জীবনকে আমি কীভাবে দেখি?আমার কাছে জীবন কি?
- আপডেট সময় : ০২:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩ ২৮৪ বার পড়া হয়েছে
জীবনকে আমি কীভাবে দেখি?আমার কাছে জীবন কি?
খুব সাদাসিদে জীপনযাপনই আমার পছন্দের। জীবনে কখনও অতিরিক্ত চাহিদা থাকা উচিত নয়। চাহিদা কম থাকলে মানুষের জীবনটা সহজ হয় বলে আমি মনে করি ।
কথায় আছে ত্রবং আমি মনে করি মানুষ সৎ ও অসৎ উভয় ব্যক্তিকেই মনে রাখে-তবে একটা শ্রদ্ধা ও আরেকটা ঘৃনার সাথে |
আমি সবাইকে বলবো সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করে যাবে-বিনিময়ে চাইবে না কিছুই-সে মনে রাখবেন তাও আশা করবে না।
যদি ভালো কাজ করো তার প্রতিদান নিশ্চয়ই পাবে।মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী। সমাজের জন্য যদি কিছু করে যাওয়া যায় তাই চিরস্থায়ী এবং সাধারণ মানুষ এটাই মনে রাখে ।ইবাদত, দান-সদকা কবুলের প্রথম শর্ত হচ্ছে হালাল রুজি।
আমেরিকা আসার পর আমি হালাল রুজি উপর জোর দেয় ।আজ অবদি যা আমার আছে সবই আমার পরিশ্রমের ফল । আললাহর উপর সবসময় ভরসা রাখবেন ।
জীবন একটি উপহার- একে গ্রহণ করো।জীবন হচ্ছে অভিযান -সাহসী হও। জীবন একটি দায়িত্ব-একে সম্পাদন করো। বাংলাদেশে কেহ যাচেছ ভারতে বা বিদেশে কেউ করে অস্ত্রোপচার ,কেউ করে অর্থ পাচার । আমি আরো মনে করি স্বাস্থ্য সবচেয়ে বড় উপহার-তৃপ্তি সবচেয়ে বড় সম্পদ-বিশ্বস্ততা সেরা সম্পর্ক।
জীবনে চাওয়া যত সীমিত-জীবন তত সুন্দর ।বাংলাদেশে নীতিহীন মানুষের সংখ্যা বাড়ছে– নীতিপথ বিবর্জিত প্রবল ভোগবাদী মানুসিকতায় সমাজ অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে ।
বাংলাদেশ একটি বিচিত্রময় মুসলিম দেশ, এইখানে লোকজন হাজার হাজার কোটি টাকা অবৈধ ভাবে আয় করে বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন। আর শেষ বয়সে এসে ঐ টাকা থেকে হজ্ব পালন করে আর মসজিদ মাদ্রসা নির্মাণ করে পরকালে বেহেস্তে গিয়ে বাকি জীবন আরাম আয়েশে থাকতে চায়!!!
অথচ ইবাদত, দান-সদকা কবুলের প্রথম শর্ত হচ্ছে হালাল রুজি।আমি সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বিদ্বেষ নয় ত্রটা আমি বিশবাস করি । এই পৃথিবীতে স্বার্থ ছাড়া ভালোবাসে শুধু সবার মা । কোন সময় অন্যকে দোষারোপ করা বন্ধ করুন এবং সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে কীভাবে এই সমস্যার নিষ্পত্তি করা যায়— সেই পথ খুঁজুন।
বাংলাদেশে প্রচুর অর্থ খরচ করেন। তারা মনে করেন, যদি তাদের পছন্দমতো ব্যক্তিরা জেতেন, তা হলে নির্বাচন ভালো হয়েছে। আর তা না হলে সংশ্লিষ্ট দেশের গণতন্ত্র খারাপ। মজাটা হচ্ছে, তারা বোঝাতে চান, খোলামেলা সমাজের স্বার্থে এসব করা হচ্ছে। বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূলই হোক মূল লক্ষ্য -না হলে দেশের অবসহা আরো খারাপ হবে ।
আমি আরো বলবো হেরে গেলে মন খারাপ করবেন না-হারতে হারতে ত্রকদিন শিখে যাবেন কিভাবে বাচতে হয় । জীবন মানে আর কিছু নয়, জীবন তো উৎসব !
জীবন ভীষন ছোট্ট, ভালো মন্দের ভীড়ে কিছু লুকানো পুরোনো স্মৃতি , যা এক এক টি মূহুর্তগুলো ভীষণ যত্নের এবং পরম ভালোবাসা’র !মানুষের মধ্যে মিথ্যা অহমিকা থাকতে নেই। আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন কখন যে কাকে কোথায় নামিয়ে দেন তা বলা মুশকিল।
পড়ুন>>যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার মতো অস্ত্র আছে রাশিয়ার: পুতিন মিত্র
আজ যে রাজা কাল সে ফকির।যদি মানুষ স্বপ্ন দেখে এবং সেই স্বপ্ন অনুযায়ী জীবন যাপন করতে চায়, তাহলে শুধু স্বপ্ন দেখলেই হবে না সেই স্বপ্নের উপর কাজ করতে হবে।
কাজ করার জন্য নিজের বর্তমান অবস্থাকে দেখতে হবে, এটাই সবচেয়ে বড় মটিভেড। যার প্রথম কাজ হল অলস দূর করা, শরীরের উপর করুনা করলে চলবে না। না হলে মানুষ চিরদিনই গরিব থেকে যাবে। ভাগ্যের জন্য অন্যকে দায়ী করা ঠিক না, নিজে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করা সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।লেখক
এডিটর,এনওয়াইবিডিনিঊজ ও সাংবাদিক আমেরিকা ।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























