দুর্গাপূজায় সরকারি কর্মচারীদের টানা ৭ দিনের ছুটির সুযোগ যেভাবে
- আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য টানা সাত দিন পর্যন্ত ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এই দীর্ঘ ছুটির সুবিধাটি সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। সরকারি ছুটির তালিকার সাথে ঐচ্ছিক ও সাপ্তাহিক ছুটিগুলো সমন্বয় করে নির্দিষ্ট শ্রেণির সরকারি কর্মীরা এই সুযোগ নিতে পারবেন। সরকারি ছুটির সঙ্গে ঐচ্ছিক ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে নির্দিষ্ট শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা ৭ দিন পর্যন্ত ছুটি ভোগ করতে পারবেন।
সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে। অর্থাৎ সরকারিভাবে দুই দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বাইরে সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মীরা ১৮ অক্টোবর রোববার মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর সোমবার মহাষ্টমী উপলক্ষে দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন। ফলে তারা শুরুতেই টানা চার দিনের ছুটি পাচ্ছেন। ৫ নয়, মিলতে পারে টানা ৭ দিনের ছুটি ১৮ ও ১৯ অক্টোবরের ঐচ্ছিক ছুটি এবং ২০ ও ২১ অক্টোবরের সরকারি ছুটি মিলিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা চার দিন ছুটি ভোগ করতে পারবেন।
এই চার দিনের ছুটির সাথে যদি কেউ ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত এক দিনের ছুটি নেন, তবে তার সাথে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হবে। এভাবে হিসাব করলে সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোট সাত দিন টানা ছুটি পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে, এই ঐচ্ছিক ছুটির সুবিধা কেবলমাত্র সংশ্লিষ্ট ধর্মের সরকারি চাকরিজীবীরাই পাবেন, অন্য সরকারি কর্মচারীরা এই সুযোগ নিতে পারবেন না।
সাধারণ সরকারি ছুটির দিনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী জরুরি প্রয়োজনে নির্দিষ্ট শাখা খোলা থাকতে পারে। এছাড়াও অনলাইন ব্যাংকিং, এটিএম এবং কার্ডের মতো ডিজিটাল সেবাসমূহ স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জরুরি সেবাখাতে কর্মরতদের ক্ষেত্রে ছুটির নিয়ম সম্পূর্ণ আলাদা। হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমকর্মীদের মতো জরুরি সেবার সাথে সম্পৃক্তদের ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে। জনসেবা সচল রাখার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দিতে পারে।
পরিশেষে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা বিভিন্ন সংস্থার ক্ষেত্রে ছুটির বিষয়টি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব ক্যালেন্ডার ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। সরকারি ক্যালেন্ডারের সাথে মিলিয়ে তারা তাদের ছুটির সময়সূচী নির্ধারণ করতে পারে। তাই সব শ্রেণির কর্মী বা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে দুর্গাপূজার ছুটির নিয়ম অভিন্ন নয়।
সূত্র: দৈনিক এদিন
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























