দলীয় মনোনয়ন না পেলেও আগেই ইলেকশনে উপমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৮:১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৩ ২৮২ বার পড়া হয়েছে
দলীয় মনোনয়ন না পেলেও আগেই ইলেকশনে উপমন্ত্রী।
গতকাল ১৫ নভেম্বর ২৩ ইং বুধবার বাংলাদেশ নির্বাচন কসমিশন আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপসিল ঘোষণা করেছেন । তপসিল অনুযায়ী আগামী ২৪ সালের জানুয়ারীর ৭ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
তপসিল ঘোষনার পর থেকে কুড়িগ্রাম জেলা জুড়ে দেখা গেছে সরকার দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র পেতে দৌঁড়-ঝাপ। অবশ্য ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ দলের নেতা-কর্মীদের জন্য আগামী ১৮ নভেম্বর শনিবার থেকে মনোনয়ন পত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত নিলেও, কুড়িগ্রাম ৪ আসনে ঘটেছে তার উল্টো চিত্র ।
এই আসনের উপজেলা শহর গুলোর বিভিন্ন অলি-গলিতে বৃহঃবার সকাল থেকে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো.জাকির হোসেনের পোস্টার দেখা যাচ্ছে। পোস্টারে লেখা অনেক অর্জন আমাদের, বাকি আরো অনেক কাজ, ব্রহ্মপুত্র সেতু ও রেল লাইনের জন্য মো.জাকির হোসেন এমপিকে নৌকা মার্কায় ভোট দিন।
এমন পোস্টারে উপজেলা শহরগুলোতে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে । নিজের দলের ক্ষমতাসীন নেতা-কর্মীরা মন্ত্রীর এমন কান্ডে বিব্রত বলেও জানান অনেকে।
কুড়িগ্রাম ৪ আসন থেকে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ডা. ফারুকুল ইসলাম ফারুক বলেন, কিছুদিন আগে উনি এলাকায় মিছিল করেছেন, মিষ্টি বিতরণ করেছেন আর সবাইকে বলেছেন তিনি দল থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। আসলে সবাই যখন জানতে পারে ঘটনাটি মিথ্যা তখন মিছিলে অংশ নেয়া অনেকেই লজ্জা পেয়েছিলো। এটা এক ধরণের প্যানিক সৃষ্টি করা।
আরেকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট মো. আমজাদ হোসেন বলেন, এটা এক ধরণের বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা। তিনি এমনভাবে পোস্টারিং করেছেন মানুষ মনে করবে দল তাকে টিকিট দিয়েছে। এখানে দলের ও নেত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপপ্রয়াস করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের আইনেরও ব্যত্যয় ঘটেছে।
মন্ত্রীর এমন কান্ডে বিরক্ত এ আসনের সচেতন নাগরিকগনও স্থানীয় সংগঠক ও কলামিস্ট নাহিদ হাসান নলেজ বলেন, গতকাল কেবল তপসিল ঘোষনা হয়েছে, স্ব স্ব দল থেকে প্রার্থীরা টিকিট পাবেন,মার্কা পাবেন, তারপর প্রচারণা করবেন। আমার মনে হয় নির্বাচনী আইন এখানে লংঘন করা হয়েছে, বিষয়টি নির্বাচন কমিশনারকে দেখা উচিৎ।
এ বিষয়ে জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু বলেন, বিষয়টি আমি জানি না। গতকাল তপসিল ঘোষনা হয়েছে জননেত্রী যাকে দল থেকে মনোনয়ন দেবেন তিনিই নৌকার প্রার্থী হয়ে প্রচারণা করবেন।
কিন্তু এমন একটা সময়ে মন্ত্রী সাহেব যদি এরকম কাজ করে থাকেন, তাহলে তো সমালোচনা হবে। যেখানে আমরা বিএনপি-জামাতের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি, ৩০০ আসনে আমরা ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি বিষয়টি সভাপতি সাহেবের সঙ্গে আলোচনা করবো।
জেলা নির্বাচন কমিশনার মো. জিলহাজ উদ্দিন বলেন, প্রতিক বরাদ্দের আগে কোন প্রার্থী এরকম নির্বাচনী পোস্টার করতে পারবেন না। আমরা মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের বিষয়টি শুনেছি।
উনিসহ সব প্রার্থীকে আজ চিঠি দেয়া হবে। চিঠি পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যে অপসারণ না করলে আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























