ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এনসিসি ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপক পদে নিয়োগ তাড়াশ উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন রাণীশংকৈলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন দোহা–রিয়াদ রুটে কাতার এয়ারওয়েজের একাধিক ফ্লাইট বাতিল বিরল ও পীরগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও মদ উদ্ধার রাণীশংকৈলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা, ৫৫ মণ্ডপের নিরাপত্তায় জোর মাদরাসার সাবেক উপাধ্যক্ষের পেনশন বণ্টন নিয়ে পরিবারের বিরোধ তাহিরপুরে থমকে গেছে ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগের বিচার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থা জনগণের কাছে ফেরাতে চায় সরকার: মঈন খান

ভূরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত দিবস পালন

রবিউল আলম লিটন
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫ ৭৭৮৬ বার পড়া হয়েছে

বক্তব্য দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপ জন মিত্র

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভূরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত দিবস পালন

 

 

ভূরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত দিবস পালন।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস পালন করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর ভূরুঙ্গামারী উপজেলা (তৎকালীন ভূরুঙ্গামারী থানা) হানাদার মুক্ত হয়। শুক্রবার দুপুরে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ।

অন্যান্যের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম শাহজাহান মানিক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপ জন মিত্র ও ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাব সভাপতি আনোয়ারুল হক বক্তব্য রাখেন। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের পক্ষে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রফিকুল হাসান রনজু।

পড়ুন>>কুড়িগ্রামে পিতা সন্তানের মাত্র দেড় বছরের বড়!

 

দোয়া মাহফিলে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, ভূরুঙ্গামারী দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত উপজেলা। মিত্রবাহিনী ১৩ নভেম্বের সকাল থেকে ভূরুঙ্গামারী সদরের হানাদার বাহিনীর ঘাঁটি লক্ষ করে কামানের গোলা নিক্ষেপ শুরু করে। অপরদিকে মিত্রবাহিনীর বিমান ভূরুঙ্গামারীর আকাশে চক্কর দিয়ে শত্রুর ঘাটি লক্ষ করে গোলা বর্ষণ করে।

পড়ুন>>কুড়িগ্রামে লকডাউনে নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলায় ৫১ জন গ্রেপ্তার

 

ত্রিমূখী আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনা ও তাদের দোসররা। ওইদিন মধ্যরাতেও থেমে থেমে চলতে থাকে পাকিস্তানি সৈন্যদের গোলা বর্ষণ। সূর্য্যদয়ের আগেই পাকিস্তানিদের গোলা বর্ষণ বন্ধ হয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে ভূরুঙ্গামারীতে ঢুকে পড়েন।

তৎকালীন সিও অফিসের (বর্তমান উপজেলা চত্বরের) দোতলার একটি কক্ষ থেকে ১৫/১৭ জন ও ভূরুঙ্গামারী হাই স্কুলের একটি কক্ষ থেকে ১৫/১৬ জন নির্যাতিত বিবস্ত্র নারীকে জীবিত উদ্ধার করেন মুক্তিযোদ্ধারা। দোয় মাহফিলে বীর মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধকালীন সময়ের বিভিন্ন স্মৃতি চারণ করেন। এসময় উপজেলার দশ ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভূরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত দিবস পালন

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

ভূরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত দিবস পালন

 

 

ভূরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত দিবস পালন।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস পালন করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর ভূরুঙ্গামারী উপজেলা (তৎকালীন ভূরুঙ্গামারী থানা) হানাদার মুক্ত হয়। শুক্রবার দুপুরে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ।

অন্যান্যের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম শাহজাহান মানিক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপ জন মিত্র ও ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাব সভাপতি আনোয়ারুল হক বক্তব্য রাখেন। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের পক্ষে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রফিকুল হাসান রনজু।

পড়ুন>>কুড়িগ্রামে পিতা সন্তানের মাত্র দেড় বছরের বড়!

 

দোয়া মাহফিলে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, ভূরুঙ্গামারী দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত উপজেলা। মিত্রবাহিনী ১৩ নভেম্বের সকাল থেকে ভূরুঙ্গামারী সদরের হানাদার বাহিনীর ঘাঁটি লক্ষ করে কামানের গোলা নিক্ষেপ শুরু করে। অপরদিকে মিত্রবাহিনীর বিমান ভূরুঙ্গামারীর আকাশে চক্কর দিয়ে শত্রুর ঘাটি লক্ষ করে গোলা বর্ষণ করে।

পড়ুন>>কুড়িগ্রামে লকডাউনে নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলায় ৫১ জন গ্রেপ্তার

 

ত্রিমূখী আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনা ও তাদের দোসররা। ওইদিন মধ্যরাতেও থেমে থেমে চলতে থাকে পাকিস্তানি সৈন্যদের গোলা বর্ষণ। সূর্য্যদয়ের আগেই পাকিস্তানিদের গোলা বর্ষণ বন্ধ হয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে ভূরুঙ্গামারীতে ঢুকে পড়েন।

তৎকালীন সিও অফিসের (বর্তমান উপজেলা চত্বরের) দোতলার একটি কক্ষ থেকে ১৫/১৭ জন ও ভূরুঙ্গামারী হাই স্কুলের একটি কক্ষ থেকে ১৫/১৬ জন নির্যাতিত বিবস্ত্র নারীকে জীবিত উদ্ধার করেন মুক্তিযোদ্ধারা। দোয় মাহফিলে বীর মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধকালীন সময়ের বিভিন্ন স্মৃতি চারণ করেন। এসময় উপজেলার দশ ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

Facebook Comments Box