ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গত ছয় মাসে শুধু ঢাকাতেই গড়ে দৈনিক তিনটি আন্দোলন

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২০২ বার পড়া হয়েছে

গত ছয় মাসে শুধু ঢাকাতেই দৈনিক তিনটি আন্দোলন

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

গত ছয় মাসে শুধু ঢাকাতেই দৈনিক তিনটি আন্দোলন

 

গত ছয় মাসে শুধু ঢাকাতেই ১৮০টি আন্দোলন হয়েছে। গত ছয় মাসে শুধু ঢাকাতেই গড়ে দৈনিক তিনটি আন্দোলন। কারও দাবি চাকরি স্থায়ীকরণ, কেউ চান সরকারিকরণ। বদলি নিয়োগ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ নানা ইস্যুতে আন্দোলন।

 

এমএলএসএস থেকে শুরু করে বাদ যাননি ক্যাডার সার্ভিসের কর্মকর্তারাও। অটোরিকশা থেকে অটোপাস, আনসার থেকে পুলিশ। বিসিএস থেকে বিডিআর কিংবা শ্রমিক; আন্দোলন যেন থামছেই না।

 

জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে নানান দাবি-দাওয়া নিয়ে ঢাকার রাজপথে আন্দোলন এখন নিত্যদিনের চিত্র। ন্যায্য-অন্যায্য, যৌক্তিক-অযৌক্তিক দাবি আদায়ে অনেক পেশাজীবী সংগঠন, শিক্ষার্থী, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ আন্দোলন করছেন। কৌশল হিসেবে আন্দোলনকারীরা যে যেভাবে পারছেন সেখানেই বসে পড়ছেন। কথায় কথায় চলছে সড়ক অবরোধ। একদিনে সর্বোচ্চ ১৭টি জায়গায় অবরোধের ঘটনাও ঘটেছে।

পড়ুন>> নাস্তিক ও ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে নাগেশ্বরীতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

কিছু আন্দোলনের উত্তাপ দেশজুড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনকারীদের নিয়ন্ত্রণ ও নির্বিঘ্ন যান চলাচল নিশ্চিতে পুলিশও অসহায়। সড়ক আটকে বিক্ষোভ-আন্দোলন করায় রাজধানীতে যানজট আরও তীব্র হয়েছে, মানুষের ভোগান্তি-কষ্ট বেড়েছে কয়েকগুণ। মানুষকে জিম্মি করে পথঘাট বন্ধ করা হলেও তাতে থোড়াই কেয়ার করছেন আন্দোলনকারীরা। এ নিয়ে যারপরনাই ক্ষুব্ধ ঢাকাবাসী।

 

গত বছরের ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল একবারে নাজুক। বিপর্যস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার যখন কিছুটা গুছিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করে, তখন একের পর এক যৌক্তিক-অযৌক্তিক আন্দোলন শুরু হয়। বাড়তে থাকে সরকারের ওপর নানা চাপ। এ পরিস্থিতি এখনো আছে।

 

প্রথমদিকে আন্দোলনকারীরা নানা দাবি নিয়ে জড়ো হতেন প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে। সেখানে একসঙ্গে পাঁচ থেকে ছয়টি সংগঠনও নানা দাবিতে বিক্ষোভ করেছে। পরে আন্দোলনকারীদের তীর্থভূমিতে পরিণত হয় শাহবাগ। গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে দিনে ১৪ থেকে ১৫টি সংগঠনও রাজপথে নানা দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। ১৯ আগস্ট এক দিনে ঢাকার বিভিন্ন সড়কের মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে অন্তত ১৭টি সংগঠন।

 

গণঅভ্যুত্থানের সময় স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষাগুলো না দিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে ফল প্রকাশের দাবিতে কিছু ছাত্র আন্দোলন করেন। এর বিপরীতে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতেও আন্দোলন হয়। পরে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়েই ফল প্রকাশ হয়। তাতে যারা পাস করেননি, তারাও নামেন আন্দোলনে, ঘেরাও করেন শিক্ষা বোর্ড। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকদের আন্দোলন চলে টানা ৯ দিন। দিনের বিভিন্ন সময়ে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট অবরোধ করে রাখেন তারা।

 

এরপর ঊর্ধ্বতন-অধস্তন পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বৈষম্য নিরসনসহ ১৩ দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন অধস্তন কর্মকর্তারা। অন্যদিকে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে ১৩ আগস্ট আন্দোলনে নামেন আনসার সদস্যরা। দাবি আদায়ে ২৫ আগস্ট আনসার সদস্যরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সচিবালয় ঘেরাও করেন।

 

সেই রাতে সচিবালয়ের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনসার সদস্যদের সংঘর্ষ হয়। আন্দোলন করে ৪৩ বিসিএসএ বাদ পড়ারাও। ৪০ ব্যাচের অব্যাহতিপ্রাপ্ত এসআইদের, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস ইস্যুতে সচিবালয় অবস্থান-অনশন কর্মসূচি চলে।

পড়ুন>>সূর্যমুখী মাইক্রোগ্রিন উৎপাদন পদ্ধতি

 

পাঠ্যপুস্তকে আদিবাসী শব্দ নিয়ে আন্দোলন-সংঘর্ষ হয় চার দিন। এ ছাড়া বিডিআর সদস্যদের পরিবার ও চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরাও নামেন রাজপথে। এরপর সারা দেশে রেল চলাচলই বন্ধ করে দেন রানিং স্টাফরা। চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার দাবিতেও চলে আন্দোলন।

 

আন্দোলন এখানেই থামেনি। চলতি বছর বেশি ভোগান্তির সৃষ্টি করে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বাতিলের দাবিতে আন্দোলন। এ নিয়ে পুরো মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। অবশ্য এরই মধ্যে দুপক্ষ আলোচনায় বসে অধিভুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় কিছুটা শান্ত হয় পরিস্থিতি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদার নিয়ে কঠোর আন্দোলনে নামেন তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা।

 

অন্যদিকে, জুলাই আন্দোলনে আহতদের উন্নত চিকিৎসা, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের দাবিতে বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করা হচ্ছে। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা চাকরিতে নিয়োগের দাবিতে বেশ কয়েকদিন ধরে আন্দোলন চলছে।

 

ঢাকা যেনো অলিখিত আন্দোলনের শহর। এ আন্দোলনকারীদের কাছে জব্দ হয়েছে রাজধানী। কবে থামবে এ বিশৃঙ্খলা? এসব আন্দোলনের কারণ হিসেবে অনেকে দেখছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যর্থতা।

 

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সভাপতি অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আন্দোলন করলেই কিছু দাবি পূরণ করে ফেলার কারণে মূলত সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে; কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দাবি-দাওয়া পূরণের সরকার নয়, এই মেসেজ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এ সুযোগে আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী গ্রুপও মাঠে নেমে এসেছে। সরকারের উচিত ছিল শুরুতেই তাদের অবস্থান শক্তভাবে জানিয়ে দেওয়া।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গত ছয় মাসে শুধু ঢাকাতেই গড়ে দৈনিক তিনটি আন্দোলন

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

গত ছয় মাসে শুধু ঢাকাতেই দৈনিক তিনটি আন্দোলন

 

গত ছয় মাসে শুধু ঢাকাতেই ১৮০টি আন্দোলন হয়েছে। গত ছয় মাসে শুধু ঢাকাতেই গড়ে দৈনিক তিনটি আন্দোলন। কারও দাবি চাকরি স্থায়ীকরণ, কেউ চান সরকারিকরণ। বদলি নিয়োগ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ নানা ইস্যুতে আন্দোলন।

 

এমএলএসএস থেকে শুরু করে বাদ যাননি ক্যাডার সার্ভিসের কর্মকর্তারাও। অটোরিকশা থেকে অটোপাস, আনসার থেকে পুলিশ। বিসিএস থেকে বিডিআর কিংবা শ্রমিক; আন্দোলন যেন থামছেই না।

 

জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে নানান দাবি-দাওয়া নিয়ে ঢাকার রাজপথে আন্দোলন এখন নিত্যদিনের চিত্র। ন্যায্য-অন্যায্য, যৌক্তিক-অযৌক্তিক দাবি আদায়ে অনেক পেশাজীবী সংগঠন, শিক্ষার্থী, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ আন্দোলন করছেন। কৌশল হিসেবে আন্দোলনকারীরা যে যেভাবে পারছেন সেখানেই বসে পড়ছেন। কথায় কথায় চলছে সড়ক অবরোধ। একদিনে সর্বোচ্চ ১৭টি জায়গায় অবরোধের ঘটনাও ঘটেছে।

পড়ুন>> নাস্তিক ও ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে নাগেশ্বরীতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

কিছু আন্দোলনের উত্তাপ দেশজুড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনকারীদের নিয়ন্ত্রণ ও নির্বিঘ্ন যান চলাচল নিশ্চিতে পুলিশও অসহায়। সড়ক আটকে বিক্ষোভ-আন্দোলন করায় রাজধানীতে যানজট আরও তীব্র হয়েছে, মানুষের ভোগান্তি-কষ্ট বেড়েছে কয়েকগুণ। মানুষকে জিম্মি করে পথঘাট বন্ধ করা হলেও তাতে থোড়াই কেয়ার করছেন আন্দোলনকারীরা। এ নিয়ে যারপরনাই ক্ষুব্ধ ঢাকাবাসী।

 

গত বছরের ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল একবারে নাজুক। বিপর্যস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার যখন কিছুটা গুছিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করে, তখন একের পর এক যৌক্তিক-অযৌক্তিক আন্দোলন শুরু হয়। বাড়তে থাকে সরকারের ওপর নানা চাপ। এ পরিস্থিতি এখনো আছে।

 

প্রথমদিকে আন্দোলনকারীরা নানা দাবি নিয়ে জড়ো হতেন প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে। সেখানে একসঙ্গে পাঁচ থেকে ছয়টি সংগঠনও নানা দাবিতে বিক্ষোভ করেছে। পরে আন্দোলনকারীদের তীর্থভূমিতে পরিণত হয় শাহবাগ। গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে দিনে ১৪ থেকে ১৫টি সংগঠনও রাজপথে নানা দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। ১৯ আগস্ট এক দিনে ঢাকার বিভিন্ন সড়কের মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে অন্তত ১৭টি সংগঠন।

 

গণঅভ্যুত্থানের সময় স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষাগুলো না দিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে ফল প্রকাশের দাবিতে কিছু ছাত্র আন্দোলন করেন। এর বিপরীতে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতেও আন্দোলন হয়। পরে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়েই ফল প্রকাশ হয়। তাতে যারা পাস করেননি, তারাও নামেন আন্দোলনে, ঘেরাও করেন শিক্ষা বোর্ড। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকদের আন্দোলন চলে টানা ৯ দিন। দিনের বিভিন্ন সময়ে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট অবরোধ করে রাখেন তারা।

 

এরপর ঊর্ধ্বতন-অধস্তন পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বৈষম্য নিরসনসহ ১৩ দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন অধস্তন কর্মকর্তারা। অন্যদিকে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে ১৩ আগস্ট আন্দোলনে নামেন আনসার সদস্যরা। দাবি আদায়ে ২৫ আগস্ট আনসার সদস্যরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সচিবালয় ঘেরাও করেন।

 

সেই রাতে সচিবালয়ের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনসার সদস্যদের সংঘর্ষ হয়। আন্দোলন করে ৪৩ বিসিএসএ বাদ পড়ারাও। ৪০ ব্যাচের অব্যাহতিপ্রাপ্ত এসআইদের, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস ইস্যুতে সচিবালয় অবস্থান-অনশন কর্মসূচি চলে।

পড়ুন>>সূর্যমুখী মাইক্রোগ্রিন উৎপাদন পদ্ধতি

 

পাঠ্যপুস্তকে আদিবাসী শব্দ নিয়ে আন্দোলন-সংঘর্ষ হয় চার দিন। এ ছাড়া বিডিআর সদস্যদের পরিবার ও চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরাও নামেন রাজপথে। এরপর সারা দেশে রেল চলাচলই বন্ধ করে দেন রানিং স্টাফরা। চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার দাবিতেও চলে আন্দোলন।

 

আন্দোলন এখানেই থামেনি। চলতি বছর বেশি ভোগান্তির সৃষ্টি করে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বাতিলের দাবিতে আন্দোলন। এ নিয়ে পুরো মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। অবশ্য এরই মধ্যে দুপক্ষ আলোচনায় বসে অধিভুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় কিছুটা শান্ত হয় পরিস্থিতি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদার নিয়ে কঠোর আন্দোলনে নামেন তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা।

 

অন্যদিকে, জুলাই আন্দোলনে আহতদের উন্নত চিকিৎসা, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের দাবিতে বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করা হচ্ছে। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা চাকরিতে নিয়োগের দাবিতে বেশ কয়েকদিন ধরে আন্দোলন চলছে।

 

ঢাকা যেনো অলিখিত আন্দোলনের শহর। এ আন্দোলনকারীদের কাছে জব্দ হয়েছে রাজধানী। কবে থামবে এ বিশৃঙ্খলা? এসব আন্দোলনের কারণ হিসেবে অনেকে দেখছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যর্থতা।

 

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সভাপতি অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আন্দোলন করলেই কিছু দাবি পূরণ করে ফেলার কারণে মূলত সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে; কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দাবি-দাওয়া পূরণের সরকার নয়, এই মেসেজ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এ সুযোগে আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী গ্রুপও মাঠে নেমে এসেছে। সরকারের উচিত ছিল শুরুতেই তাদের অবস্থান শক্তভাবে জানিয়ে দেওয়া।

Facebook Comments Box