ডোমারের সেবা হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসুতির মৃত্যু
- আপডেট সময় : ০৯:২৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫ ৫০৪০ বার পড়া হয়েছে
ডোমারের সেবা হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসুতির মৃত্যু
ডোমারের সেবা হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসুতির মৃত্যু, দেড় লাখ টাকায় রফাদফা।
নীলফামারীর ডোমার সেবা হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় এক প্রসুতির মৃত্যুর অভিযোগ করেছেন প্রসুতির স্বজনেরা। উক্ত ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে স্বজনদের দেড় লাখ টাকায় রফাদফা করতে বাধ্য করান বলে তাদের স্বজনেরা জানান।
বুধবার ২২শে অক্টোবর সকালে সরেজমিনে গিয়ে প্রসুতির মা মিনু রানী ও স্বজনরা জানান, গত সোমবার আমারা প্রসুতি চন্দনা রানী (১৯) পানি ভেঙে যায় এবং বাচ্চা হওয়ার জন্য প্রসব বেদনা শুরু হয়। এসমস্যা নিয়ে আমরা রোগীকে সেবা হাসপাতালে ভর্তি করি সিজার করার জন্য। প্রসুতির অন্য কোন সমস্যা নেই বলে জানান ডাক্তার আইনুল ইসলাম।
পড়ুন>>কাউনিয়ায় আইপিএস টেকনিশিয়ান ইয়াবাসহ গ্রেফতার
গতকাল মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় প্রসুতির সিজার করার ডাঃ আইনুল ইসলাম। এসময় রক্তপাত হতে থাকে, বিছানা ভিজে যায়। আমরা ডাক্তারকে বলি হয় রক্তপাত বন্ধ করেন না হয় রোগীকে রেফার্ড করেন, আমরা রোগীকে রংপুরে নিয়ে যাবো। ওরা রোগীকে রিলিজ করেনি, সকাল পাঁচটায় বলে আপনারা রোগীকে রংপুরে নিয়ে যান, আমরা দেখি ততক্ষণে রোগী মারা গেছে।
আমরা বারবার বলার পড়েও তারা রোগীকে নিতে দেয়নি, ওরা ইচ্ছাকৃত রোগীকে মেরে ফেলেছে, আমরা বিচার চাই। ওরা জোরপূর্বক মিমাংসার কাগজে স্বাক্ষর করে নিয়েছে, দুই একজন ছাড়া সবাই ওদের পক্ষের ছিল। কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ায় পরে আমাদের দেড় লাখ টাকা দিয়েছে।
উল্লেখ্য যে, চন্দনা রানী ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের মধ্য সুন্দর খাতা গ্রামের জগন্নাৎ চন্দ্রের মেয়ে।তার স্বামী দিপক চন্দ্র (৩০)এর বাড়ী একই উপজেলার ডিমলা বাজার সংলগ্ন (বাবুরহাট) এলাকার দীনেশ চন্দ্রের পুত্র। পারিবারিক সুত্রে যানাযায়, দিপক চন্দ্র সাথে চন্দনা রানীর বিয়ে হয়েছিল প্রায় দশ বছর আগে। সংসার জীবনে তাদের তৃপ্ত চন্দ্র (৮)নামে এক পুত্র রয়েছে, সিজার করে আবারও এক পুত্র জন্ম দেয়। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে।
পড়ুন>> ভূরুঙ্গামারীতে দুই খদ্দেরসহ পতিতা আটক
এ ব্যাপারে উপজেলা মডেল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রায়হান বারি বলেন, আমরা অভিযোগ পাইনি, তবে শুনেছি। কোন সংবাদ মাধ্যমে খবরটা প্রকাশ হলে, আমরা স্বপ্রনোদিত হয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে, তা তদন্ত করব।
এবিষয়ে ডোমার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল ইসলাম জানায়, কোন অভিযোগ পাইনি। তবে জিডি মুলে লাশ দিয়ে দিয়েছি।
এবিষয়ে সেবা হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও সার্জন ডা: আইনুল হককে (০১৭৫৮১২৩৪৪৫) একাধিক বার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করে কেটে দিয়েছেন। এজন্য তার বক্তব্য প্রদান করা সম্ভব হয়নি।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























