গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নৈতিক সমাজ গঠনে জোর ঢাবি শিক্ষার্থীদের
- আপডেট সময় : ০৪:০৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নৈতিক সমাজ গঠনে জোর ঢাবি শিক্ষার্থীদের
গণতন্ত্র পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি নৈতিক সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘ডাকসু যুব নেতৃত্ব সম্মেলন ২০২৬’ ও ‘জাগ্রত নাগরিক ফাউন্ডেশন সচেতন নাগরিক সম্মেলন’ শীর্ষক এক যৌথ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও জাগ্রত নাগরিক ফাউন্ডেশন (জানাফ) আয়োজিত এই সম্মেলনে শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তরুণ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল ‘গণতন্ত্র পুনর্গঠনের স্বার্থে প্রতিষ্ঠান সংস্কারের চেয়ে নৈতিক সমাজ গঠনকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া উচিত’ শীর্ষক ছায়া সংসদীয় বিতর্ক। এই বিতর্কে সরকারি দলের হয়ে ফারিয়া আরাফাত, উম্মে সুহালা ও মো. সাজিদুল ইসলাম অংশ নেন। বিপরীতে বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করেন সাব্বির আহমেদ শিশির, নাহিদা সুলতানা ও তানিম বিন কাইয়ুম।
পড়ুন>>বিপুল ভোটে পুনর্নির্বাচিত মার্কিন কংগ্রেস সদস্য আন্দ্রে কারসন
বক্তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয় দিকের সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এছাড়া তরুণদের নীতিনির্ধারণী দক্ষতা প্রদর্শনের লক্ষ্যে একটি ছায়া মন্ত্রিসভার উপস্থাপনাও অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন অধিবেশনে গণতান্ত্রিক সুশাসন নিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মির্জা হুসেইন হায়দার, জানাফের ভাইস চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. নাসিমুল গনি এবং ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান দূতাবাসের প্রতিনিধিরা আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও নেতৃত্বের ওপর আলোকপাত করেন। ডাকসুর ভিপি মো. আবু সাদিক তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক সচেতনতা ও তাদের নেতৃত্বের গুণাবলী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন।
পড়ুন>>তৈরি পোশাক খাতের অস্থিরতার মাঝে মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা আজ
বিকেলের অধিবেশনে ‘নৈতিক নেতৃত্ব বিকাশের কেন্দ্র হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস: তরুণ নেতৃত্ব, আইনের শাসন, কর্মজীবন ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ডাকসুর সদস্য আনাস ইবনে মুনিরের সঞ্চালনায় এতে আলোচনায় অংশ নেন শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক সাইফীন আহমেদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এবং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. শাহরিয়ার খান। বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে নেতৃত্বের সূতিকাগার হিসেবে গড়ে তোলা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন জানাফের চেয়ারম্যান এবং হার্ভার্ড ও বোস্টন ইউনিভার্সিটির সাবেক ফিন্যান্সিয়াল ইকোনমিকস অধ্যাপক ড. শেখ আব্দুল হামিদ। দিনব্যাপী আলোচনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। অনুষ্ঠানের শেষভাগে অংশগ্রহণকারী বিতার্কিকদের সম্মাননা প্রদান এবং উপস্থিত প্রতিনিধিদের মাঝে সনদ বিতরণের মাধ্যমে সম্মেলনের সমাপ্তি টানা হয়।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























