ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ ​নাগেশ্বরীতে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব হাত ধোঁয়া দিবস ডোমারে উদযাপন কাউনিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন   কাউনিয়ায় যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‍্যালি তারেক রহমান ও বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালাচ্ছে ফ্যাসিস্ট ও গুপ্ত বাহিনী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার নির্ধারণী কর্মশালা ও উপাচার্যের দিকনির্দেশনা চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের নিয়োগ, আবেদন শুরু নভেম্বরে ঢালচরের পর্যটন বিকাশে মতবিনিময় করল ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন

নীলফামারীতে সই জাল করে জমি বিক্রির অভিযোগ

নীলফামারী থেকে তপন দাস
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩ ২৩০ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীতে সই জাল করে জমি বিক্রির অভিযোগ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নীলফামারীতে  সই জাল করে জমি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

বাবার সই জাল করে রোটারি পাবলিক এর মাধ্যমে জমি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে হাফিজুর রহমান নামে একজনের বিরুদ্ধে ।

ঘটনাটি ঘটে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ৪ নং খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের দোহলপাড়া নামক এলাকায় ।

অভিযুক্ত ব্যক্তি হাফিজুর রহমান উক্ত ইউনিয়নের দোহল পাড়া এলাকায় মৃত মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল এর পুত্র। অভিযোগকারী ব্যক্তি সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ সরকার অভিযুক্ত হাফিজুর রহমানের বড় ভাই।

সরজমিনে গিয়ে কয়েকজন সাথে কথা হলে তারা জানান মৃত আব্দুল আউয়াল এর ৫ মেয়ে ও ২ ছেলে তাদের মধ্যে জমি জমা নিয়ে প্রায় ঝগড়া বিবাদ ঘটতো যার ফলে তাদের বাবা মৃত মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল তাদের মধ্যে জমি ভাগ করে দেয়।

এসময় আমাদের এই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম লিথন এর উপস্থিত ছিলেন তার উপস্থিতিতে তাদের বাবা জমি গুলো তাদের ৫ বোন ও ২ ভাইয়ের মধ্যে ভাগ করে দেন । এর পরে কি হয়েছে তা আমরা বলতে পারবো না।

এদিকে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমানের সাথে কথা বলার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার পর তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন এটা আমাদের পারিবারিক ব্যাপার।

জাল সই এর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা আমার বড় ভাই আব্দুল হামিদ সরকারের কাজ তিনি সইটি জাল করতে পারে।

তাছাড়া ও তিনি আরো বলেন আমরা ২ ভাই এবং ৫ বোন আমাদের বাবা আমাদের কে জমি ভাগ করে দিয়েছে এখন আমি আমার জমি কি করবো সেটা আমার ব্যাপার।

তিনি আরো বলেন আমরা বড় ভাই মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ সরকার একজন চিটিংবাজ বাজ তিনি আমাকে আমার বড় বোনদের কে এবং কি আমার বাবা কে ঠকিয়েছে তিনি বাবার পেনশন এর টাকা মেরে দিয়েছে আমাদের কে কিছু দেয়নি।

অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান কে রোটারি পাবলিক এর মাধ্যমে জমি বিক্রি এবং আব্দুল হামিদ সরকারের বাড়িতে হামলার ঘটনার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন সই যদি জাল হতো তাহলে রোটারি পাবলিক জমিটা বিক্রির সাহস পেতো না । সইটি অরিজিনাল হওয়ায় তারা জমিটি বিক্রি করতে পেরেছে ।

বাড়িতে হামলার বিষয়ে আবারো প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এরিয়ে যান।

এদিকে অভিযোগ কারী ব্যক্তি সাংবাদিক আব্দুল হামিদ সরকারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন তাদের দেয়া সব তথ্য বানোয়াট এবং সাজানো তারা আমার বাসায় হামলা করে, সই জাল করে রোটারি পাবলিক এর মাধ্যমে জমি বিক্রি করে সব কিছুর তথ্য আমার কাছে আছে

এবিষয়ে আমি ডিমলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন এর সাথে কথা বলেছিলাম ওনাকে অভিযোগ পত্র ও দিয়েছিলাম তিনি একাধিক বার তাদের কে সাথে নিয়ে বসতে চেয়েছিলেন কিন্তু তারা সাড়া দেয়নি , আপনারা চাইলে আমি আপনাদের সব তথ্য দিতে পারি।

এদিকে ৪ নং খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম লিথন বলেন আমি তাদের বিষয় টি নিয়ে একাধিক বার বসে ছিলাম কিন্তু তারা মানে না , তাদের বাবা থাকা কালীন সময়ে জমি গুলো তাদের কে ভাগ করে দেয় সেসময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম।

তবে কিছু দিন হাফিজুর রহমান অন্য একটি দলিল নিয়ে আমার কাছে আসে আমার একটি শই নেয়ার জন্য কিন্তু আমি তাতে সই দেইনি কারণ বিষয় টি তখন আমার কেমন একটু লেগেছিল। তবে আপনারা যেহেতু বলছেন সই জাল করে জমি বিক্রি করা হয়েছে তো আপনার তাদের বাবার সোনালি ব্যাংকের চেকের সই ও যে জাল সই সেটা আমাকে পাঠিয়ে দিন আমি দেখলে বিষয়টি বলতে পারবো।

জাল দলিলে সই করা রোটারি পাবলিক নীলফামারীর সদস্য জনাব মোহাম্মদ সাইদুর রহমান এর সাথে তার মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন আমি এবিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। কারণ ঘটনার ৫ বছর পেরিয়ে গেছে , তাই আমার মনে পড়ছে না, আর আপনাদের যেহেতু সইটি জাল মনে হচ্ছে সেক্ষেত্রে আপনারা কাগজটি নিয়ে অফিসে আসেন এবং সেটি পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হোক।

এবিষয়ে ডিমলা উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি এবিষয়ে তাদের সাথে কথা বলার জন্য চেষ্টা করেছিলা তাদের কে নিয়ে বসে এটার সমাধান করার চেষ্টা ও করেছিলাম কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কেউ আসেনি।

এদিকে ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ লাইছুর রহমান বলেন জাল সই বিষয় টি নিয়ে আব্দুল হামিদ সরকার নামে একজন ব্যক্তি একটি অভিযোগ করেছে তবে বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখতেছি।

এদিকে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমানকে ফোন দিয়ে তথ্য চাওয়াতে তার ভাগিনা ডালিম শেখ মুঠো ফোনে বাজে ভাষায় কথা বলেন।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নীলফামারীতে সই জাল করে জমি বিক্রির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩

নীলফামারীতে  সই জাল করে জমি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

বাবার সই জাল করে রোটারি পাবলিক এর মাধ্যমে জমি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে হাফিজুর রহমান নামে একজনের বিরুদ্ধে ।

ঘটনাটি ঘটে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ৪ নং খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের দোহলপাড়া নামক এলাকায় ।

অভিযুক্ত ব্যক্তি হাফিজুর রহমান উক্ত ইউনিয়নের দোহল পাড়া এলাকায় মৃত মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল এর পুত্র। অভিযোগকারী ব্যক্তি সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ সরকার অভিযুক্ত হাফিজুর রহমানের বড় ভাই।

সরজমিনে গিয়ে কয়েকজন সাথে কথা হলে তারা জানান মৃত আব্দুল আউয়াল এর ৫ মেয়ে ও ২ ছেলে তাদের মধ্যে জমি জমা নিয়ে প্রায় ঝগড়া বিবাদ ঘটতো যার ফলে তাদের বাবা মৃত মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল তাদের মধ্যে জমি ভাগ করে দেয়।

এসময় আমাদের এই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম লিথন এর উপস্থিত ছিলেন তার উপস্থিতিতে তাদের বাবা জমি গুলো তাদের ৫ বোন ও ২ ভাইয়ের মধ্যে ভাগ করে দেন । এর পরে কি হয়েছে তা আমরা বলতে পারবো না।

এদিকে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমানের সাথে কথা বলার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার পর তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন এটা আমাদের পারিবারিক ব্যাপার।

জাল সই এর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা আমার বড় ভাই আব্দুল হামিদ সরকারের কাজ তিনি সইটি জাল করতে পারে।

তাছাড়া ও তিনি আরো বলেন আমরা ২ ভাই এবং ৫ বোন আমাদের বাবা আমাদের কে জমি ভাগ করে দিয়েছে এখন আমি আমার জমি কি করবো সেটা আমার ব্যাপার।

তিনি আরো বলেন আমরা বড় ভাই মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ সরকার একজন চিটিংবাজ বাজ তিনি আমাকে আমার বড় বোনদের কে এবং কি আমার বাবা কে ঠকিয়েছে তিনি বাবার পেনশন এর টাকা মেরে দিয়েছে আমাদের কে কিছু দেয়নি।

অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান কে রোটারি পাবলিক এর মাধ্যমে জমি বিক্রি এবং আব্দুল হামিদ সরকারের বাড়িতে হামলার ঘটনার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন সই যদি জাল হতো তাহলে রোটারি পাবলিক জমিটা বিক্রির সাহস পেতো না । সইটি অরিজিনাল হওয়ায় তারা জমিটি বিক্রি করতে পেরেছে ।

বাড়িতে হামলার বিষয়ে আবারো প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এরিয়ে যান।

এদিকে অভিযোগ কারী ব্যক্তি সাংবাদিক আব্দুল হামিদ সরকারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন তাদের দেয়া সব তথ্য বানোয়াট এবং সাজানো তারা আমার বাসায় হামলা করে, সই জাল করে রোটারি পাবলিক এর মাধ্যমে জমি বিক্রি করে সব কিছুর তথ্য আমার কাছে আছে

এবিষয়ে আমি ডিমলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন এর সাথে কথা বলেছিলাম ওনাকে অভিযোগ পত্র ও দিয়েছিলাম তিনি একাধিক বার তাদের কে সাথে নিয়ে বসতে চেয়েছিলেন কিন্তু তারা সাড়া দেয়নি , আপনারা চাইলে আমি আপনাদের সব তথ্য দিতে পারি।

এদিকে ৪ নং খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম লিথন বলেন আমি তাদের বিষয় টি নিয়ে একাধিক বার বসে ছিলাম কিন্তু তারা মানে না , তাদের বাবা থাকা কালীন সময়ে জমি গুলো তাদের কে ভাগ করে দেয় সেসময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম।

তবে কিছু দিন হাফিজুর রহমান অন্য একটি দলিল নিয়ে আমার কাছে আসে আমার একটি শই নেয়ার জন্য কিন্তু আমি তাতে সই দেইনি কারণ বিষয় টি তখন আমার কেমন একটু লেগেছিল। তবে আপনারা যেহেতু বলছেন সই জাল করে জমি বিক্রি করা হয়েছে তো আপনার তাদের বাবার সোনালি ব্যাংকের চেকের সই ও যে জাল সই সেটা আমাকে পাঠিয়ে দিন আমি দেখলে বিষয়টি বলতে পারবো।

জাল দলিলে সই করা রোটারি পাবলিক নীলফামারীর সদস্য জনাব মোহাম্মদ সাইদুর রহমান এর সাথে তার মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন আমি এবিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। কারণ ঘটনার ৫ বছর পেরিয়ে গেছে , তাই আমার মনে পড়ছে না, আর আপনাদের যেহেতু সইটি জাল মনে হচ্ছে সেক্ষেত্রে আপনারা কাগজটি নিয়ে অফিসে আসেন এবং সেটি পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হোক।

এবিষয়ে ডিমলা উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি এবিষয়ে তাদের সাথে কথা বলার জন্য চেষ্টা করেছিলা তাদের কে নিয়ে বসে এটার সমাধান করার চেষ্টা ও করেছিলাম কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কেউ আসেনি।

এদিকে ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ লাইছুর রহমান বলেন জাল সই বিষয় টি নিয়ে আব্দুল হামিদ সরকার নামে একজন ব্যক্তি একটি অভিযোগ করেছে তবে বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখতেছি।

এদিকে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমানকে ফোন দিয়ে তথ্য চাওয়াতে তার ভাগিনা ডালিম শেখ মুঠো ফোনে বাজে ভাষায় কথা বলেন।

Facebook Comments Box