ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩০ বছর পূর্তি উদযাপনে আল জাজিরার আয়োজনে কাতারের আমীর গার্মেন্টস খাতে অস্থিতিশীলতা বরদাশত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নারায়ণগঞ্জে দুই আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার গাজীপুরে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশ শীতের অতিথি পাখিতে মুখর চলনবিল, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দিনমজুরি করেও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেলেন সংগ্রামী আরাফাত ৩৪ বছরের পুরনো ভবন ভেঙে নতুন কারখানা গড়বে প্যাসিফিক জিন্স বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হরমুজ প্রণালী ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরের অপেক্ষায় ইরান

নাগেশ্বরী হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবার বেহাল অবস্থা

নাগেশ্বরী থেকে মো: মোসলেম উদ্দিন
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩ ৩০৭ বার পড়া হয়েছে

নাগেশ্বরী হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবার বেহাল অবস্থা

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবার বেহাল অবস্থা। নেই কোন স্বাস্থ্য সেবার মান, বেহাল অবস্থায় খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা।

অকেজো হয়ে পড়ে আছে একেকটি সরঞ্জাম। ২০১৫ সালে ৩১শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও আজও সেই শয্যা দেখতে পায় নি রোগী। শয্যার অভাবে

হাসপাতালের মেঝেতেই শুয়ে আছে অসংখ্য রোগী। নতুন বেডের সরঞ্জাম রয়েছে তালাবদ্দ।

নাজেহাল অবস্থা অপারেশন থিয়েটারের। এ পরিস্থিতিতে মুমূর্ষু রোগীদের রেফার করে কর্তৃপক্ষ। রোগীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলে যেতে হয় অন্য সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে।

২টি এক্সে মেশিন থাকলেও একটি অচল অপরটি সচল থাকলেও টেকনিশিয়ানের অভাবে কোন এক্সে হয় না হাসপাতালে।

হাসপাতালের বাদরুমে পানির সংযোগ থালেও নেই পানির ব্যবস্থা। টয়লেটের প্যান ও ওয়াশরুমে জমে আছে ময়লার স্তুপ।

পরিচ্ছন্ন কর্মী থাকলেও পরিষ্কার করেন না ওয়াশরুম। পরিচ্ছন্ন কর্মী শাহ আলম গার্ডেনারকে দিয়ে ৩ টাকার টিকিট বিক্রি করা হয় ৫ টাকায়। শুধু তাই নয় হাসপাতালের মালি ইউনুছ আলীকে দিয়ে বিতরণ করা হয় ওষুধ, যেটি একটি আর্মাসিস্টের কাজ।

হাসপাতালের দুই তলার বাদরুমটি সাদা পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে, সেখানে লেখা আছে,”সরকারি সম্পত্তি” ভিতরে গিয়ে দেখা যায় ময়লার স্তুপ, সেখানেই পরে আছে একটি এক্সে মেশিন।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর নাগেশ্বরী অফিস সুত্রে জানাযায় ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী উপজেলার প্রায় ৪ লক্ষ জনসংখ্যার বসবাস।
এর বিপরীতে হাসপাতালে ১৪ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ৬জন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, জনবল না থাকার কারনে মালি দিয়ে ঔষধ আর গার্ডেনারকে দিয়ে টিকিট বিক্রি করা হয়, তবে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার কোন সুযোগ নেই।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নাগেশ্বরী হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবার বেহাল অবস্থা

আপডেট সময় : ০৩:৩০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবার বেহাল অবস্থা। নেই কোন স্বাস্থ্য সেবার মান, বেহাল অবস্থায় খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা।

অকেজো হয়ে পড়ে আছে একেকটি সরঞ্জাম। ২০১৫ সালে ৩১শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও আজও সেই শয্যা দেখতে পায় নি রোগী। শয্যার অভাবে

হাসপাতালের মেঝেতেই শুয়ে আছে অসংখ্য রোগী। নতুন বেডের সরঞ্জাম রয়েছে তালাবদ্দ।

নাজেহাল অবস্থা অপারেশন থিয়েটারের। এ পরিস্থিতিতে মুমূর্ষু রোগীদের রেফার করে কর্তৃপক্ষ। রোগীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলে যেতে হয় অন্য সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে।

২টি এক্সে মেশিন থাকলেও একটি অচল অপরটি সচল থাকলেও টেকনিশিয়ানের অভাবে কোন এক্সে হয় না হাসপাতালে।

হাসপাতালের বাদরুমে পানির সংযোগ থালেও নেই পানির ব্যবস্থা। টয়লেটের প্যান ও ওয়াশরুমে জমে আছে ময়লার স্তুপ।

পরিচ্ছন্ন কর্মী থাকলেও পরিষ্কার করেন না ওয়াশরুম। পরিচ্ছন্ন কর্মী শাহ আলম গার্ডেনারকে দিয়ে ৩ টাকার টিকিট বিক্রি করা হয় ৫ টাকায়। শুধু তাই নয় হাসপাতালের মালি ইউনুছ আলীকে দিয়ে বিতরণ করা হয় ওষুধ, যেটি একটি আর্মাসিস্টের কাজ।

হাসপাতালের দুই তলার বাদরুমটি সাদা পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে, সেখানে লেখা আছে,”সরকারি সম্পত্তি” ভিতরে গিয়ে দেখা যায় ময়লার স্তুপ, সেখানেই পরে আছে একটি এক্সে মেশিন।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর নাগেশ্বরী অফিস সুত্রে জানাযায় ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী উপজেলার প্রায় ৪ লক্ষ জনসংখ্যার বসবাস।
এর বিপরীতে হাসপাতালে ১৪ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ৬জন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, জনবল না থাকার কারনে মালি দিয়ে ঔষধ আর গার্ডেনারকে দিয়ে টিকিট বিক্রি করা হয়, তবে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার কোন সুযোগ নেই।

 

Facebook Comments Box