ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফরিদপুরের মধুখালীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রাণহানি নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ: অস্কারজয়ী সুসান সারান্ডনসহ গ্রেপ্তার প্রায় ১০০ শি জিনপিংয়ের সম্মানে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ নৈশভোজ ঢাকা কর অঞ্চল-১ এ ৩৪ পদে নিয়োগ প্রকাশ কাতারে গ্রীষ্মকালীন নিয়ম অমান্য: ৩৮৮টি কর্মক্ষেত্র সাময়িকভাবে বন্ধ এশিয়ান গেমসে আফগানিস্তানকে হারিয়ে নেপালের বড় অঘটন রাঙ্গামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আলোকচিত্রের দ্বিশতবর্ষ পূর্তি উদ্‌যাপন ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ মেরামত হচ্ছে ‘থ্রি আর’ কৌশলে: প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় সরকারি কর্মচারীদের টানা ৭ দিনের ছুটির সুযোগ যেভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি নিয়ে বিশ্বকে সতর্কবার্তা নেপালের

চীনের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও মার্কিন স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের

যুক্তরাষ্ট্র থেকে হাকিকুল ইসলাম খোকন
  • আপডেট সময় : ০২:৩১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০২৩ ২২৪ বার পড়া হয়েছে

চীনের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও মার্কিন স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চীনের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও মার্কিন স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের।

চীনের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের সঙ্গে বৈঠক করলেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি।

পড়ুন>>ইরানে বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস ও ধ্বংসে উসকানির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দায়ী-ইরানি প্রেসিডেন্ট

বুধবার (৫ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে সাক্ষৎ করেন তারা।খবরে বলা হয়, লস অ্যাঞ্জেলস থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে সিমি উপত্যকার রোনাল্ড রিগ্যান প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরিতে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন কেভিন ম্যাকার্থি ও সাই ইং-ওয়েন।

এর মধ্য দিয়ে ১৯৭৯ সালের পর প্রথম কোনো শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করলেন।

এ সময় ম্যাকার্থি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টকে ‘আমেরিকার অন্যতম বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেন। সেই সঙ্গে তিনি গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তাইওয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ম্যাকার্থি বলেন, তাইওয়ানকে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র।

ম্যাকার্থিকে ধন্যবাদ জানিয়ে সাই ইং-ওয়েন বলেন, আমি আনন্দিত বোধ করছি। আমরা যখন একসঙ্গে থাকি তখন আমরা আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠি।

পড়ুন>>যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মুক্তি পেলেন

মার্কিন প্রশাসন এক চীন নীতি সমর্থন করলেও তাইওয়ানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। তাইওয়ানকে সামরিক-অর্থনৈতিক সহায়তা দিচ্ছে ওয়াশিংটন। এমনকি তাইওয়ানের অস্ত্রের সবচেয়ে বড় অংশই আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

গত বছর বেইজিংয়ের হুমকি উপেক্ষা করে তাইওয়ানের রাজধানী তাইপে সফর করেন সাবেক মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি।

প্রতিবাদে তাইওয়ান প্রণালীর আশপাশে বড় ধরনের সামরিক মহড়া চালায় চীনা সামরিক বাহিনী। এতে তাইওয়ানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয় চীনের।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চীনের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও মার্কিন স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের

আপডেট সময় : ০২:৩১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০২৩

চীনের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও মার্কিন স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের।

চীনের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের সঙ্গে বৈঠক করলেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি।

পড়ুন>>ইরানে বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস ও ধ্বংসে উসকানির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দায়ী-ইরানি প্রেসিডেন্ট

বুধবার (৫ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে সাক্ষৎ করেন তারা।খবরে বলা হয়, লস অ্যাঞ্জেলস থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে সিমি উপত্যকার রোনাল্ড রিগ্যান প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরিতে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন কেভিন ম্যাকার্থি ও সাই ইং-ওয়েন।

এর মধ্য দিয়ে ১৯৭৯ সালের পর প্রথম কোনো শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করলেন।

এ সময় ম্যাকার্থি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টকে ‘আমেরিকার অন্যতম বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেন। সেই সঙ্গে তিনি গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তাইওয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ম্যাকার্থি বলেন, তাইওয়ানকে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র।

ম্যাকার্থিকে ধন্যবাদ জানিয়ে সাই ইং-ওয়েন বলেন, আমি আনন্দিত বোধ করছি। আমরা যখন একসঙ্গে থাকি তখন আমরা আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠি।

পড়ুন>>যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মুক্তি পেলেন

মার্কিন প্রশাসন এক চীন নীতি সমর্থন করলেও তাইওয়ানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। তাইওয়ানকে সামরিক-অর্থনৈতিক সহায়তা দিচ্ছে ওয়াশিংটন। এমনকি তাইওয়ানের অস্ত্রের সবচেয়ে বড় অংশই আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

গত বছর বেইজিংয়ের হুমকি উপেক্ষা করে তাইওয়ানের রাজধানী তাইপে সফর করেন সাবেক মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি।

প্রতিবাদে তাইওয়ান প্রণালীর আশপাশে বড় ধরনের সামরিক মহড়া চালায় চীনা সামরিক বাহিনী। এতে তাইওয়ানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয় চীনের।

Facebook Comments Box