কাউনিয়ায় কনকনে ঠান্ডায় কাহিল দরিদ্র মানুষ : বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ
- আপডেট সময় : ০৬:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২ ২০৪ বার পড়া হয়েছে
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় তিস্তা নদীর চরাঞ্চল সহ বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষেরা তীব্র শীত ও কনকনে ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা পড়েছে বিপাকে। ব্যাপক ভাবে বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ।
হঠাৎ করে গত বুধবার ভোরে গভীর কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায়, সকাল ১১টার দিকে একটু সূর্যের মুখ দেখা যায়। কনকনে ঠান্ডা দেখা দেয়। মানুষের শরীর বরফ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়।
“হামরা জারত মরি গেইনো বাহে, হামাক গরম কাপড় দিয়া বাঁচান”
রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাপমাত্রা ছিল ১৭° থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে । সকালে রাস্তায় হেড লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায়। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী ১৭ টি গ্রাম সহ সারা উপজেলার খেটে খাওয়া ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষ গরম কাপড়ের অভাবে শীত ও ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে পড়েছে।
তীব্র শীত ও কনকনে ঠান্ডায় শ্বাস কষ্ট, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, ডায়রিয়া সহ নানা রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশু ও বৃদ্ধরা শীত জনিত রোগে বেশি বেশি আক্রান্ত হয়ে পড়ছে।
এছাড়াও গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। গরু, ছাগল,মহিষের গাঁয়ে চটের বস্তা ঝুলিয়ে দিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছে কৃষকরা। তীব্র ঠান্ডায় হাস,মুরগীর মড়ক দেখা দিয়েছে।
তীব্র শীতে দরিদ্র মানুষেরা কাহিল হয়ে পরলেও সরকারী বা বে-সরকারি ভাবে দেয়া হয়নি পর্যাপ্ত শীত বস্ত্র।
নাজিরদহ গ্রামের বিধবা সুজি বেওয়া আঞ্চলিক ভাষায় বলেন “হামাক একনা কম্বল -চাদর দিয়া ঠান্ডা থাকি বাঁচান বেহে, হামরা জারত মরি গেইনো বাহে,হামার খবর কায়ো নেয় না। একই সুরে এমন কথা বলেন এলাকার অনেক দরিদ্র মানুষ।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























