ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যে কাতারি আমিরের নামে ইনোভেশন সেন্টারের যাত্রা শুরু কলকাতার রেস্তোরাঁ ও বাজার থেকে উধাও গরুর মাংস দৌলতপুরে বানভাসী মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ পাবনায় অটোভ্যান চালক নিখোঁজ ও উদ্ধারকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন কাউনিয়ায় মাদক সেবন করে মাতলামী: দুই যুবকের কারাদণ্ড  বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে পদত্যাগ করছেন সালমান এফ রহমান সম্পর্ক উন্নয়নে শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্তদের ফেরত চায় সরকার প্রয়োজনভিত্তিক উপবৃত্তি চালুর ইঙ্গিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর নওগাঁয় মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে অটোরিকশা-ভ্যান মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে মারধর ও ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

যমুনায় বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরায় প্রশাসনের কঠোর অভিযান

চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) থেকে সাত্তার আব্বাসী সোহেল
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

যমুনায় বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরা বন্ধের অভিযানে প্রশাসন

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

যমুনায় বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরায় প্রশাসনের কঠোর অভিযান

 

 

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীতে বৈদ্যুতিক শক ব্যবহার করে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।

 

 

প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কিছু অসাধু ব্যক্তি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দিনে ও রাতে নদীর জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করছিল। এ পদ্ধতিতে শুধু মাছ নয়, বিভিন্ন জলজ প্রাণী ও নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।

 

 

 

এই প্রেক্ষাপটে গত রবিবার (২৫ মে) রাতভর একটি বিশেষ টাস্কফোর্স যমুনা নদীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৭০ সেট চায়না দুয়ারী জাল, ১টি কারেন্ট জাল এবং ২টি ইলেকট্রিক শক যন্ত্র ও ব্যাটারি জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ২৭ হাজার টাকা, যার মধ্যে ইলেকট্রিক শক যন্ত্রের মূল্যই প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

 

 

পরবর্তীতে এসব অবৈধ জাল জনসমক্ষে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে অংশ নেন মৎস্য দপ্তরের জ্যেষ্ঠ ক্ষেত্র সহকারী শফিকুল ইসলাম শফিক, নৌ পুলিশের এসআই আরিফ হোসেন ও সাইফুল ইসলাম।

পড়ুন>> ডোমারে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু 

 

 

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তানভীর হাসান মজুমদার বলেন, “ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ও ভয়াবহ পরিবেশবিধ্বংসী একটি পদ্ধতি। এটি মাছের প্রজনন ব্যাহত করে এবং নদীর স্বাভাবিক ইকোসিস্টেমকে বিপর্যস্ত করে তোলে। আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

 

 

 

তিনি আরও জানান, নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

 

 

স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযানের দাবি জানিয়েছে।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যমুনায় বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরায় প্রশাসনের কঠোর অভিযান

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

 

 

যমুনায় বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরায় প্রশাসনের কঠোর অভিযান

 

 

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীতে বৈদ্যুতিক শক ব্যবহার করে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।

 

 

প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কিছু অসাধু ব্যক্তি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দিনে ও রাতে নদীর জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করছিল। এ পদ্ধতিতে শুধু মাছ নয়, বিভিন্ন জলজ প্রাণী ও নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।

 

 

 

এই প্রেক্ষাপটে গত রবিবার (২৫ মে) রাতভর একটি বিশেষ টাস্কফোর্স যমুনা নদীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৭০ সেট চায়না দুয়ারী জাল, ১টি কারেন্ট জাল এবং ২টি ইলেকট্রিক শক যন্ত্র ও ব্যাটারি জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ২৭ হাজার টাকা, যার মধ্যে ইলেকট্রিক শক যন্ত্রের মূল্যই প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

 

 

পরবর্তীতে এসব অবৈধ জাল জনসমক্ষে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে অংশ নেন মৎস্য দপ্তরের জ্যেষ্ঠ ক্ষেত্র সহকারী শফিকুল ইসলাম শফিক, নৌ পুলিশের এসআই আরিফ হোসেন ও সাইফুল ইসলাম।

পড়ুন>> ডোমারে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু 

 

 

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তানভীর হাসান মজুমদার বলেন, “ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ও ভয়াবহ পরিবেশবিধ্বংসী একটি পদ্ধতি। এটি মাছের প্রজনন ব্যাহত করে এবং নদীর স্বাভাবিক ইকোসিস্টেমকে বিপর্যস্ত করে তোলে। আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

 

 

 

তিনি আরও জানান, নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

 

 

স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযানের দাবি জানিয়েছে।

 

 

 

Facebook Comments Box