ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুধের পর এবার ডিম খেয়ে অসুস্থ ঠাকুরগাঁওয়ের ২০ শিক্ষার্থী রাণীশংকৈলে জামিনের ৫ দিন পর ফের ইয়াবাসহ গ্রেফতার মাদক কারবারী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতেই আগামীর বিশ্ব গড়বে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিবগঞ্জে পিস্তল ও গুলিসহ আটক ২ ফরিদপুরের মধুখালীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রাণহানি নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ: অস্কারজয়ী সুসান সারান্ডনসহ গ্রেপ্তার প্রায় ১০০ শি জিনপিংয়ের সম্মানে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ নৈশভোজ ঢাকা কর অঞ্চল-১ এ ৩৪ পদে নিয়োগ প্রকাশ কাতারে গ্রীষ্মকালীন নিয়ম অমান্য: ৩৮৮টি কর্মক্ষেত্র সাময়িকভাবে বন্ধ এশিয়ান গেমসে আফগানিস্তানকে হারিয়ে নেপালের বড় অঘটন

লাউ এর মাছি পোকা দমন করার কৌশল

সৃষ্টি কৃষি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল ২০২২ ১৮৭৮ বার পড়া হয়েছে

লাউ এর মাছি পোকা দমন

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লাউ এর মাছি পোকা দমন করার কৌশল।

লাউ আমাদের দেশে বহুল জনপ্রিয় একটি সবজি। গুণে-মানে অতুলনীয় এই সবজি চাষে কম ধকল পোহাতে হয় না চাষীদের। স্ত্রী মাছি কচি ফলের নিচের দিকে ওভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার স্থান থেকে পানির মত তরল পদার্থ বেড়িয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামী রং ধারন করে । ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে ফলের শাস খেতে শুরু করে। ফল বিকৃত হয়। হলুদ হয়ে পঁচে ঝড়ে যায়।

জেনে নিন>> আমের রোগ বালাই ও প্রতিকার

লাউ এর মাছি পোকা চেনার উপায়:

এ পোকা দেখতে সাধারণ মাছির মতো, স্বচ্ছ পাখা, হলুদ পা, ত্রিকোণাকার পেট ও বাদামী ঘাড় মাঝে লম্বা হলুদ দাগ বিশিষ্ট। এটি খুবই ক্ষতিকর পোকা যা ফসলের ১০০ ভাগ ক্ষতি করে থাকে সময়মত দমন না করলে।

লক্ষণ:

১। স্ত্রী পোকা কচি ফলের নিচের দিকে অভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পারে

২। আক্রান্ত ফল থেকে পানির মতো তরল পদার্থ বেরিয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামী বর্ণ ধারণ করে

৩। ডিম থেকে কীড়া বের হয় তা পরে ফলের শাস খেতে শুরু করে যার কারণে ফল বিকৃত হয়, পচে যায় ও হলুদ বর্ণ ধারণ কোড়ে ঝ্রে পরে যায়।

৪। বিকৃত ফল না বাড়ার কারণে ফলন কমে যায়।

প্রতিকার:

১।পোকা আক্রান্ত ফল সংগ্রহ করে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। কচি ফল গুলোকে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

২। এ পোকা দমনের জন্য বিষটোপ অথবা ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করতে হবে। লাউ এর মাচার কাছে একেই উচ্চতায় একটি মাটির পাত্রে ১০০ গ্রাম কুমড়া/লাউ থেতলানো/বাটা নিয়ে তাতে ৫/৬ ফোটা যে কোন কীটনাশক (দানাদার কীটনাশক)মিশিয়ে উপরে একটি ঢাকনা কিছুটা ফাঁকা করে স্থাপন করতে হবে। এভাবে বিষটোপ তৈরী করে পোকা দমন করা যায়।

জেনে নিন>> ইরি ধানের চারার ব্লাইট রোগ ও প্রতিকার

৩। সেক্স ফেরোমন এর মাধ্যমে মাছি পোকা দমন বেশ কার্যকরী। প্রতি বিঘা জমিতে ৭-৯ টি।

৪।. আক্রান্ত ফল বা ফুল সংগ্রহ করে ধ্বংস করা বা পুড়িয়ে ফেলতে হয়।

৫। রাতে আলোর ফাঁদ দিয়ে পোকা মেরে ফেলতে হবে।

৬। আম বা খেজুরের রসে সামান্য বিষ মিশিয়ে বোতলে রেখে জানালা কেটে ক্ষেতের মাঝে স্থাপন করা যায়।

৭। ভালোভাবে জমি চাষ দিয়ে পোকার পুত্তলি পাখিদের খাওয়ার সুযোগ করে দিন।

৮।পোকার আক্রমন খুব বেণি হলে  সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন সাইপার ২০ মিলিলিটার অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার) প্রতি ১০লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার স্প্রে করতে হবে।কীটনাশক স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

জেনে নিন>> হিট স্টোকে ধান চিটা হওয়া থেকে বাঁচানোর কৌশল

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “লাউ এর মাছি পোকা দমন করার কৌশল”

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

লাউ এর মাছি পোকা দমন করার কৌশল

আপডেট সময় : ০৫:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল ২০২২

লাউ এর মাছি পোকা দমন করার কৌশল।

লাউ আমাদের দেশে বহুল জনপ্রিয় একটি সবজি। গুণে-মানে অতুলনীয় এই সবজি চাষে কম ধকল পোহাতে হয় না চাষীদের। স্ত্রী মাছি কচি ফলের নিচের দিকে ওভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার স্থান থেকে পানির মত তরল পদার্থ বেড়িয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামী রং ধারন করে । ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে ফলের শাস খেতে শুরু করে। ফল বিকৃত হয়। হলুদ হয়ে পঁচে ঝড়ে যায়।

জেনে নিন>> আমের রোগ বালাই ও প্রতিকার

লাউ এর মাছি পোকা চেনার উপায়:

এ পোকা দেখতে সাধারণ মাছির মতো, স্বচ্ছ পাখা, হলুদ পা, ত্রিকোণাকার পেট ও বাদামী ঘাড় মাঝে লম্বা হলুদ দাগ বিশিষ্ট। এটি খুবই ক্ষতিকর পোকা যা ফসলের ১০০ ভাগ ক্ষতি করে থাকে সময়মত দমন না করলে।

লক্ষণ:

১। স্ত্রী পোকা কচি ফলের নিচের দিকে অভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পারে

২। আক্রান্ত ফল থেকে পানির মতো তরল পদার্থ বেরিয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামী বর্ণ ধারণ করে

৩। ডিম থেকে কীড়া বের হয় তা পরে ফলের শাস খেতে শুরু করে যার কারণে ফল বিকৃত হয়, পচে যায় ও হলুদ বর্ণ ধারণ কোড়ে ঝ্রে পরে যায়।

৪। বিকৃত ফল না বাড়ার কারণে ফলন কমে যায়।

প্রতিকার:

১।পোকা আক্রান্ত ফল সংগ্রহ করে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। কচি ফল গুলোকে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

২। এ পোকা দমনের জন্য বিষটোপ অথবা ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করতে হবে। লাউ এর মাচার কাছে একেই উচ্চতায় একটি মাটির পাত্রে ১০০ গ্রাম কুমড়া/লাউ থেতলানো/বাটা নিয়ে তাতে ৫/৬ ফোটা যে কোন কীটনাশক (দানাদার কীটনাশক)মিশিয়ে উপরে একটি ঢাকনা কিছুটা ফাঁকা করে স্থাপন করতে হবে। এভাবে বিষটোপ তৈরী করে পোকা দমন করা যায়।

জেনে নিন>> ইরি ধানের চারার ব্লাইট রোগ ও প্রতিকার

৩। সেক্স ফেরোমন এর মাধ্যমে মাছি পোকা দমন বেশ কার্যকরী। প্রতি বিঘা জমিতে ৭-৯ টি।

৪।. আক্রান্ত ফল বা ফুল সংগ্রহ করে ধ্বংস করা বা পুড়িয়ে ফেলতে হয়।

৫। রাতে আলোর ফাঁদ দিয়ে পোকা মেরে ফেলতে হবে।

৬। আম বা খেজুরের রসে সামান্য বিষ মিশিয়ে বোতলে রেখে জানালা কেটে ক্ষেতের মাঝে স্থাপন করা যায়।

৭। ভালোভাবে জমি চাষ দিয়ে পোকার পুত্তলি পাখিদের খাওয়ার সুযোগ করে দিন।

৮।পোকার আক্রমন খুব বেণি হলে  সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন সাইপার ২০ মিলিলিটার অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার) প্রতি ১০লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার স্প্রে করতে হবে।কীটনাশক স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

জেনে নিন>> হিট স্টোকে ধান চিটা হওয়া থেকে বাঁচানোর কৌশল

 

 

Facebook Comments Box