ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী |: উদ্যোক্তা তৈরিতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্য উইন্ডিজ অধিনায়কের বাসায় ডিজে পার্টি ও মাদক উদ্ধার: অতিরিক্ত ডিআইজি জহির বরখাস্ত জাতীয় ক্রিকেট লিগ: মিঠুন ও নুরুলের শতকে প্রথম দিন খুলনার২২০ রান পটিয়ায় শিশু অপহরণের ঘটনায় পলাতক বাবা-ছেলে রামুতে গ্রেপ্তার সাফে ২৩ বছরের দীর্ঘ খরা কাটাতে চায় বাংলাদেশ জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে ৯৫ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন শুরু ২৯ অক্টোবর পরিবার নয়, মানুষের পরিচয় তার চরিত্রে: প্রভা চাকরি হারালেন সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ সাত পুলিশ কর্মকর্তা এইচএসসিতে অকৃতকার্য ৪ লাখ ২২ হাজার শিক্ষার্থীর বিশেষ পরীক্ষার সুযোগ

রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়ানোর পরামর্শ দিলেন জোট শরিক নেতারা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা বিভিন্ন দল ও জোটের নেতারা ক্ষমতার অংশীদারিত্বের দাবি জানিয়েছেন। সোমবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শরিক দলের নেতাদের এক নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অংশ নেওয়া শরিক দলের নেতারা সংসদ নির্বাচনের পর জাতীয় সরকার গঠন না করার বিষয়ে নিজেদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তারা সরকারের বিভিন্ন কাজের প্রশংসা করে রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সেখানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ছয়জন নেতা বক্তব্য রাখেন। নৈশভোজের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শরিক দলের নেতাদের টেবিলে টেবিলে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা মানবজমিনকে জানান, শরিক দলের সঙ্গে বিএনপির মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব তৈরি হয়েছে। তাদের মধ্যে অবিশ্বাস, সন্দেহ ও অনাস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে বলেও নেতারা মন্তব্য করেন।

এক নেতা প্রশ্ন করেন, এটি কি শুধু নৈশভোজ নাকি বিদায়ী নৈশভোজ? জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, এটি একটি 'ওয়েলকাম ডিনার'। সরকার পরিচালনার কিছু ত্রুটি ও ঘাটতির কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেন এবং শরিকদের সঙ্গে জুলাই বিপ্লব ও ৩১ দফা নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, বিএনপির সঙ্গে সরকার এবং শরিক দলগুলো মিলে ঘাটতিগুলো নিয়ে আবারও আলোচনার সুযোগ রয়েছে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আমি ক্ষমতার অংশীদারিত্ব চাই না। আপনারা একা চলতে চাইলে চলেন, কিন্তু ব্যর্থ হলে এর দায়ভার আমরা নেব না। কারণ রাষ্ট্র গঠনের জন্য অনেকে জীবন দিয়েছেন। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক সরকারকে অর্থনৈতিক ইতিবাচক উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সরকারের পিছিয়ে পড়ার সমালোচনা করেন। সাইফুল হক বলেন, সংস্কার, ৩১ দফা ও জুলাইয়ের ঘটনাগুলো সরকার সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে পারছে না। তিনি আরও বলেন, মাঠ কি এখন বিরোধী দল ও জামায়াতের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে? যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোও আগের মতো মাঠে নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ৬ জন বক্তব্যে রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কিছু ত্রুটি এবং ঘাটতি হয়েছে ৷ এজন্য তিনি দু:খ প্রকাশ করেন।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়ানোর পরামর্শ দিলেন জোট শরিক নেতারা

আপডেট সময় : ০৬:২৮:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা বিভিন্ন দল ও জোটের নেতারা ক্ষমতার অংশীদারিত্বের দাবি জানিয়েছেন। সোমবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শরিক দলের নেতাদের এক নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অংশ নেওয়া শরিক দলের নেতারা সংসদ নির্বাচনের পর জাতীয় সরকার গঠন না করার বিষয়ে নিজেদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তারা সরকারের বিভিন্ন কাজের প্রশংসা করে রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সেখানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ছয়জন নেতা বক্তব্য রাখেন। নৈশভোজের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শরিক দলের নেতাদের টেবিলে টেবিলে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা মানবজমিনকে জানান, শরিক দলের সঙ্গে বিএনপির মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব তৈরি হয়েছে। তাদের মধ্যে অবিশ্বাস, সন্দেহ ও অনাস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে বলেও নেতারা মন্তব্য করেন।

এক নেতা প্রশ্ন করেন, এটি কি শুধু নৈশভোজ নাকি বিদায়ী নৈশভোজ? জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, এটি একটি 'ওয়েলকাম ডিনার'। সরকার পরিচালনার কিছু ত্রুটি ও ঘাটতির কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেন এবং শরিকদের সঙ্গে জুলাই বিপ্লব ও ৩১ দফা নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, বিএনপির সঙ্গে সরকার এবং শরিক দলগুলো মিলে ঘাটতিগুলো নিয়ে আবারও আলোচনার সুযোগ রয়েছে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আমি ক্ষমতার অংশীদারিত্ব চাই না। আপনারা একা চলতে চাইলে চলেন, কিন্তু ব্যর্থ হলে এর দায়ভার আমরা নেব না। কারণ রাষ্ট্র গঠনের জন্য অনেকে জীবন দিয়েছেন। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক সরকারকে অর্থনৈতিক ইতিবাচক উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সরকারের পিছিয়ে পড়ার সমালোচনা করেন। সাইফুল হক বলেন, সংস্কার, ৩১ দফা ও জুলাইয়ের ঘটনাগুলো সরকার সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে পারছে না। তিনি আরও বলেন, মাঠ কি এখন বিরোধী দল ও জামায়াতের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে? যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোও আগের মতো মাঠে নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ৬ জন বক্তব্যে রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কিছু ত্রুটি এবং ঘাটতি হয়েছে ৷ এজন্য তিনি দু:খ প্রকাশ করেন।

Facebook Comments Box