ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুদ্ধ-অস্থিতিশীলতায় জড়ানোর মতো সময় আমাদের নেই: তথ্যমন্ত্রী ১৭ বছরে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে: আবিদ বিশ্ব বাণিজ্যকে ফের ঔপনিবেশিক মডেলে ফেরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: রেহমান সোবহান বিশ্বের রাজনীতিতে বাড়ছে এআই ব্যবহারের প্রবণতা মাদকব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে এসপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ, আটক ১০ বৈশ্বিক ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসন্ন: আলী রীয়াজ বিএনপি টাকা নিয়ে আ.লীগকে মিছিলের সুযোগ দিচ্ছে: এটিএম আজহারুল গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড: ৬৭ শ্রমিক উদ্ধার আমরা এখন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর আইনি প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী

ফেনীতে নুরুর নাহার-মনি দাতব্য চিকিৎসালয় ও চক্ষু হাসপাতালে আধুনিক ফ্রী চিকিৎসা প্রদান

ফেনী থেকে হাসনাত তুহিন
  • আপডেট সময় : ০৯:৩১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

ফেনীতে নুরুর নাহার-মনি দাতব্য চিকিৎসালয় ও চক্ষু হাসপাতালে আধুনিক ফ্রী চিকিৎসা প্রদান

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ফেনীতে নুরুর নাহার-মনি দাতব্য চিকিৎসালয় ও চক্ষু হাসপাতালে আধুনিক ফ্রী চিকিৎসা প্রদান

ফেনীতে ব্যক্তি উদ্যোগে ২০১৫ সাল থেকে গড়ে উঠেছে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবার প্রতিষ্ঠান নুরুর নাহার-মনি দাতব্য চিকিৎসালয় ও চক্ষু হাসপাতাল। এই হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চলছে বিনামূলা চোখের ছানি অপারেশনসহ সবধরনের  চিকিৎসা সুবিধা। বর্তমানে উন্নত ও আধুনিক সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষরা।

চিকিৎসালয় ও চক্ষু হাসপাতালে মাসে দুইবার ২০ জন পুরুষ ও ২০ জন্য মহিলা রোগীর চোখের ছানি অপারেশন করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এপর্যন্ত এই হাসপাতালে ৩৩ হাজার ৭শত রুগীর চোখের চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

চিকিৎসা প্রদান কালে রুগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান করা হয়। দেশের বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ঢাকার শমরিতা হাসপাতাল এর ম্যানেজি ডিরেক্টর ও দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এ বি এম হারুন তাঁর নিজ গ্রাম ফাজিল পুরে এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠান খুলেছেন।

প্রতিষ্ঠানটিতে বিনামূল্যে সবধরণের আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা থাকায় শুধু ফেনী জেলার নয়, পার্শ্ববর্তী অন্যানা জেলার রোগীরাও এই হাসপাতালে প্রতিদিন ছুটে আসেন।

পড়ুন>>সিসা দূষণ প্রতিরোধে কুড়িগ্রামে জলবায়ু কর্মীদের প্রতিবাদ

৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ এ হাসপাতালে রয়েছে পুরুষ, মহিলা, শিশু ওয়ার্ড। হাসপাতালে বর্হিবিভাগে সাধারণ রোগীদের জন্য সকাল ৮টা-বেলা ১টা এবং বিকাল ৪টা-সন্ধ্যা৭টা পর্যন্ত খোলা থাকে। সন্তাহে পাঁচ দিন সবধরণের রোগীর ব্যবস্থাপত্র ও রোগীদের ফ্রি ঔষধ দেওয়া হয়।

চক্ষু চিকিৎসার জন্য আগত যে কোন বয়সের রোগীদের এই হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসক দ্বারা চোখের ছানি অফারেশনসহ সকল প্রকার চিকিৎসা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। অপারেশন, ঔষধ, খাওয়া-দাওয়া, হাসপাতালে থাকাসহ সবকিছুই বিনামূল্যে। এমনকি অসহায় রোগীদের আসা এবং চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার খরচও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বহন করে। এই হাসপাতালে যে সকল রুগীদের চোখের চানি অপারেশন করা সম্ভব হয় না সেই সকল রুগীদের ঢাকার শমরিতা হাসপাতাল পাঠিয়ে ডা. এ বি এম হারুন এর তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

হাসপাতালটির ডাইরেক্টর এ বি এম বোরহান জানান, আমার বড় ভাই ডা: এ বি এম হারুন আমাদের মায়ের নামে এই হাসপাতালটি গড়ে তোলেন।

শুধু হাসপাতাল নয় তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য বহুমুখী কার্যক্রম চালু করেছেন। নূরুর নাহার-মনিদাতব্য ও চক্ষু হাসপাতালে রোগ নির্ণয়ের জন্য রয়েছে আধুনিক ল্যাবরেটরি। এই ছাড়া টিকাদান কেন্দ্র, শিশু বিভাগ, মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র, ডেন্টাল চেকআপ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, চক্ষু পরীক্ষা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল চেকআপসহ নিয়মিত আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে।

পড়ুন>>ডোমারে আনসার সদস্যদের আবাসন ভবনের শুভ উদ্বোধন

এই ছাড়াও রয়েছে এ্যাম্বুলেন্স সুবিধা।ঢাকার শমরিতা হাসপাতাল এর ম্যানেজি ডিরেক্টর ও দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এ বি এম হারুন এর পৃষ্ঠপোষকতায় এখানে গড়ে উঠেছে মসজিদ, পাঠাগারসহ ক্ষুদ্র ক্ষুষ আয়বর্ধক কর্মসূচী। বর্তমানে এই হাসপাতালের তৃতীয়তলায় নির্মিত হয়েছে আবুল বাশার চৌধুরী হেফজখানা ও এতিমখানা। এখানে এখন অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে।

চোখের ছানি অপারেশন করা অনেক রুগীদের সাথে কথা বললে তারা জানান, এখানে অপারেশনে আমাদের কোন কষ্ট হয়নি। আগথেকে চিকিৎসা নেওয়া রুগীদের থেকে তথ্য নিয়ে এ-ই হাসপাতলে আসি এবং চোখের অপারেশন করায়।

এখানে সবকিছু থাকা- খাওয়া, ঔষধ ফ্রি। আমরা আল্লাহর দরবারে এই হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতাসহ জড়িত সবার জন্য দোয়া করি।

হাসপাতালের দেখভালের সাথে যুক্ত থাকা কয়েকজনই বলেন, ফেনীর অঞ্চলে চিকিৎসাসেবার অগ্রদূত এ বি এম হারুন ভবিষ্যতে নিজ গ্রামে বেকারত্ব দূরীকরণে ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনিস্টিটিউট, নাসিং ইনিস্টিটিউট, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ বেশ কিছু কর্মসূচী হাতে নিয়েছেন।

নুরুর নাহার মনি দাতব্য ও চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা ডা: এ বি এম হারুন বলেন, ১৯৭৬ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করার পর মাথায় চিন্তা আসে আমার এলাকায় অনেক গরিব ও দুঃখী মানুষ রয়েছে।

আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে তাদের জন্য কিছু করা প্রয়োজন।  সেই চিন্তা থেকে আমি নিজ গ্রামে আমার মায়ের নামে এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করি। হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পর থেকে সবধরণের রুগীদের সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এটি শুধু হাসপাতাল নয়, বহুমুখী সেবামূলক কমপ্লেক্স।

যেভাবেই যাবেন এই হাসপাতালে- ফেনী মহিপাল হয়ে, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে, চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে, বোগদাদিয়া থানার পর, ফাজিলপুর নতুন বাজার সড়ক দিয়ে, কয়েক কিলোমিটার গেলে, পেয়ে যাবেন হাসপাতালটি।

২০১৫ সালের ৬ মার্চ ফেনী শহর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে ফেনী সদর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ফাজিলপুর গ্রামে নুরুর নাহার-মনি দাতব্য ও চক্ষু হাসপাতাল গড়ে উঠে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফেনীতে নুরুর নাহার-মনি দাতব্য চিকিৎসালয় ও চক্ষু হাসপাতালে আধুনিক ফ্রী চিকিৎসা প্রদান

আপডেট সময় : ০৯:৩১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪

 

ফেনীতে নুরুর নাহার-মনি দাতব্য চিকিৎসালয় ও চক্ষু হাসপাতালে আধুনিক ফ্রী চিকিৎসা প্রদান

ফেনীতে ব্যক্তি উদ্যোগে ২০১৫ সাল থেকে গড়ে উঠেছে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবার প্রতিষ্ঠান নুরুর নাহার-মনি দাতব্য চিকিৎসালয় ও চক্ষু হাসপাতাল। এই হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চলছে বিনামূলা চোখের ছানি অপারেশনসহ সবধরনের  চিকিৎসা সুবিধা। বর্তমানে উন্নত ও আধুনিক সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষরা।

চিকিৎসালয় ও চক্ষু হাসপাতালে মাসে দুইবার ২০ জন পুরুষ ও ২০ জন্য মহিলা রোগীর চোখের ছানি অপারেশন করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এপর্যন্ত এই হাসপাতালে ৩৩ হাজার ৭শত রুগীর চোখের চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

চিকিৎসা প্রদান কালে রুগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান করা হয়। দেশের বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ঢাকার শমরিতা হাসপাতাল এর ম্যানেজি ডিরেক্টর ও দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এ বি এম হারুন তাঁর নিজ গ্রাম ফাজিল পুরে এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠান খুলেছেন।

প্রতিষ্ঠানটিতে বিনামূল্যে সবধরণের আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা থাকায় শুধু ফেনী জেলার নয়, পার্শ্ববর্তী অন্যানা জেলার রোগীরাও এই হাসপাতালে প্রতিদিন ছুটে আসেন।

পড়ুন>>সিসা দূষণ প্রতিরোধে কুড়িগ্রামে জলবায়ু কর্মীদের প্রতিবাদ

৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ এ হাসপাতালে রয়েছে পুরুষ, মহিলা, শিশু ওয়ার্ড। হাসপাতালে বর্হিবিভাগে সাধারণ রোগীদের জন্য সকাল ৮টা-বেলা ১টা এবং বিকাল ৪টা-সন্ধ্যা৭টা পর্যন্ত খোলা থাকে। সন্তাহে পাঁচ দিন সবধরণের রোগীর ব্যবস্থাপত্র ও রোগীদের ফ্রি ঔষধ দেওয়া হয়।

চক্ষু চিকিৎসার জন্য আগত যে কোন বয়সের রোগীদের এই হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসক দ্বারা চোখের ছানি অফারেশনসহ সকল প্রকার চিকিৎসা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। অপারেশন, ঔষধ, খাওয়া-দাওয়া, হাসপাতালে থাকাসহ সবকিছুই বিনামূল্যে। এমনকি অসহায় রোগীদের আসা এবং চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার খরচও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বহন করে। এই হাসপাতালে যে সকল রুগীদের চোখের চানি অপারেশন করা সম্ভব হয় না সেই সকল রুগীদের ঢাকার শমরিতা হাসপাতাল পাঠিয়ে ডা. এ বি এম হারুন এর তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

হাসপাতালটির ডাইরেক্টর এ বি এম বোরহান জানান, আমার বড় ভাই ডা: এ বি এম হারুন আমাদের মায়ের নামে এই হাসপাতালটি গড়ে তোলেন।

শুধু হাসপাতাল নয় তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য বহুমুখী কার্যক্রম চালু করেছেন। নূরুর নাহার-মনিদাতব্য ও চক্ষু হাসপাতালে রোগ নির্ণয়ের জন্য রয়েছে আধুনিক ল্যাবরেটরি। এই ছাড়া টিকাদান কেন্দ্র, শিশু বিভাগ, মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র, ডেন্টাল চেকআপ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, চক্ষু পরীক্ষা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল চেকআপসহ নিয়মিত আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে।

পড়ুন>>ডোমারে আনসার সদস্যদের আবাসন ভবনের শুভ উদ্বোধন

এই ছাড়াও রয়েছে এ্যাম্বুলেন্স সুবিধা।ঢাকার শমরিতা হাসপাতাল এর ম্যানেজি ডিরেক্টর ও দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এ বি এম হারুন এর পৃষ্ঠপোষকতায় এখানে গড়ে উঠেছে মসজিদ, পাঠাগারসহ ক্ষুদ্র ক্ষুষ আয়বর্ধক কর্মসূচী। বর্তমানে এই হাসপাতালের তৃতীয়তলায় নির্মিত হয়েছে আবুল বাশার চৌধুরী হেফজখানা ও এতিমখানা। এখানে এখন অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে।

চোখের ছানি অপারেশন করা অনেক রুগীদের সাথে কথা বললে তারা জানান, এখানে অপারেশনে আমাদের কোন কষ্ট হয়নি। আগথেকে চিকিৎসা নেওয়া রুগীদের থেকে তথ্য নিয়ে এ-ই হাসপাতলে আসি এবং চোখের অপারেশন করায়।

এখানে সবকিছু থাকা- খাওয়া, ঔষধ ফ্রি। আমরা আল্লাহর দরবারে এই হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতাসহ জড়িত সবার জন্য দোয়া করি।

হাসপাতালের দেখভালের সাথে যুক্ত থাকা কয়েকজনই বলেন, ফেনীর অঞ্চলে চিকিৎসাসেবার অগ্রদূত এ বি এম হারুন ভবিষ্যতে নিজ গ্রামে বেকারত্ব দূরীকরণে ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনিস্টিটিউট, নাসিং ইনিস্টিটিউট, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ বেশ কিছু কর্মসূচী হাতে নিয়েছেন।

নুরুর নাহার মনি দাতব্য ও চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা ডা: এ বি এম হারুন বলেন, ১৯৭৬ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করার পর মাথায় চিন্তা আসে আমার এলাকায় অনেক গরিব ও দুঃখী মানুষ রয়েছে।

আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে তাদের জন্য কিছু করা প্রয়োজন।  সেই চিন্তা থেকে আমি নিজ গ্রামে আমার মায়ের নামে এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করি। হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পর থেকে সবধরণের রুগীদের সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এটি শুধু হাসপাতাল নয়, বহুমুখী সেবামূলক কমপ্লেক্স।

যেভাবেই যাবেন এই হাসপাতালে- ফেনী মহিপাল হয়ে, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে, চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে, বোগদাদিয়া থানার পর, ফাজিলপুর নতুন বাজার সড়ক দিয়ে, কয়েক কিলোমিটার গেলে, পেয়ে যাবেন হাসপাতালটি।

২০১৫ সালের ৬ মার্চ ফেনী শহর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে ফেনী সদর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ফাজিলপুর গ্রামে নুরুর নাহার-মনি দাতব্য ও চক্ষু হাসপাতাল গড়ে উঠে।

Facebook Comments Box