মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে দুই মাসের সময়সীমা হাইওয়ে পুলিশের
- আপডেট সময় : ১২:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
দেশের মহাসড়কগুলোকে আগামী দুই মাসের মধ্যে সব ধরনের চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ফারুক আহমেদ। গত ৭ জুলাই হাইওয়ে পুলিশের শীর্ষ পদে দায়িত্ব নেওয়া এই কর্মকর্তা সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক করে বলেন, বাহিনীর কোনো সদস্যকে মহাসড়কে অবৈধ লেনদেন বা টোল আদায়ের সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, আগামী দুই মাসের মধ্যে মহাসড়কগুলো চাঁদাবাজি ও হয়রানি থেকে পুরোপুরি মুক্ত হবে এবং এরপর আর কোনো যানবাহন থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ থাকবে না।
পুলিশ বাহিনীতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছেন ফারুক আহমেদ। সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে উন্নত প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্বলিত সিসিটিভি নজরদারি চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের ১৬টি পয়েন্টে এআই চালিত ক্যামেরা ব্যবহার করে পুরো সড়কটিকে কেন্দ্রীয় নজরদারিতে আনা হয়েছে। এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কেও একই ধরনের নেটওয়ার্ক কার্যকর করা হয়েছে, যার আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) শিগগিরই স্বাক্ষরিত হবে।
হাইওয়ে পুলিশ প্রধানের মতে, এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা সড়ক দুর্ঘটনা রোধ, দ্রুত উদ্ধার কাজ, যানজট নিরসন এবং ডাকাতি ও মাদক পাচার দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে দেশজুড়ে ৭৩টি থানার মাধ্যমে হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাহিনীর পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও জনসাধারণের আস্থা অর্জনের জন্য আধুনিক পুলিশিংয়ের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























