রাজ্য নেতারা: নিউ মেক্সিকোর নাম বদলাতে চান ট্রাম্প, কড়া
- আপডেট সময় : ১২:২১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের নাম পরিবর্তন করে ‘নিউ আমেরিকা’ রাখার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হয়েও রাজ্যের নামের সঙ্গে ‘মেক্সিকো’ থাকাটা সমীচীন নয়। তার মতে, নাম পরিবর্তনের ফলে ওই অঞ্চলে সম্পদের দাম বাড়বে, জনগণের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং নাগরিকদের মধ্যে দেশপ্রেম ও জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান বহুগুণ বেড়ে যাবে। তিনি যোগ করেন, ‘বাসাবাড়ির দাম ও মানুষের আয় বাড়বে এবং আমাদের লাল-সবুজ পতাকাকে। অর্থাৎ আমাদের সুন্দর আমেরিকান পতাকাকে সালাম জানানোর সময় আপনারা আরও বেশি গর্ববোধ করবেন!’।
ভৌগোলিক স্থানের নামে অন্য দেশের উল্লেখ থাকার ঘোর বিরোধী ট্রাম্প এর আগেও এমন প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এর অংশ হিসেবে তিনি অতীতে মেক্সিকো উপসাগরকে ‘আমেরিকা উপসাগর’ এবং ওন্টারিও হ্রদকে ‘আমেরিকা হ্রদ’ হিসেবে নামকরণের পক্ষে মত প্রকাশ করেছিলেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একটি রাজ্যের নাম পরিবর্তন করা অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্টের একক নির্বাহী আদেশে এটি সম্ভব নয়; এর জন্য রাজ্য সরকারের উদ্যোগ এবং কেন্দ্রীয় আইনসভার অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।
ট্রাম্পের এই প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে নিউ মেক্সিকোর রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের ঐতিহ্য ও স্বতন্ত্র আত্মপরিচয় নিয়ে কোনো আপস না করার অবস্থানে অনড় স্থানীয় নেতারা। রাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক গভর্নর মিশেল লুহান গ্রিশামের কার্যালয় থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, এ ধরনের কোনো পরিবর্তনের সুযোগ নেই। তবে সাম্প্রতিক এই বার্তাটি তার সেই পুরোনো প্রস্তাবকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। রাজ্যের ঐতিহ্য ও স্বতন্ত্র পরিচয়ের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তারা।
এই ইস্যুতে রাজনৈতিক বিভাজন থাকলেও ট্রাম্পের নিজ দলের নেতারাও তার এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
আগামী গভর্নর নির্বাচনের শীর্ষ দুই প্রার্থী, ডেমোক্র্যাট ডেব হাল্যান্ড এবং রিপাবলিকান গ্রেগ হাল—উভয়েই ট্রাম্পের এই বিতর্কিত ধারণার বিরোধিতা করেছেন। বিশেষ করে গ্রেগ হাল গত মাসেই স্পষ্ট করেছিলেন যে, নিউ মেক্সিকোর নামের কোনো পরিবর্তন প্রয়োজন নেই। রাজ্যের অধিকাংশ জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব এই প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের ঐতিহ্যের প্রতি অটল থাকার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন। এমনকি রাজ্যটির আগামী গভর্নর নির্বাচনে লড়াই করা শীর্ষ প্রার্থীদের মধ্যেও এই প্রস্তাবের কোনো সমর্থন দেখা যায়নি।
সূত্র: যুগান্তর
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ























