আলতাফ হোসেনের সতর্কতা কি আজ প্রমাণিত? বিএনপির অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ও জামায়াতের ‘ঘুর্ণি’ নিয়ে প্রশ্ন
- আপডেট সময় : ০৫:৩৪:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৫১৩৯ বার পড়া হয়েছে
আলতাফ হোসেনের সতর্কতা কি আজ প্রমাণিত? বিএনপির অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ও জামায়াতের ‘ঘুর্ণি’ নিয়ে প্রশ্ন
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সতর্কতাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করে মহাসচিব্য—ডাকসু ফলাফল ও স্থানীয় অনিয়মের আলোয় তাঁর কথা নতুনভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।
গত ১৫ আগস্ট জেলা শহরের নিজ বাসভবনে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী যে সতর্কবাণী দিয়েছিলেন তা বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে শেয়ার হচ্ছে।
তিনি বলেছেন, “শুধু নেতা হওয়া যথেষ্ট নয় — নেতার কোয়ালিটি থাকতে হবে। যদি নেতা মনে করে চান্দাবাজি ও দখলবাজিই তার কাজ, তাহলে নেতৃত্ব হবে কই?”
আলতাফের বক্তব্যের মূল দাবি দুটো — এক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদের মানুষ এবং কিছু আদালতের বিচারকরা জামায়াত-সমর্থক; দুই, বিএনপির স্থানীয় নেতৃত্ব ঢিলেঢালা হয়ে লঞ্চঘাট, বাসস্ট্যান্ড, ফেরিঘাট দখল করতে ব্যস্ত। তিনি বলছেন, এ ধরণের ‘দখলবাজি’ ও ‘চাঁদাবাজি’ দলের সুস্থ বিকাশ আটকাচ্ছে।
সাম্প্রতিক ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনের ফলাফল ও ছাত্রদলের জয়ের ঘাটতি যদি দলের অভ্যন্তরীন সংস্কারে আগে থেকে খোলসা করা হতো, ফলাফল হয়তো ভিন্ন হত। আলতাফ হোসেন আগেই ১২ আগস্ট দুমকিতে বলেছিলেন, “পটুয়াখালীতে এখন আর আওয়ামী লীগ নেই; চাঁদা দিয়ে সব বিএনপি হয়ে গেছে।”
অন্যদিকে আলতাফ হোসেন হুমকি দিয়েও বলেছেন যে, ২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী সময় যারা চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও লুটপাট করেছে তাদের তালিকা ও প্রমাণ সংরক্ষিত আছে এবং ‘সময়মতো হাটে হাঁড়ি ভেঙে দেয়া হবে’। এই বক্তব্য এলাকায় উত্তেজনা বাড়িয়েছে। এই সতর্কবার্তা কি অপেক্ষাকৃত সময়োপযোগী?সতর্কবার্তা নাকি অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের একটি অংশ?
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা গ্রহন দ্রুত হয়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে নেতাদের কোয়ালিটি নিশ্চিত না করা হয় এবং স্থানীয় অবৈধ আয়ের উৎস নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তাহলে বড় রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় দলের ক্ষতি অনিবার্য।
আলতাফ হোসেনের কড়া ভাষ্য আর দলের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ—এই দুইয়ের মধ্যে সমাধান না হলে ভবিষ্যৎ নির্বাচন ও সংগঠনের পুনর্গঠনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনুমান।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























