ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে ছাগল-হাঁস পালনের অভিযোগে ফার্মাসিস্ট পলাশকে শোকজ ধামরাইয়ে ব্যাটারি কারখানায় লকার ভেঙে ৭০ লাখ টাকা লুট ময়মনসিংহ মেডিকেলে লিফটে আগুন ন্যাম ভবন থেকে সংসদ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে ৩০১ পদে বড় নিয়োগ নাগোয়ায় বর্ণাঢ্য উদ্বোধনে ২০তম এশিয়ান গেমস, লড়বে টিম কাতার তিন দফা দাবিতে রাজপথে সিকৃবি ও গবি শিক্ষার্থীরা সৌদিতে হুতি হামলা: প্রযুক্তিগত সহায়তায় প্রস্তুত আঙ্কারা ৩৫ সফরসঙ্গী নিয়ে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৭৩,৯১০

তুরস্কের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে নিহত ৪০

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২২ ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

তুরস্কের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে নিহত ৪০

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তুরস্কের একটি কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪০ হয়েছে। খনিতে এখনো আটকা পড়ে আছেন অনেকে। তাঁদের উদ্ধারে কাজ চলছে। দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাতে আজ শনিবার আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।গতকাল শুক্রবার তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত টিটিকে আমাসরা মুয়েসেস মুদুরলুগু কয়লাখনিতে ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কয়লাখনিটি তুরস্কের উত্তরাঞ্চলে কৃষ্ণসাগর-সংলগ্ন বাতিন প্রদেশের আমাসরা শহরে অবস্থিত। শহরের গভর্নরের দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, খনির অন্তত ৩০০ মিটার (৯৮৫ ফুট) নিচে বিস্ফোরণ ঘটে।

বিস্ফোরণের পর ৫৮ জনকে খনি থেকে অক্ষত অবস্থায় বের করে আনা হয়েছে। আহত অপর ১১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এখনো যাঁরা খনিতে আটকে আছেন, তাঁদের অবস্থা জানা যায়নি। তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এএফএডি জানিয়েছে, আশপাশের প্রদেশ থেকে উদ্ধারকারী দলকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেইমান সয়লু উদ্ধারকাজ তদারক করতে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিস্ফোরণের সময় সেখানে ১১০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। এখন পর্যন্ত ৪০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।

গতকালের বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে প্রাথমিক একটি ধারণা দিয়েছেন তুরস্কের জ্বালানিমন্ত্রী ফাতিহ দনমেজ। কয়লাখনিতে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণ থেকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন তিনি।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, তিনি তাঁর অন্য সব কর্মসূচি বাতিল করে আজ দুর্ঘটনাস্থলে যাবেন। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমাদের আশা, প্রাণহানি আর বাড়বে না। অন্য খনিশ্রমিকদের জীবিত উদ্ধার করা যাবে।’

এর আগে ২০১৪ সালে তুরস্কে কয়লাখনিতে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছিল। ওই বছর দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে সোমা শহরে একটি কয়লাখনিতে আগুন লাগে। এতে সেখানে থাকা ৩০১ জনের মৃত্যু হয়।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুরস্কের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে নিহত ৪০

আপডেট সময় : ০৬:০৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২২

তুরস্কের একটি কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪০ হয়েছে। খনিতে এখনো আটকা পড়ে আছেন অনেকে। তাঁদের উদ্ধারে কাজ চলছে। দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাতে আজ শনিবার আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।গতকাল শুক্রবার তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত টিটিকে আমাসরা মুয়েসেস মুদুরলুগু কয়লাখনিতে ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কয়লাখনিটি তুরস্কের উত্তরাঞ্চলে কৃষ্ণসাগর-সংলগ্ন বাতিন প্রদেশের আমাসরা শহরে অবস্থিত। শহরের গভর্নরের দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, খনির অন্তত ৩০০ মিটার (৯৮৫ ফুট) নিচে বিস্ফোরণ ঘটে।

বিস্ফোরণের পর ৫৮ জনকে খনি থেকে অক্ষত অবস্থায় বের করে আনা হয়েছে। আহত অপর ১১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এখনো যাঁরা খনিতে আটকে আছেন, তাঁদের অবস্থা জানা যায়নি। তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এএফএডি জানিয়েছে, আশপাশের প্রদেশ থেকে উদ্ধারকারী দলকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেইমান সয়লু উদ্ধারকাজ তদারক করতে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিস্ফোরণের সময় সেখানে ১১০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। এখন পর্যন্ত ৪০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।

গতকালের বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে প্রাথমিক একটি ধারণা দিয়েছেন তুরস্কের জ্বালানিমন্ত্রী ফাতিহ দনমেজ। কয়লাখনিতে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণ থেকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন তিনি।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, তিনি তাঁর অন্য সব কর্মসূচি বাতিল করে আজ দুর্ঘটনাস্থলে যাবেন। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমাদের আশা, প্রাণহানি আর বাড়বে না। অন্য খনিশ্রমিকদের জীবিত উদ্ধার করা যাবে।’

এর আগে ২০১৪ সালে তুরস্কে কয়লাখনিতে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছিল। ওই বছর দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে সোমা শহরে একটি কয়লাখনিতে আগুন লাগে। এতে সেখানে থাকা ৩০১ জনের মৃত্যু হয়।

 

Facebook Comments Box