পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টার রাঙামাটিতে আগমন: উন্নয়ন ও সম্প্রীতির বার্তা
- আপডেট সময় : ০৬:৫৯:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫ ৫০৯৩ বার পড়া হয়েছে
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টার রাঙামাটিতে আগমন: উন্নয়ন ও সম্প্রীতির বার্তা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমার রাঙামাটিতে আগমন: উন্নয়ন ও সম্প্রীতির বার্তা।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে আজ শুক্রবার রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় শুভ আগমন করলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব সুপ্রদীপ চাকমা মহোদয়।
পাহাড়ের শান্তি, উন্নয়ন ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে তাঁর এই আগমনকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে ছিল এক উৎসবমুখর পরিবেশ। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া হয় উষ্ণ সংবর্ধনা, যা উপদেষ্টা মহোদয়ের এই সফরকে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা। পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রকৃতি ও পরিবেশের মাঝে অবস্থিত রাঙ্গামাটি সার্কিট হাউসে পৌঁছালে মাননীয় উপদেষ্টা জনাব সুপ্রদীপ চাকমা মহোদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক স্বাগত জানান রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয়। তাঁর এই আগমনকে ঘিরে সার্কিট হাউসের চারপাশ সেজে ওঠে নতুন সাজে। পুলিশ সুপারের এই ব্যক্তিগত অভ্যর্থনা প্রশাসনিক আন্তরিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
পড়ুন>> অদৈত্ব জন্মধাম কমিটি গঠনে হাতাহাতি: কমিটি গঠন স্থগিত
শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর এক জমকালো আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাননীয় উপদেষ্টা মহোদয়কে সম্মান জানানো হয়। রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল সুশৃঙ্খলভাবে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। পুলিশের সুসজ্জিত এই দলটি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সম্মানের সাথে তাঁদের দায়িত্ব পালন করেন।
উপদেষ্টার সম্মানার্থে প্রদত্ত এই অভিবাদন কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতাই নয়, বরং পার্বত্য এলাকার প্রতি সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও সংহতির প্রতিফলন। এ সময় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এই সফরের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও নীতিনির্ধারক মহলের মধ্যে সমন্বয় ও আন্তরিকতার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পড়ুন>> ভুরুঙ্গামারীতে কোরান অবমাননাকারীকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ
উপদেষ্টা মহোদয়ের রাঙ্গামাটি সফরের মূল লক্ষ্য ও কর্মসূচীর বিস্তারিত বিবরণ পরবর্তীতে জানা যাবে। তবে প্রাথমিক এই অভ্যর্থনাই ইঙ্গিত দেয়, আগামী দিনগুলোতে পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। স্থানীয়দের আশা, সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক মহলের এই উপস্থিতি পাহাড়ের মানুষের জীবনমানে নতুন আলো ছড়াবে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
















