ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে চট্টগ্রামে জনাকীর্ণ স্থানে গুলি, এক বছরেও শনাক্ত হয়নি সেই শুটার এপিক হেলথ কেয়ার থেকে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা পাবেন লায়ন্স সদস্যরা বিসিবির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলার চেষ্টা, সতর্কবার্তা বোর্ডের আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ কর্মী নিয়োগ, আবেদন শুরু ২ নভেম্বর ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ২৬ মার্কিন ঘাঁটি বিশ্বে সাংবাদিক হত্যার ৮৬ শতাংশের বিচার হয়নি: ইউনেস্কো আবারও হাঙ্গার গেমসে ফিরছেন জেনিফার লরেন্স মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে ৪ মামলা, অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ১০ হাজার বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইনের খসড়া অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা

চট্টগ্রামে জনাকীর্ণ স্থানে গুলি, এক বছরেও শনাক্ত হয়নি সেই শুটার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার খন্দকারপাড়া এলাকায় গত বছরের ৫ নভেম্বর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী হয় স্থানীয়রা। এর আগে গত বছরের ৩০ মার্চ নগরের বাকলিয়া এক্সেস রোড এলাকায় সরোয়ারের একটি ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছিল। এর পর থেকে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুজনের বিরোধ চলছিল।

সেদিন বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণায় দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল। চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী গণসংযোগে তাঁকে গুলি করা হয়। গুলি করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রচারপত্র বিতরণ ও স্লোগানে মুখর সেই আয়োজনে হঠাৎ করেই ঘটে অকল্পনীয় এক ঘটনা। কেউ স্লোগান দিচ্ছিলেন, কেউ বিলি করছিলেন প্রচারপত্র।

জনাকীর্ণ ওই পরিবেশে পেছন থেকে এক যুবক সরোয়ার হোসেন ওরফে বাবলা নামের এক ব্যক্তির ঘাড়ে পিস্তল ঠেকিয়ে পরপর তিনটি গুলি করেন। এ কারণে সরোয়ার সতর্কভাবে চলাফেরা করতেন। ২০১৬ সালের দিকে সরোয়ার নিজস্ব বলয় গড়ে তোলেন।

ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সরোয়ার, পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে গুরু-শিষ্যের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।

নিহত সরোয়ার হোসেন নগরে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ মোট ১৫টি মামলা ছিল। আলোচিত এই ঘটনার এক বছর অতিবাহিত হলেও, সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাওয়া সেই ‘বাঁহাতি শুটার’-কে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটিও এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সরোয়ার হত্যা মামলায় গত ২৮ অক্টোবর আদালত তাঁর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, সরোয়ার একসময় বড় সাজ্জাদের অনুসারী ছিলেন। সুষ্ঠু তদন্ত করে পুলিশ বের করুক।’।

ঘটনার পরদিন সরোয়ারের বাবা আবদুল কাদের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার তদন্তে এখন পর্যন্ত ৩৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১০ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং বাকিরা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। যদিও তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, নিয়মিত রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও মূল অপরাধীকে এখনো খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

তদন্তকারীদের ধারণা, শুটারটির বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে এবং সে পেশাদার ও প্রশিক্ষিত। ঘটনাস্থলে কোনো সিসিটিভি না থাকায় পরিকল্পিতভাবে এমন স্থান বেছে নেওয়া হয়েছিল, যাতে অপরাধীর পরিচয় গোপন থাকে। সর্বশেষ ২৯ আগস্ট যশোর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন।

সরোয়ারের বাবা আবদুল কাদেরের অভিযোগ, ঘটনার তিন দিন আগে মো. রায়হান নামের এক ব্যক্তি সরোয়ারকে হত্যার হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ‘তোর সময় শেষ, যা খাওয়ার খেয়ে নে’। তিনি দাবি করেন, বিদেশে থাকা সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী, তার সহযোগী সাজ্জাদ হোসেন (ছোট সাজ্জাদ) এবং মো. রায়হান নিয়মিত তার ছেলেকে হুমকি দিতেন। তিনি জানান, ঘটনার দিন সরোয়ার নিজের এলাকার মানুষের ভিড়ে থাকায় হামলার আশঙ্কা করেননি। ওই ঘটনায় অল্পের জন্য বেঁচে যান তিনি।

নিহতের ভাই আজিজ উদ্দিন, যিনি বায়েজিদ থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক যোগসাজশের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, এটি ছিল ‘এক ঢিলে দুই পাখি’ মারার মতো পরিকল্পনা। সরোয়ার বিএনপির এক নেতার অনুসারী হওয়ায় দলের ভেতরেই তার বিরোধীরা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। তবে পুলিশের তদন্তে এখনো রাজনৈতিক বিরোধের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভালোভাবে প্রশিক্ষিত কেউ এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন বলে মনে করছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, মামলার তদন্ত চলমান এবং শুটারকে শনাক্ত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নিরীহ কাউকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, সরোয়ার হত্যার নেপথ্যে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতাই প্রধান কারণ হিসেবে পুলিশের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।

ঘটনার সময় গুলিতে আহত হওয়া বর্তমান সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ জানিয়েছেন, ঘটনায় জড়িত প্রকৃত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি। তবে নিহতের বাবা আবদুল কাদের চরম হতাশা প্রকাশ করে বলেন, নিজের চোখের সামনে ছেলেকে হারানোর বেদনা আজও ভুলতে পারছেন না, আর বিচার পাওয়ার চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে মূল শুটারকে গ্রেপ্তারের অনিশ্চয়তা।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চট্টগ্রামে জনাকীর্ণ স্থানে গুলি, এক বছরেও শনাক্ত হয়নি সেই শুটার

আপডেট সময় : ১২:৪৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার খন্দকারপাড়া এলাকায় গত বছরের ৫ নভেম্বর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী হয় স্থানীয়রা। এর আগে গত বছরের ৩০ মার্চ নগরের বাকলিয়া এক্সেস রোড এলাকায় সরোয়ারের একটি ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছিল। এর পর থেকে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুজনের বিরোধ চলছিল।

সেদিন বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণায় দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল। চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী গণসংযোগে তাঁকে গুলি করা হয়। গুলি করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রচারপত্র বিতরণ ও স্লোগানে মুখর সেই আয়োজনে হঠাৎ করেই ঘটে অকল্পনীয় এক ঘটনা। কেউ স্লোগান দিচ্ছিলেন, কেউ বিলি করছিলেন প্রচারপত্র।

জনাকীর্ণ ওই পরিবেশে পেছন থেকে এক যুবক সরোয়ার হোসেন ওরফে বাবলা নামের এক ব্যক্তির ঘাড়ে পিস্তল ঠেকিয়ে পরপর তিনটি গুলি করেন। এ কারণে সরোয়ার সতর্কভাবে চলাফেরা করতেন। ২০১৬ সালের দিকে সরোয়ার নিজস্ব বলয় গড়ে তোলেন।

ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সরোয়ার, পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে গুরু-শিষ্যের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।

নিহত সরোয়ার হোসেন নগরে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ মোট ১৫টি মামলা ছিল। আলোচিত এই ঘটনার এক বছর অতিবাহিত হলেও, সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাওয়া সেই ‘বাঁহাতি শুটার’-কে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটিও এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সরোয়ার হত্যা মামলায় গত ২৮ অক্টোবর আদালত তাঁর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, সরোয়ার একসময় বড় সাজ্জাদের অনুসারী ছিলেন। সুষ্ঠু তদন্ত করে পুলিশ বের করুক।’।

ঘটনার পরদিন সরোয়ারের বাবা আবদুল কাদের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার তদন্তে এখন পর্যন্ত ৩৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১০ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং বাকিরা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। যদিও তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, নিয়মিত রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও মূল অপরাধীকে এখনো খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

তদন্তকারীদের ধারণা, শুটারটির বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে এবং সে পেশাদার ও প্রশিক্ষিত। ঘটনাস্থলে কোনো সিসিটিভি না থাকায় পরিকল্পিতভাবে এমন স্থান বেছে নেওয়া হয়েছিল, যাতে অপরাধীর পরিচয় গোপন থাকে। সর্বশেষ ২৯ আগস্ট যশোর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন।

সরোয়ারের বাবা আবদুল কাদেরের অভিযোগ, ঘটনার তিন দিন আগে মো. রায়হান নামের এক ব্যক্তি সরোয়ারকে হত্যার হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ‘তোর সময় শেষ, যা খাওয়ার খেয়ে নে’। তিনি দাবি করেন, বিদেশে থাকা সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী, তার সহযোগী সাজ্জাদ হোসেন (ছোট সাজ্জাদ) এবং মো. রায়হান নিয়মিত তার ছেলেকে হুমকি দিতেন। তিনি জানান, ঘটনার দিন সরোয়ার নিজের এলাকার মানুষের ভিড়ে থাকায় হামলার আশঙ্কা করেননি। ওই ঘটনায় অল্পের জন্য বেঁচে যান তিনি।

নিহতের ভাই আজিজ উদ্দিন, যিনি বায়েজিদ থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক যোগসাজশের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, এটি ছিল ‘এক ঢিলে দুই পাখি’ মারার মতো পরিকল্পনা। সরোয়ার বিএনপির এক নেতার অনুসারী হওয়ায় দলের ভেতরেই তার বিরোধীরা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। তবে পুলিশের তদন্তে এখনো রাজনৈতিক বিরোধের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভালোভাবে প্রশিক্ষিত কেউ এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন বলে মনে করছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, মামলার তদন্ত চলমান এবং শুটারকে শনাক্ত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নিরীহ কাউকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, সরোয়ার হত্যার নেপথ্যে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতাই প্রধান কারণ হিসেবে পুলিশের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।

ঘটনার সময় গুলিতে আহত হওয়া বর্তমান সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ জানিয়েছেন, ঘটনায় জড়িত প্রকৃত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি। তবে নিহতের বাবা আবদুল কাদের চরম হতাশা প্রকাশ করে বলেন, নিজের চোখের সামনে ছেলেকে হারানোর বেদনা আজও ভুলতে পারছেন না, আর বিচার পাওয়ার চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে মূল শুটারকে গ্রেপ্তারের অনিশ্চয়তা।

Facebook Comments Box