মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ হ্রাস
- আপডেট সময় : ০৭:৪২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে দেখা দেওয়া কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এই বিঘ্নের ফলে এমনিতেই চাহিদার তুলনায় ঘাটতিতে থাকা গ্যাস ব্যবস্থায় নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মহেশখালীর টার্মিনালে এই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। যতদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হচ্ছে, ততদিন তিতাসের আওতাধীন এলাকার সকল শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপের সম্মুখীন হবেন। এছাড়া অন্যান্য বিতরণ কোম্পানির গ্রাহকরাও একই ধরনের সংকটে পড়েছেন। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত ত্রুটি সমাধানে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন বলে জানিয়েছে।
দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৫০ থেকে ৪০০ কোটি ঘনফুট, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে সরবরাহ করা হয় ২৭০ থেকে ২৮০ কোটি ঘনফুট। অর্থাৎ প্রতিদিন ১২০ কোটি ঘনফুটের একটি ঘাটতি আগে থেকেই ছিল। এখন নতুন করে ৪৫ কোটি ঘনফুট সরবরাহ কমে যাওয়ায় এই ঘাটতি আরও প্রকট হয়েছে। মহেশখালীতে থাকা দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের দৈনিক সর্বোচ্চ সক্ষমতা ১১০ কোটি ঘনফুট হলেও, বর্তমানে কারিগরি ত্রুটির কারণে সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
গ্যাসের স্বল্পচাপের কারণে রান্নাবান্না থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতে ব্যাপক ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। অনেক এলাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় চুলায় আগুন জ্বলছে না, আবার কোথাও কোথাও গ্যাস একেবারেই মিলছে না। শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে প্রয়োজনীয় গ্যাসচাপ না পাওয়ায় উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন উদ্যোক্তারা। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজি ও এলপিজি সরবরাহ অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কারিগরি ত্রুটির কারণে সৃষ্ট এই সংকট দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৫০ থেকে ৪০০ কোটি ঘনফুট। বিপরীতে স্বাভাবিক সময়েও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয় গড়ে ২৭০ থেকে ২৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। অর্থাৎ প্রতিদিনই ১২০ কোটি ঘনফুটের ঘাটতি থাকে। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে আসে প্রায় ১৬৫ কোটি ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে আসে ৯৫ থেকে ১০০ কোটি ঘনফুট। নতুন করে এলএনজি
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
















