ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে এমপিদের প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে এমপিদের প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা

নির্বাচনি এলাকার বাইরে গিয়ে অন্য কোনো এলাকায় মাতব্বরি না করার জন্য সংসদ সদস্যদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের এক বিশেষ সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।

 

সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে শুরু হওয়া এই সভা চলে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি ও স্থানীয় সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

 

পাশাপাশি মাসে অন্তত একবার বা ১৫ দিনে একবার সংসদ সদস্যদের সভা করার বিষয়ে আলোচনা হলেও এ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। একই সঙ্গে ১৫ একবার কিংবা মাসে ১ মাস সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের সভা করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়।

 

পড়ুন>>ফেনীতে বিজিবির অভিযানে অর্ধকোটি টাকার বেশি মূল্যের মদ ও গরু জব্দ

সভায় চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, নিজ সংসদীয় এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় গিয়ে কোনো এমপির প্রভাব বিস্তার বা মাতব্বরি করা উচিত নয়। তার এই বক্তব্যের প্রতি প্রায় সব সদস্য হাততালি দিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

 

তিনি বিষয়টিকে গুরুত্বসহকারে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান। সভায় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, যারা এমপি বা মন্ত্রী হয়েছেন, তারা যেন দল ও সংগঠনকে ভুলে না যান। সংগঠনই তাদের পরিচিতি দিয়েছে এবং নেতাকর্মীদের ত্যাগের বিনিময়েই আজকের অবস্থানে এসেছেন তারা। তাই নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করার তাগিদ দেন সরকারপ্রধান। এই সংগঠনের মধ্য দিয়েই আজকে আপনাদের পরিচিতি হয়েছে।

পড়ুন>>ফেনীতে বিজিবির অভিযানে অর্ধকোটি টাকার বেশি মূল্যের মদ ও গরু জব্দ

 

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের হতাশাবোধ দূর করার বিষয়েও সভায় উদ্বেগ জানানো হয়। জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে রাজনীতি টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। তিনি এমপিদের নিয়মিত এলাকায় গিয়ে জনগণের সুখ-দুঃখ শোনার এবং সমাধানের চেষ্টা করার পরামর্শ দেন।

 

 

সরকারের সাত মাসের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। অনেক এমপি এ সময় অভিযোগ করেন যে, স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় সহায়তা না করায় তারা জনসম্পৃক্ততামূলক কাজে পিছিয়ে পড়ছেন। ওদিকে নির্বাচনি এলাকা এবং জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়নোর জন্য এমপিদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷ পাশাপাশি বিএনপির সরকারের ৭ মাসের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে তুলে ধরতেও নির্দেশ দেন সরকারপ্রধান।

 

 

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সাংসদ বলেন, সভায় বলা হয় বিএনপির তৃণমূলের নেতা কর্মী হতাশ। যার ফলে সরকারের অনেক উন্নয়নমূল কাজ সম্পর্কে জনগণ ঠিকমতো অবহিত হতে পারছেন না। জনগণ থেকে দূরে সরে আসলে নিজেদেরই ক্ষতি।

 

আরও পড়ুন>>রাণীশংকৈলে শয়নকক্ষ থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: মায়ের মামলায় অপমৃত্যুর তদন্ত

সামনে অনুষ্ঠিতব্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক থাকছে না। দল চেষ্টা করবে প্রতিটি ইউনিয়নে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে।

নির্বাচনে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং তৃণমূল পর্যায়ে উৎসবমুখর পরিবেশে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়নি। চিফ হুইপ বলেন, নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে সাধারণত নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করা উচিত। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন রয়েছে, তাই এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরও বেশি রাজনৈতিক প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সারের সংকট এবং শারদীয় দুর্গাপূজাসহ দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, বিএনপি সরকার চাঁদাবাজ ও দখলদারদের কোনো জায়গা দেবে না। দলের নাম ভাঙিয়ে অন্যায় করে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

 

আরও পড়ুন>>স্থানীয় সরকারব্যবস্থা জনগণের কাছে ফেরাতে চায় সরকার: মঈন খান

 

প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। নিয়মিত বিরতির বাইরেও সংসদ সদস্যদের সমস্যা ও মতামত শুনতে এই বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের কথা শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা সমাধানের পথ দেখান।

 

 

মূলত সরকারের কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করাই এই সভার মূল লক্ষ্য ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এক্ষেত্রে দলীয় মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে তাকে বিজয়ী করে আনার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়৷ এছাড়া সভায় দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সারে অনিয়ম এবং শারদীয় দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও সূত্রটি জানায়।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে এমপিদের প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা

আপডেট সময় : ১১:০৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

 

জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে এমপিদের প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা

নির্বাচনি এলাকার বাইরে গিয়ে অন্য কোনো এলাকায় মাতব্বরি না করার জন্য সংসদ সদস্যদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের এক বিশেষ সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।

 

সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে শুরু হওয়া এই সভা চলে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি ও স্থানীয় সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

 

পাশাপাশি মাসে অন্তত একবার বা ১৫ দিনে একবার সংসদ সদস্যদের সভা করার বিষয়ে আলোচনা হলেও এ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। একই সঙ্গে ১৫ একবার কিংবা মাসে ১ মাস সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের সভা করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়।

 

পড়ুন>>ফেনীতে বিজিবির অভিযানে অর্ধকোটি টাকার বেশি মূল্যের মদ ও গরু জব্দ

সভায় চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, নিজ সংসদীয় এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় গিয়ে কোনো এমপির প্রভাব বিস্তার বা মাতব্বরি করা উচিত নয়। তার এই বক্তব্যের প্রতি প্রায় সব সদস্য হাততালি দিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

 

তিনি বিষয়টিকে গুরুত্বসহকারে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান। সভায় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, যারা এমপি বা মন্ত্রী হয়েছেন, তারা যেন দল ও সংগঠনকে ভুলে না যান। সংগঠনই তাদের পরিচিতি দিয়েছে এবং নেতাকর্মীদের ত্যাগের বিনিময়েই আজকের অবস্থানে এসেছেন তারা। তাই নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করার তাগিদ দেন সরকারপ্রধান। এই সংগঠনের মধ্য দিয়েই আজকে আপনাদের পরিচিতি হয়েছে।

পড়ুন>>ফেনীতে বিজিবির অভিযানে অর্ধকোটি টাকার বেশি মূল্যের মদ ও গরু জব্দ

 

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের হতাশাবোধ দূর করার বিষয়েও সভায় উদ্বেগ জানানো হয়। জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে রাজনীতি টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। তিনি এমপিদের নিয়মিত এলাকায় গিয়ে জনগণের সুখ-দুঃখ শোনার এবং সমাধানের চেষ্টা করার পরামর্শ দেন।

 

 

সরকারের সাত মাসের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। অনেক এমপি এ সময় অভিযোগ করেন যে, স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় সহায়তা না করায় তারা জনসম্পৃক্ততামূলক কাজে পিছিয়ে পড়ছেন। ওদিকে নির্বাচনি এলাকা এবং জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়নোর জন্য এমপিদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷ পাশাপাশি বিএনপির সরকারের ৭ মাসের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে তুলে ধরতেও নির্দেশ দেন সরকারপ্রধান।

 

 

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সাংসদ বলেন, সভায় বলা হয় বিএনপির তৃণমূলের নেতা কর্মী হতাশ। যার ফলে সরকারের অনেক উন্নয়নমূল কাজ সম্পর্কে জনগণ ঠিকমতো অবহিত হতে পারছেন না। জনগণ থেকে দূরে সরে আসলে নিজেদেরই ক্ষতি।

 

আরও পড়ুন>>রাণীশংকৈলে শয়নকক্ষ থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: মায়ের মামলায় অপমৃত্যুর তদন্ত

সামনে অনুষ্ঠিতব্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক থাকছে না। দল চেষ্টা করবে প্রতিটি ইউনিয়নে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে।

নির্বাচনে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং তৃণমূল পর্যায়ে উৎসবমুখর পরিবেশে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়নি। চিফ হুইপ বলেন, নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে সাধারণত নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করা উচিত। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন রয়েছে, তাই এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরও বেশি রাজনৈতিক প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সারের সংকট এবং শারদীয় দুর্গাপূজাসহ দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, বিএনপি সরকার চাঁদাবাজ ও দখলদারদের কোনো জায়গা দেবে না। দলের নাম ভাঙিয়ে অন্যায় করে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

 

আরও পড়ুন>>স্থানীয় সরকারব্যবস্থা জনগণের কাছে ফেরাতে চায় সরকার: মঈন খান

 

প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। নিয়মিত বিরতির বাইরেও সংসদ সদস্যদের সমস্যা ও মতামত শুনতে এই বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের কথা শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা সমাধানের পথ দেখান।

 

 

মূলত সরকারের কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করাই এই সভার মূল লক্ষ্য ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এক্ষেত্রে দলীয় মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে তাকে বিজয়ী করে আনার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়৷ এছাড়া সভায় দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সারে অনিয়ম এবং শারদীয় দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও সূত্রটি জানায়।

Facebook Comments Box