ঢাকা ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এনসিসি ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপক পদে নিয়োগ তাড়াশ উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন রাণীশংকৈলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন দোহা–রিয়াদ রুটে কাতার এয়ারওয়েজের একাধিক ফ্লাইট বাতিল বিরল ও পীরগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও মদ উদ্ধার রাণীশংকৈলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা, ৫৫ মণ্ডপের নিরাপত্তায় জোর মাদরাসার সাবেক উপাধ্যক্ষের পেনশন বণ্টন নিয়ে পরিবারের বিরোধ তাহিরপুরে থমকে গেছে ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগের বিচার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থা জনগণের কাছে ফেরাতে চায় সরকার: মঈন খান

মিটিংয়ে না এলে ‘কার্ড বন্ধ’ -দশমিনায় বিএনপি নেতার বক্তব্যে বিতর্ক

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:০২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ ২৫৩১৪ বার পড়া হয়েছে

বক্তব্য রাখছেন মুজিবুর রহমান টোটন।

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

 

মিটিংয়ে না এলে ‘কার্ড বন্ধ’ -দশমিনায় বিএনপি নেতার বক্তব্যে বিতর্ক

 

 

 

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় একটি কর্মী সভায় দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

 

সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দশমিনা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহ আলম শানু বলেন, যারা মিটিংয়ে আসেনি তাদের ছবি তুলে রাখতে হবে। একইসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, যারা বিএনপিকে মানে না তারা ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড পাবে না।

 

 

 

গত ১১ মার্চ চরবোরহান ইউনিয়নে বিএনপির এক কর্মী সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়।

 

পড়ুন>> কাউনিয়ায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন এমপি আতিক মুজাহিদ 

 

 

স্থানীয়দের মতে, ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষি কার্ড সরকারি ও জনকল্যাণমূলক সুবিধার আওতায় পড়ে। এসব সুবিধা কোনো রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে দেওয়া বা না দেওয়ার কথা বলা অনাকাঙ্ক্ষিত।

 

 

 

এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর দাবি, বক্তব্যটি হয়তো আবেগের বশে বলা হয়েছে বা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।

 

 

 

 

অন্যদিকে বিরোধী মতের মানুষজন বলছেন, একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার এমন মন্তব্য গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

 

পড়ুন>> ১৯ বছর পর চাকরি ফিরে পাচ্ছেন ৩৩০ পুলিশ কর্মকর্তা

 

 

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অনেকেই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নেতার স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন।

 

 

 

 

এ বিষয়ে জানতে শাহ আলম শানুর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

 

 

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান টোটন বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কোনো দলীয় সম্পত্তি নয়, এটি দেশের সব মানুষের অধিকার। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে শাহ আলম শানুকে সতর্ক করা হয়েছে।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মিটিংয়ে না এলে ‘কার্ড বন্ধ’ -দশমিনায় বিএনপি নেতার বক্তব্যে বিতর্ক

আপডেট সময় : ০৮:০২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

 

 

 

 

মিটিংয়ে না এলে ‘কার্ড বন্ধ’ -দশমিনায় বিএনপি নেতার বক্তব্যে বিতর্ক

 

 

 

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় একটি কর্মী সভায় দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

 

সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দশমিনা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহ আলম শানু বলেন, যারা মিটিংয়ে আসেনি তাদের ছবি তুলে রাখতে হবে। একইসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, যারা বিএনপিকে মানে না তারা ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড পাবে না।

 

 

 

গত ১১ মার্চ চরবোরহান ইউনিয়নে বিএনপির এক কর্মী সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়।

 

পড়ুন>> কাউনিয়ায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন এমপি আতিক মুজাহিদ 

 

 

স্থানীয়দের মতে, ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষি কার্ড সরকারি ও জনকল্যাণমূলক সুবিধার আওতায় পড়ে। এসব সুবিধা কোনো রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে দেওয়া বা না দেওয়ার কথা বলা অনাকাঙ্ক্ষিত।

 

 

 

এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর দাবি, বক্তব্যটি হয়তো আবেগের বশে বলা হয়েছে বা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।

 

 

 

 

অন্যদিকে বিরোধী মতের মানুষজন বলছেন, একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার এমন মন্তব্য গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

 

পড়ুন>> ১৯ বছর পর চাকরি ফিরে পাচ্ছেন ৩৩০ পুলিশ কর্মকর্তা

 

 

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অনেকেই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নেতার স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন।

 

 

 

 

এ বিষয়ে জানতে শাহ আলম শানুর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

 

 

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান টোটন বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কোনো দলীয় সম্পত্তি নয়, এটি দেশের সব মানুষের অধিকার। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে শাহ আলম শানুকে সতর্ক করা হয়েছে।

 

 

 

Facebook Comments Box