সৃষ্টি নিউজ এ সংবাদ প্রকাশের পর লাম্পি রোগে আক্রান্ত গরুর চিকিৎসা দিলেন উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার
- আপডেট সময় : ০৪:৩২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে
সৃষ্টি নিউজ এ সংবাদ প্রকাশের পর লাম্পি রোগে আক্রান্ত গরুর চিকিৎসা দিলেন উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার
কুড়িগ্রাম এর নাগেশ্বরীতে লাম্পি রোগে আক্রান্ত গরুর মৃত্যু বেড়েই চলছে। কৃষকদের অসচেতনতা ও এলাকায় সচেতনতা মূলক আলোচনার অভাব ও সু-চিকিৎসা না পেয়ে প্রতিনিয়ত গরুর মৃত্যু খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এনিয়ে সৃষ্টি নিউজ পোর্টাল এ নিউজ হওয়ার পর নাগেশ্বরী উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার শহিদুল ইসলাম ও কোকিল চন্দ্র বিশ্বাস অসুস্থ গরু পরিদর্শন ও চিকিৎসা প্রদান করেন।
নাগেশ্বরীতে লাম্পি রোগে আক্রান্ত হয়ে বেপরোয়া ভাবে গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। হঠাৎ করেই বাড়ি বাড়ি আক্রান্ত হচ্ছে গরু। নাগেশ্বরী পৌরসভাসহ বেশ কিছু এলাকা ঘুরে খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েকদিনের ব্যবধানে উপজেলায় একাধিক গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
জেনে নিন >> লাম্পি স্কিন রোগের কারণ, লক্ষণ ও কিভাবে প্রতিকার পাওয়া যাবে
তথ্য সুত্রে জানাগেছে নেওয়াশী ব্যপারিটারি গ্রামের দুলাল মিয়া, আবু বকর, বদিজমাপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম, ইদ্রিস আলী, খেউনিটারী গ্রামের আব্দুর রহিম সাহেব আলী নুর আমিন, মুছুল্লিপাড়া গ্রামের ছোহরাব হোসেন, কাশির ডারা গ্রামের গাজিউর রহমান হরে কৃষ্ণ, তেলিপাড়া গ্রামের শাহানুর, সুখাতীর লালচান মিয়া, অসুস্থ গরুর মধ্যে গাভি ও বাছুরের সংখ্যাই বেশি।
এছাড়া বাড়িতে বা খামারে আরও অনেক গরু আক্রান্ত।
নাগেশ্বরী চামটারপাড় মুয়াজ্জিন, খেরবাড়ি উদয় চন্দ, হাসনাবাদ শ্রিপুর জবেদ আলী, হুজুর আলী, গোপালপুর কোরবান আলী, শিংহের ভিটা আবেদ আলী, কান্দুয়ার হাট মজিবুল ইসলাম সুকানদিঘী চায়না বেগম, আব্দুস শাফিসহ প্রত্যেকের গরু লাম্পি রোগে গরু মারা যায়।
এছাড়াও চামটার পাড় বাবুল, খেরবারী উদয়,বাশের তল আব্দুস ছামাদ হাজীর গরু গুরুতর অসুস্থ। তারা বলেন, এ রোগ সম্পর্কে চিকিৎসা বা অভিজ্ঞতা না থাকায় চিকিৎসা নিতে সমস্যা হচ্ছে।
জেনে নিন>> শীতে আলুর সার প্রয়োগ ও পরিচর্যা
নেওয়াশী ছোহরাব আলী জানান, হাজার হাজার টাকার ঔষধ খাওয়াচ্ছি কিছুতেই কাজ হচ্ছে না। তাঁর ৫টি গরুর একটি বাছুর লাম্পি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। বাকিগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
গাজিউর রহমান বলেন, টাকাকে টাকা না বলে চিকিৎসা করে যাচ্ছিলাম কিন্তু কোন ভাবেই বাচানো গেলো না।
চামটারপাড় বাবুল মিয়া বলেন, আমার একটা গরু চিকিৎসা করে ভালো হয়েছে, আরেকটি গরুর অবস্থা ভালো না, এটা জবেহ করে মাটি চাপা দেয়া ছাড়া কোন উপায় নাই।
নাগেশ্বরী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি উপজেলার লাম্পি রোগে মৃত্যু গরুর সংখ্যা জানতে চেয়ে সঠিক পরিসংখ্যান জানা যায়নি।
তবে তিনি বলেন, আক্রান্ত গরু নিয়ে প্রতিদিন অনেক লোক আসছেন,চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং ভালোও হচ্ছে। এ রোগের ভ্যাকসিন না থাকায় পরামর্শ সহ সাভাবিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ঠান্ডা বাড়লে লাম্পি স্কিন রোগের প্রকোপ কমে আসছে। আশা করা আর মৃত্যুর খবর পাওয়া যাবে না।
পড়ুন >> কেতকীবাড়ীতে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার হাবিবুর রহমান বলেন, সঠিক সময়ে চিকিৎসা এবং সচেতনতার অভাবে এসব গরু মারা যাচ্ছে, কৃষকের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়ে বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের মাঠ কর্মীরা উঠান বৈঠক করে সচেতনতা মুলক পরামর্শ দিবে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























