ থেকে ৬.৭ এবং তাপমাত্রা ২৫0 সেঃ থেকে ৩০0 সেঃ।
কিভাবে ধুন্দল বীজ বপন তৈরি করবেন?
পৌষ ও মাঘ মাস ছাড়া সারা বছরই ধুন্দল চাষ করা যায়।তবে ফাল্গুন-চৈত্র মাস ধুন্দল বপনের উপযুক্ত সময়।
কি পরিমান বীজ লাগবে?
প্রতি শতাংশে ১০-১৫ গ্রাম এবং প্রতি একরে ১.২৫ কেজি থেকে ১.৫০ কেজি। তবে চারা শেডে(পলি ব্যাগে) তৈরী করলে বীজের পরিমান অনেক কম লাগে।বীজ বপন পদ্ধতিঃ ধুন্দল বীজ সরাসরি বেডে বপন করা যায়।
তবে শেডে চারা তৈরী করলে উৎপাদন খরচ কম হয়। বীজ বপনের পূর্বে বীজ রোদে ১-২ ঘন্টা রেখে ঠান্ডা করার পর ১২-১৫ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে অঙ্কুরোদগম দ্রুততর হয়।সারি থেকে সারি ৫ ফুট এবং চারা থেকে চারার দুরত্ব ৩ ফুট।
নিদৃষ্ট দুরত্বে ২টি বীজ বপন করতে হবে।চারা একটু বড় হলে সুস্থ একটি চারা রেখে অন্যটি তুলে ফেলতে হবে। প্যাকেট এর চারা হলে চারা ২-৩ ইঞ্চি লম্বা (চারার বয়স ১৫-২০ দিন) হলে নিদৃষ্ট দুরত্বে একটি সবল চারা রোপন করতে হবে।
ডাউন লোড করুন>> ডাউন লোড করুন সঠিক ভাবে নামাজ পড়ার মোবাইল অ্যাপস
কি ভাবে তৈরী ও সার প্রয়োগ করবেন?
ভালো ভাবে জমি চাষ করে রোদে শুকানোর সোর প্রয়োগ করতে হবে।
(প্রতি শতাংশে সার প্রয়োগ)
| সার | জমি তৈরীর সময় | শেষ চাষের সময় | প্রথম উপরী প্রয়োগ | ২য় উপরী প্রয়োগ | ৩য় উপরী প্রয়োগ |
| গোবর | ৫০ কেজি | – | – | – | – |
| ইউরিয়া | – | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম |
| টিএসপি | – | ৮০০ গ্রাম | – | – | – |
| এমওপি | – | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম |
| জিপসাম | ৪০০ গ্রাম | – | – | – | – |
| জিংক | – | ৫০ গ্রাম | – | – | – |
| বোরণ | – | ৫০ গ্রাম | – | – | – |
গাছের আকার ভালো না হলে ২য় ও ৩য় উপরী সার প্রয়োগের সময় প্রতি শতাংশে ২০০ গ্রাম ডিএপি প্রয়োগ করতে হবে।
সংগ্রহ ও ফলনঃ বীজ বপনের ৬০-৭০ দিন পর ফসল সংগ্রহ শুরু হয়।প্রতি একরে প্রায় ১২-১৩ টন ধুন্দল পাওয়া যায়।
জেনে নিন>> একটি উৎকৃষ্ট সবজি চিচিংগা চাষ পদ্ধতি
কি ভাবে পোকামাকড় ও বলাই দমন করতে হবে?
ধুন্দল চারা গজানোর পর থেকে নিয়মিত ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাক নাশক স্প্রে করতে হবে।
ধুন্দল পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক স্প্রে করতে হরে। ফল ছিদ্রকারী পোকার জন্য বিষটোপ ব্যবহার করতে হবে।
নিয়মিত বালাই নাশক ব্যবহার ছত্রাক দ্বারা সহজে আক্রান্ত হবে না।ফলের সাইজ ছোট ও ফলন কম হলে সলুবর বোরণ ও জৈব উদ্দীপক হরমোন( জিবরেলিক এসিড, নাইট্রো বেনজিন ইত্যাদি) ১৫ দিন পর পর ৩-৪ বার ব্যবহার করতে হবে।
জেনে নিন>> ভুট্টা চাষ পদ্ধতি
পরবর্তী পরিচর্যাঃ চারা মাঁচায় উঠার পযর্ন্ত পার্শ্ব কুশি ও মরা পাতা ছাঁটাই করতে হবে।নিড়ানী দিয়ে হবে।প্রয়োজনে সেচ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। আগাছা দমন করতে হবে।মাছি পোকা দ্বারা আক্রান্ত ফল সংগ্রহ করে মাটিতে পুতে ফেলতে হবে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ



























9 thoughts on “ধুন্দল চাষ (Dhundal cultivation)”