ঈদের আগেই চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড
- আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১৫৩৯ বার পড়া হয়েছে
ঈদের আগেই চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’
আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে নতুন সরকার। প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক (পাইলটিং) প্রকল্প হিসেবে দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহদী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সাতটি মন্ত্রণালয়ের সচিব।
কমিটির প্রধান দায়িত্ব হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য একটি উপযুক্ত নকশা ও কাঠামো প্রণয়ন, সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি নির্ধারণ এবং বাস্তবায়ন কৌশল ঠিক করা। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের প্রতিটি বিভাগ থেকে একটি করে উপজেলা নির্বাচন করে সেখানে পাইলট প্রকল্প চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পড়ুন>> রমজানে লাখো মুসল্লির জন্য মসজিদ পরিষ্কার ‘পরিচ্ছন্নতায় পবিত্রতা’
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে এই কার্ডের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, তা পর্যালোচনা করবে কমিটি। একই সঙ্গে সুবিধাভোগীদের একটি সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইজের মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে একটি ডিজিটাল এমআইএস (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) গড়ে তোলার সুপারিশ করবে কমিটি।
সরকার ঈদুল ফিতরের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সে লক্ষ্য পূরণে কমিটিকে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পড়ুন>>তিন সিটিতে ভোট দিয়েই শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রয়োজন অনুসারে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। প্রয়োজনে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতাও সংরক্ষণ করবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক সুরক্ষা ও সরকারি সহায়তা ব্যবস্থায় একটি নতুন কাঠামো তৈরি হবে, যা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের পথ সুগম করতে পারে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ



















