মুসলিম কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগে সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে
- আপডেট সময় : ০৮:০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
মুসলিম কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগে সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মুসলিম আইএএস ও আইপিএস কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখার অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের এমপি মহুয়া মৈত্র। এই অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সংবাদমাধ্যম ‘মাকতুব মিডিয়া’র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে রাজ্য পুলিশ। ১৯ সেপ্টেম্বর বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এই এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়।
পুলিশের দায়ের করা এই মামলায় সুনির্দিষ্ট কোনো সাংবাদিক বা সম্পাদকের নাম উল্লেখ করা না হলেও ‘Unknown1’ বা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মূলত মাকতুব মিডিয়ার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত দুটি পোস্টকে কেন্দ্র করেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ এই প্রতিবেদনগুলোকে মিথ্যা দাবি করে ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মের কাছে পাঠানো চিঠিতে সেগুলোকে “সম্পূর্ণ বানোয়াট” ও “উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে অভিহিত করেছে।
পড়ুন>>নীলফামারীতে সুবিধাবঞ্চিত ১০০ পরিবারের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ
এফআইআরে আরও দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট পোস্টগুলো সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা সৃষ্টি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা এবং মানহানির মতো অপরাধের শামিল। তবে এটি পুলিশের একতরফা অভিযোগ, যা এখনো কোনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
তদন্তের স্বার্থে পুলিশ মাকতুবের এক্স অ্যাকাউন্টের প্রযুক্তিগত তথ্য ও লগইন ইতিহাসের ওপর নজর দিয়েছে। পুলিশ ২০২৬ সালের ১ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের তথ্য চেয়েছে, যা এফআইআর দায়েরের সময়ের তুলনায় পূর্ববর্তী হওয়ায় মাকতুব মিডিয়া বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একই সঙ্গে, আইটি বিধিমালার আওতায় আইনি নোটিশের প্রেক্ষিতে মেটা কর্তৃপক্ষ গত ১৯ সেপ্টেম্বর ইনস্টাগ্রাম থেকে এ সংক্রান্ত একটি গ্রাফিক্স পোস্ট সরিয়ে নিয়েছে।
পড়ুন>>নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে ৩৫ জনের স্থায়ী চাকরি
মহুয়া মৈত্রের করা মূল অভিযোগের প্রেক্ষাপটটি ছিল ১ সেপ্টেম্বরের। তিনি দাবি করেছিলেন, জুলাই ও আগস্ট মাসে অমিত শাহের পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজা, এসটিএফ প্রধান জাভেদ শামিম এবং আইএএস কর্মকর্তা খলিল আহমেদকে সীমান্ত নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রটোকল-সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে দূরে রাখা হয়েছে।
এই অভিযোগ নিয়ে তিনি জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন ও জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদকের কাছেও প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেছেন। ২১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে আগামী ১০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























