ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাতারের সানাইয়া লজিস্টিক ভিলেজে মাইন উদ্দিন সোহেলের নতুন ওয়্যারহাউস জামালপুর নার্সিং কলেজে ৩ দিন ধরে শাটডাউন আইএমএফের ঋণ পেতে নির্ধারিত শর্ত মানতে হবে: অর্থমন্ত্রী তিন মাসে সরকারের ব্যাংক ঋণ ২৪ হাজার ২৪৫ কোটি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ডাক প্রধানমন্ত্রীর পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ১৬ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ইসরাইলের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধানের ক্যানসারের ওষুধ পাচারের চেষ্টা: চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৪ পাতার বাঁশিতে সুর তোলা গোলাম রাব্বানীর অনন্য জাদু দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে আয়োজনে সিসিকের বিশেষ প্রস্তুতি

কাউনিয়ায় কনকনে ঠান্ডায় কাহিল দরিদ্র মানুষ : বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ

কাউনিয়ায় কনকনে ঠান্ডায় কাহিল দরিদ্র মানুষ : বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২ ২০৬ বার পড়া হয়েছে

কাউনিয়ায় কনকনে ঠান্ডায় কাহিল দরিদ্র মানুষ : বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় তিস্তা নদীর চরাঞ্চল সহ বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষেরা তীব্র শীত ও কনকনে ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা পড়েছে বিপাকে। ব্যাপক ভাবে বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ।

হঠাৎ করে গত বুধবার ভোরে গভীর কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায়, সকাল ১১টার দিকে একটু সূর্যের মুখ দেখা যায়। কনকনে ঠান্ডা দেখা দেয়। মানুষের শরীর বরফ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়।

“হামরা জারত মরি গেইনো বাহে, হামাক গরম কাপড় দিয়া বাঁচান”

রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাপমাত্রা ছিল ১৭° থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে । সকালে রাস্তায় হেড লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায়। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী ১৭ টি গ্রাম সহ সারা উপজেলার খেটে খাওয়া ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষ গরম কাপড়ের অভাবে শীত ও ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে পড়েছে।

হামরা জারত মরি গেইনো বাহে, হামাক গরম কাপড় দিয়া বাঁচান

তীব্র শীত ও কনকনে ঠান্ডায় শ্বাস কষ্ট, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, ডায়রিয়া সহ নানা রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশু ও বৃদ্ধরা শীত জনিত রোগে বেশি বেশি আক্রান্ত হয়ে পড়ছে।

এছাড়াও গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। গরু, ছাগল,মহিষের গাঁয়ে চটের বস্তা ঝুলিয়ে দিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছে কৃষকরা। তীব্র ঠান্ডায় হাস,মুরগীর মড়ক দেখা দিয়েছে।

তীব্র শীতে দরিদ্র মানুষেরা কাহিল হয়ে পরলেও সরকারী বা বে-সরকারি ভাবে দেয়া হয়নি পর্যাপ্ত শীত বস্ত্র।

নাজিরদহ গ্রামের বিধবা সুজি বেওয়া আঞ্চলিক ভাষায় বলেন “হামাক একনা কম্বল -চাদর দিয়া ঠান্ডা থাকি বাঁচান বেহে, হামরা জারত মরি গেইনো বাহে,হামার খবর কায়ো নেয় না। একই সুরে এমন কথা বলেন এলাকার অনেক দরিদ্র মানুষ।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কাউনিয়ায় কনকনে ঠান্ডায় কাহিল দরিদ্র মানুষ : বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় তিস্তা নদীর চরাঞ্চল সহ বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষেরা তীব্র শীত ও কনকনে ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা পড়েছে বিপাকে। ব্যাপক ভাবে বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ।

হঠাৎ করে গত বুধবার ভোরে গভীর কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায়, সকাল ১১টার দিকে একটু সূর্যের মুখ দেখা যায়। কনকনে ঠান্ডা দেখা দেয়। মানুষের শরীর বরফ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়।

“হামরা জারত মরি গেইনো বাহে, হামাক গরম কাপড় দিয়া বাঁচান”

রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাপমাত্রা ছিল ১৭° থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে । সকালে রাস্তায় হেড লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায়। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী ১৭ টি গ্রাম সহ সারা উপজেলার খেটে খাওয়া ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষ গরম কাপড়ের অভাবে শীত ও ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে পড়েছে।

হামরা জারত মরি গেইনো বাহে, হামাক গরম কাপড় দিয়া বাঁচান

তীব্র শীত ও কনকনে ঠান্ডায় শ্বাস কষ্ট, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, ডায়রিয়া সহ নানা রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশু ও বৃদ্ধরা শীত জনিত রোগে বেশি বেশি আক্রান্ত হয়ে পড়ছে।

এছাড়াও গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। গরু, ছাগল,মহিষের গাঁয়ে চটের বস্তা ঝুলিয়ে দিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছে কৃষকরা। তীব্র ঠান্ডায় হাস,মুরগীর মড়ক দেখা দিয়েছে।

তীব্র শীতে দরিদ্র মানুষেরা কাহিল হয়ে পরলেও সরকারী বা বে-সরকারি ভাবে দেয়া হয়নি পর্যাপ্ত শীত বস্ত্র।

নাজিরদহ গ্রামের বিধবা সুজি বেওয়া আঞ্চলিক ভাষায় বলেন “হামাক একনা কম্বল -চাদর দিয়া ঠান্ডা থাকি বাঁচান বেহে, হামরা জারত মরি গেইনো বাহে,হামার খবর কায়ো নেয় না। একই সুরে এমন কথা বলেন এলাকার অনেক দরিদ্র মানুষ।

Facebook Comments Box