ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাটা শোরুমসহ নাশকতার ঘটনায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে আটক ৪

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

বাটা শোরুমসহ নাশকতার ঘটনায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে আটককৃতরা

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

বাটা শোরুমসহ নাশকতার ঘটনায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে আটক ৪

 

 

গাজীপুরের বোর্ডবাজারে ইসরায়েলের বর্বরতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের অনেক পরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নাশকতা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা তৃপ্তি হোটেল, রাধুনী হোটেল এবং বাটা কোম্পানী ডিলারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নাশকতা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

 

 

সোমবার (৭ এপ্রিল) রাতভর সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) সহকারী উপকমিশনার হাফিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

গ্রেপ্তাররা হলেন, নোয়াখালীর সবুজের ছেলে সিয়াম খান (অনিক) (১৮), ময়মনসিংহের নতুন বাজার বালিপাড়া গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে শিমুল আহাম্মেদ শাওন (২০), শরিয়তপুরের নাজিমুদ্দিন মোল্লারকান্দি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে শাহীন (১৯) ও গাছা থানার পূর্ব কলমেশ্বর এলাকার আমির হোসেনের ছেলে জয়নাল আবেদীন।

পড়ুন>> ভাঙচুরে জড়িতদের অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে -আইজিপি

 

হাফিজুল ইসলাম বলেন, সোমবার দুপুরে বোর্ডবাজার এলাকায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে ইসরায়েলী আগ্রাসন বিরোধী মিছিল বের হয়। ওই মিছিলের সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতিকারীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে তৃপ্তি হোটেল, রাধুনী হোটেল এবং বাটা কোম্পানি ডিলারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নাশকতা, ভাঙচুর, লুটপাট ও ক্ষতিসাধন করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

 

 

পরবর্তীতে এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুষ্কৃতিকারী শনাক্ত করে গাছা থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। থানা পুলিশ এবং সেনাবাহিনী সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ওই ঘটনায় জড়িত সিয়াম, শিমুল আহমেদ, শাহীন ও জয়নালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

এ ঘটনায় গাছা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনায় সরাসরি জড়িত উস্কানিদাতা, পরিকল্পনাকারী ও মদদদাতাদের শনাক্ত ও তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলমান আছে বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাটা শোরুমসহ নাশকতার ঘটনায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে আটক ৪

আপডেট সময় : ১০:৪৫:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫

 

 

বাটা শোরুমসহ নাশকতার ঘটনায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে আটক ৪

 

 

গাজীপুরের বোর্ডবাজারে ইসরায়েলের বর্বরতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের অনেক পরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নাশকতা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা তৃপ্তি হোটেল, রাধুনী হোটেল এবং বাটা কোম্পানী ডিলারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নাশকতা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

 

 

সোমবার (৭ এপ্রিল) রাতভর সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) সহকারী উপকমিশনার হাফিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

গ্রেপ্তাররা হলেন, নোয়াখালীর সবুজের ছেলে সিয়াম খান (অনিক) (১৮), ময়মনসিংহের নতুন বাজার বালিপাড়া গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে শিমুল আহাম্মেদ শাওন (২০), শরিয়তপুরের নাজিমুদ্দিন মোল্লারকান্দি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে শাহীন (১৯) ও গাছা থানার পূর্ব কলমেশ্বর এলাকার আমির হোসেনের ছেলে জয়নাল আবেদীন।

পড়ুন>> ভাঙচুরে জড়িতদের অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে -আইজিপি

 

হাফিজুল ইসলাম বলেন, সোমবার দুপুরে বোর্ডবাজার এলাকায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে ইসরায়েলী আগ্রাসন বিরোধী মিছিল বের হয়। ওই মিছিলের সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতিকারীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে তৃপ্তি হোটেল, রাধুনী হোটেল এবং বাটা কোম্পানি ডিলারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নাশকতা, ভাঙচুর, লুটপাট ও ক্ষতিসাধন করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

 

 

পরবর্তীতে এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুষ্কৃতিকারী শনাক্ত করে গাছা থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। থানা পুলিশ এবং সেনাবাহিনী সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ওই ঘটনায় জড়িত সিয়াম, শিমুল আহমেদ, শাহীন ও জয়নালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

এ ঘটনায় গাছা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনায় সরাসরি জড়িত উস্কানিদাতা, পরিকল্পনাকারী ও মদদদাতাদের শনাক্ত ও তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলমান আছে বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।

 

 

Facebook Comments Box