ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এশিয়ান গেমসে আফগানিস্তানকে হারিয়ে নেপালের বড় অঘটন রাঙ্গামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আলোকচিত্রের দ্বিশতবর্ষ পূর্তি উদ্‌যাপন ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ মেরামত হচ্ছে ‘থ্রি আর’ কৌশলে: প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় সরকারি কর্মচারীদের টানা ৭ দিনের ছুটির সুযোগ যেভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি নিয়ে বিশ্বকে সতর্কবার্তা নেপালের যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ‘পান্ডা কূটনীতি’ জোরালো করছে চীন কাউন্টি ক্রিকেটে খালেদ আহমেদের দুর্দান্ত বোলিং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষে ৯ থেকে ১৫ গ্রেডে নিয়োগ মালয়েশিয়া সফরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধিতেও টিকিটের ভাড়া বাড়াচ্ছে না কাতার

ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ মেরামত হচ্ছে ‘থ্রি আর’ কৌশলে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণে বাংলাদেশ ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই ক্ষতবিক্ষত দেশকে মেরামতের জন্য বর্তমান সরকার ‘থ্রি আর’ কৌশলে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টার দিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হওয়া গুম-খুন, অপহরণ, দুর্নীতি, লুটপাট আর টাকা পাচারের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে।

‘থ্রি আর’ কৌশল ও রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখা

প্রধানমন্ত্রী জানান, ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ মেরামতের জন্য সরকার রিকভারি, রস্টোরেশন, রিকনস্ট্রাকশন; অর্থাৎ ‘থ্রি আর’ কৌশল অনুসরণ করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামনে বর্তমানে এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুযোগে বর্তমানে বাংলাদেশে কর্মক্ষম জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এই কর্মযজ্ঞে তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক এবং উদ্ভাবকদের জন্য স্টার্টআপ উদ্যোগ বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি করে দিতে চলতি অর্থবছরে ৪ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রেখেছে সরকার। নৈতিক মানসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে, কারিগরি এবং ব্যবহারিক শিক্ষার উপর জোর দিয়ে শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে এর সুযোগ এখনো সবার জন্য সমান নয়।

নারী ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন

  • দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী, তাই আর্থ-সামাজিক রূপান্তরে নারীরা সরকারের সব পরিকল্পনার অগ্রভাগে রয়েছেন।
  • নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টির বিষয়টিকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে নারীদের জন্য নগদ অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
  • স্নাতক শ্রেণি পর্যন্ত নারীদের বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ অবারিত করা হয়েছে।
  • প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা ‘ফ্যামিলি কার্ড’-কে সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে।
  • ভোটের গণতন্ত্রের পাশাপাশি সরকার অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন নিশ্চিত করতে চায়, যাতে সমৃদ্ধির সুফল প্রতিটি নাগরিকের কাছে পৌঁছায়।

টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ করণীয়

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচি সরকার বাস্তবায়ন করে চলেছে। জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজির ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ প্রতিপাদ্যের সঙ্গে বর্তমান সরকারের ৩১ দফা কর্মসূচির কমপক্ষে ৭৩ শতাংশ কার্যক্রম সরাসরি যুক্ত। এর লক্ষ্য হলো শহর এবং গ্রামের মধ্যে উন্নয়ন বৈষম্য দূর করা এবং জবাবদিহিতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া। বাংলাদেশ এখন ‘স্বল্পোন্নত দেশ’-এর তালিকা থেকে উত্তরণের অপেক্ষায় রয়েছে। রাষ্ট্র শক্তিশালী করতে নাগরিকদের ক্ষমতাদানের বিকল্প নেই জানিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন যুগে প্রবেশ করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও বায়ো-টেকনোলজির মতো আধুনিক ক্ষেত্রে উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্বকে সম্মান জানাতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারাবদ্ধ। প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর পিছিয়ে পড়া রোধে বিশ্বকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। শেষ পর্যন্ত সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে তরুণরা স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ খুঁজে পাবে এবং প্রতিটি শিশু সকল সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ নিয়ে বেড়ে উঠবে। প্রতিটি সেক্টরে সহায়তার জন্য প্রবর্তন করা কার্ডগুলোকে সমন্বয় করে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালু করাও সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে। জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজির ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’— এই প্রতিপাদ্যের সঙ্গে বর্তমান সরকারের ৩১ দফা কর্মসূচির কমপক্ষে ৭৩ শতাংশ কার্যক্রমের সরাসরি এবং ২৭ শতাংশ কার্যক্রমের পরোক্ষভাবে মিল রয়েছে। একইসঙ্গে ২০৩০ এজেন্ডার সব ক্ষেত্রে, জবাবদিহিতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে উন্নত প্রযুক্তি, জ্ঞান ও গবেষণার সুযোগ সবার নাগালের মধ্যে আনতে হবে। তিনি বলেন, আমরা চাই না, আজকের ডিজিটাল বিভাজন আগামী দিনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে পরিণত হোক।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ মেরামত হচ্ছে ‘থ্রি আর’ কৌশলে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৩০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণে বাংলাদেশ ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই ক্ষতবিক্ষত দেশকে মেরামতের জন্য বর্তমান সরকার ‘থ্রি আর’ কৌশলে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টার দিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হওয়া গুম-খুন, অপহরণ, দুর্নীতি, লুটপাট আর টাকা পাচারের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে।

‘থ্রি আর’ কৌশল ও রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখা

প্রধানমন্ত্রী জানান, ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ মেরামতের জন্য সরকার রিকভারি, রস্টোরেশন, রিকনস্ট্রাকশন; অর্থাৎ ‘থ্রি আর’ কৌশল অনুসরণ করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামনে বর্তমানে এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুযোগে বর্তমানে বাংলাদেশে কর্মক্ষম জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এই কর্মযজ্ঞে তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক এবং উদ্ভাবকদের জন্য স্টার্টআপ উদ্যোগ বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি করে দিতে চলতি অর্থবছরে ৪ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রেখেছে সরকার। নৈতিক মানসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে, কারিগরি এবং ব্যবহারিক শিক্ষার উপর জোর দিয়ে শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে এর সুযোগ এখনো সবার জন্য সমান নয়।

নারী ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন

  • দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী, তাই আর্থ-সামাজিক রূপান্তরে নারীরা সরকারের সব পরিকল্পনার অগ্রভাগে রয়েছেন।
  • নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টির বিষয়টিকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে নারীদের জন্য নগদ অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
  • স্নাতক শ্রেণি পর্যন্ত নারীদের বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ অবারিত করা হয়েছে।
  • প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা ‘ফ্যামিলি কার্ড’-কে সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে।
  • ভোটের গণতন্ত্রের পাশাপাশি সরকার অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন নিশ্চিত করতে চায়, যাতে সমৃদ্ধির সুফল প্রতিটি নাগরিকের কাছে পৌঁছায়।

টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ করণীয়

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচি সরকার বাস্তবায়ন করে চলেছে। জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজির ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ প্রতিপাদ্যের সঙ্গে বর্তমান সরকারের ৩১ দফা কর্মসূচির কমপক্ষে ৭৩ শতাংশ কার্যক্রম সরাসরি যুক্ত। এর লক্ষ্য হলো শহর এবং গ্রামের মধ্যে উন্নয়ন বৈষম্য দূর করা এবং জবাবদিহিতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া। বাংলাদেশ এখন ‘স্বল্পোন্নত দেশ’-এর তালিকা থেকে উত্তরণের অপেক্ষায় রয়েছে। রাষ্ট্র শক্তিশালী করতে নাগরিকদের ক্ষমতাদানের বিকল্প নেই জানিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন যুগে প্রবেশ করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও বায়ো-টেকনোলজির মতো আধুনিক ক্ষেত্রে উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্বকে সম্মান জানাতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারাবদ্ধ। প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর পিছিয়ে পড়া রোধে বিশ্বকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। শেষ পর্যন্ত সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে তরুণরা স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ খুঁজে পাবে এবং প্রতিটি শিশু সকল সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ নিয়ে বেড়ে উঠবে। প্রতিটি সেক্টরে সহায়তার জন্য প্রবর্তন করা কার্ডগুলোকে সমন্বয় করে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালু করাও সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে। জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজির ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’— এই প্রতিপাদ্যের সঙ্গে বর্তমান সরকারের ৩১ দফা কর্মসূচির কমপক্ষে ৭৩ শতাংশ কার্যক্রমের সরাসরি এবং ২৭ শতাংশ কার্যক্রমের পরোক্ষভাবে মিল রয়েছে। একইসঙ্গে ২০৩০ এজেন্ডার সব ক্ষেত্রে, জবাবদিহিতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে উন্নত প্রযুক্তি, জ্ঞান ও গবেষণার সুযোগ সবার নাগালের মধ্যে আনতে হবে। তিনি বলেন, আমরা চাই না, আজকের ডিজিটাল বিভাজন আগামী দিনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে পরিণত হোক।

Facebook Comments Box