দলীয় মনোনয়ন না পেলেও আগেই ইলেকশনে উপমন্ত্রী।
গতকাল ১৫ নভেম্বর ২৩ ইং বুধবার বাংলাদেশ নির্বাচন কসমিশন আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপসিল ঘোষণা করেছেন । তপসিল অনুযায়ী আগামী ২৪ সালের জানুয়ারীর ৭ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
তপসিল ঘোষনার পর থেকে কুড়িগ্রাম জেলা জুড়ে দেখা গেছে সরকার দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র পেতে দৌঁড়-ঝাপ। অবশ্য ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ দলের নেতা-কর্মীদের জন্য আগামী ১৮ নভেম্বর শনিবার থেকে মনোনয়ন পত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত নিলেও, কুড়িগ্রাম ৪ আসনে ঘটেছে তার উল্টো চিত্র ।
এমন পোস্টারে উপজেলা শহরগুলোতে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে । নিজের দলের ক্ষমতাসীন নেতা-কর্মীরা মন্ত্রীর এমন কান্ডে বিব্রত বলেও জানান অনেকে।
কুড়িগ্রাম ৪ আসন থেকে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ডা. ফারুকুল ইসলাম ফারুক বলেন, কিছুদিন আগে উনি এলাকায় মিছিল করেছেন, মিষ্টি বিতরণ করেছেন আর সবাইকে বলেছেন তিনি দল থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। আসলে সবাই যখন জানতে পারে ঘটনাটি মিথ্যা তখন মিছিলে অংশ নেয়া অনেকেই লজ্জা পেয়েছিলো। এটা এক ধরণের প্যানিক সৃষ্টি করা।
মন্ত্রীর এমন কান্ডে বিরক্ত এ আসনের সচেতন নাগরিকগনও স্থানীয় সংগঠক ও কলামিস্ট নাহিদ হাসান নলেজ বলেন, গতকাল কেবল তপসিল ঘোষনা হয়েছে, স্ব স্ব দল থেকে প্রার্থীরা টিকিট পাবেন,মার্কা পাবেন, তারপর প্রচারণা করবেন। আমার মনে হয় নির্বাচনী আইন এখানে লংঘন করা হয়েছে, বিষয়টি নির্বাচন কমিশনারকে দেখা উচিৎ।
এ বিষয়ে জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু বলেন, বিষয়টি আমি জানি না। গতকাল তপসিল ঘোষনা হয়েছে জননেত্রী যাকে দল থেকে মনোনয়ন দেবেন তিনিই নৌকার প্রার্থী হয়ে প্রচারণা করবেন।
কিন্তু এমন একটা সময়ে মন্ত্রী সাহেব যদি এরকম কাজ করে থাকেন, তাহলে তো সমালোচনা হবে। যেখানে আমরা বিএনপি-জামাতের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি, ৩০০ আসনে আমরা ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি বিষয়টি সভাপতি সাহেবের সঙ্গে আলোচনা করবো।
উনিসহ সব প্রার্থীকে আজ চিঠি দেয়া হবে। চিঠি পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যে অপসারণ না করলে আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
Leave a Reply