স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সিল, স্বাক্ষর জাল করায় মোজাম্মেল হক আটক
- আপডেট সময় : ১০:৩৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ এপ্রিল ২০২৩ ৪২৫ বার পড়া হয়েছে
পূর্বপরিকল্পিতভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সিল, স্বাক্ষর জাল করায় মোজাম্মেল হককে আটক করেছে পুলিশ।
মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় এবং মাননীয় মুখ্য সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মহােদয়ের স্বাক্ষর, সিল মোহর ও সুপারিশ জাল করণ ব্যক্তিকে আটক।
পঞ্চগড় পুলিশ সুপারের কার্যালয়
পুলিশ সুপার, পঞ্চগড় মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব মোঃ রাকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে অদ্য ০৬ এপ্রিল মোঃ মোজাম্মেল হক (৪৮), পিতা- ফয়জুল হক, গ্রাম – পানিমাছ পুকুরি, থানা ও জেলা – পঞ্চগড় নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ তার জমি- জামা সংক্রান্ত একটি বিরোধ রয়েছে উক্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সে কয়েকটি দরখাস্ত করেছে।
দরখাস্ত গুলিতে সে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব মহোদয়ের স্বাক্ষর ও সিলমোহর জাল করে।
পুলিশ সুপার, পঞ্চগড় মহোদয়কে তার বিরোধ সম্পর্কে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সুপারিশ করেছে।
পুলিশ সুপার পঞ্চগড় মহোদয়ের কাছে পরপর কয়েকটি দরখাস্ত আসায় পুলিশ সুপার মহাদয়ের সন্দেহ হয় যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় ও মুখ্য সচিব মহোদয় দরখাস্ত গুলিতে আসলেই সুপারিশ করেছে কিনা? সন্দেহের কারণে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের কার্যালয় ও মুখ্য সচিব মহোদয়ের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন।
কার্যালয় দুটিতে যোগাযোগ করা হলে তারা স্বাক্ষর, সিলমোহর ও হাতের লেখা দেখে জানায় যে, এগুলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মুখ্য সচিব মহাদয়ের না।
পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পঞ্চগড় সদর থানায় দুটি মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার বিষয়বস্তু হচ্ছে, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে প্রতারণার উদ্দেশ্যে জাল স্বাক্ষর ও সিলমোহর ব্যবহার।
ইতোমধ্যে মোঃ মোজাম্মেল হক যে দরখাস্ত করেছে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে বিষয়টি স্বীকার করেছে।
সে আরো স্বীকার করেছে যে, দরখাস্তে যে স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে সেটি তার নিজের স্বাক্ষর না অন্য একজন স্বাক্ষর করে দিয়েছে। সুতরাং এ থেকে বোঝা যায় এখানে একটি চক্র কাজ করেছে।
তারা মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়গণ সহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণের স্বাক্ষর সিলমোহর ও সুপারিশ প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহার করে আরো ঘটনা ঘটাতে পারে।
উক্ত ঘটনার পুরো চক্রটিকে সনাক্ত করতে পঞ্চগড় জেলা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে এবং ঘটনার সাথে জড়িতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পঞ্চগড় পুলিশ সুপার মহোদয় হুশিয়ারী ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) জনাব কনক কুমার দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব মোঃ রাকিবুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ সদর থানা জনাব মোঃ আব্দুল লতিফ মিঞা পিপিএম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত), সদর থানা, পুলিশ পরিদর্শক(অপস্), সদর থানা সহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























