ঝালকাঠিতে তিব্র গরমে ও অনবৃষ্টিতে ওষ্ঠাগত সাধারণ মানুষ
- আপডেট সময় : ১২:২৮:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩ ৩২৮ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠিতে তিব্র গরমে ও অনবৃষ্টিতে ওষ্ঠাগত সাধারণ মানুষ।
ঝালকাঠিতে তিব্র গরমে ও অনবৃষ্টিতে ওষ্ঠাগত সাধারণ মানুষ। সোমবার (১০ এপ্রিল) ঝালকাঠিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি বছরের মধ্যে রেকর্ড।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, আগামী ৭ দিনের মধ্যে বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নাই। আগামী বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকবে।
পড়ুন>>ভেড়ামারায় পরকীয়ায় প্রেমিক অপ্রীতিকর অবস্থায় ধরা খেয়ে গণপিটুনির পর নিখোঁজ
আগামী ৭ দিন তাপমাত্রা এভাবে অব্যাহত থাকবে। এদিকে গত কয়েক দিনের গরমে ওষ্ঠাগত অবস্থা সাধারণ মানুষসহ পশু পাখীর। গরম থেকে বাঁচতে চিকিৎসকরা পানি ও তরল খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রায় অঞ্চলেই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। গত কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড গরমে অসহায় পয়ে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ জন।
একদিকে রোজায় শরীর শুস্ক, অন্যদিকে ঈদের কেনাকাটা ও রাস্তাঘাটে জ্যাম মিলে বাতাসের উত্তাপ যেন আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে কষ্টকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে জনজীবনে।
ঝালকাঠির রাস্তার পাশে ভ্যানে সবজি বিক্রেতা জানান, “সকাল ১০ টার পর রৌদ্রের তাপে রাস্তায় দাড়াতে পারছি না। ঘামে শরীর ভিজে যায়। পেটের তাগিদে অসহনীয় গরমের মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে।”
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, লঘু চাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিম বঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
আগামী ২৪ ঘন্টার পূর্বাসে বলা হয় আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে এবং বৃষ্টির সম্ভবনা দেখা যায় না ।
আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন আগামী ৬/৭ দিন বৃষ্টির কোন সম্ভবনা দেখা যাচ্ছে না।
ফলে এই গরম অব্যাহত থাকতে পারে আগামী ৬দিন। এছাড়াও ঋতু পরিবর্তনের এই সময় ছিটেপোটা বৃষ্টি নাই।
গত ২৪ ঘন্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়, ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়িাস এবং ঢাকায় ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
পড়ুন>>হিট স্টোকে ধান চিটা হওয়া থেকে বাঁচানোর কৌশল
ঝালকাঠির তরমুজ চাষীরা গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তরমুজ ক্ষেতে পানি সরবরাহ করতে হিমশিম খাচ্ছে। বৃষ্টি না থাকায় তরমুজের ফরন ভালো হচ্ছে না। প্রখর রৌদ্রে তরমুজ মাঠে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রোদ্রের তাপে কৃষকরা মাঠে কাজ করতে পারছে না।
ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ডা: জহিরুল ইসলাম বলেন, “ইফতারীর পর প্রচুর পরিমানে পানি পান। রৌদ্রে কম বের হওয়া এবং খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর হতে বের না হওয়া পরামর্শ দিয়েছেন।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























