ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এনসিসি ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপক পদে নিয়োগ তাড়াশ উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন রাণীশংকৈলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন দোহা–রিয়াদ রুটে কাতার এয়ারওয়েজের একাধিক ফ্লাইট বাতিল বিরল ও পীরগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও মদ উদ্ধার রাণীশংকৈলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা, ৫৫ মণ্ডপের নিরাপত্তায় জোর মাদরাসার সাবেক উপাধ্যক্ষের পেনশন বণ্টন নিয়ে পরিবারের বিরোধ তাহিরপুরে থমকে গেছে ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগের বিচার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থা জনগণের কাছে ফেরাতে চায় সরকার: মঈন খান

কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৫ ফুটে সীমিত রাখার দাবি স্থানীয়দের

রাঙামাটি থেকে কামরুল ইসলাম রানা
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৩৮৯ বার পড়া হয়েছে

কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৫ ফুটে সীমিত রাখার জন‍্য জেলা প্রসাশকের নিকট আবেদনপত্র প্রদান।

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৫ ফুটে সীমিত রাখার দাবি স্থানীয়দের

 

 

কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৫ ফুটে সীমিত রাখার দাবিতে
রাঙামাটির ছয় উপজেলার হাজারো মানুষের।

বর্ষা এলেই পাহাড়ি জনপদ ডুবে যায় কাপ্তাই হ্রদের পানিতে। ঘরবাড়ি, ক্ষেত-খামার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর ধর্মীয় উপাসনালয় সব কিছু পানিতে তলিয়ে যায়। দুর্ভোগে পড়েন লংগদু, বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, নানিয়ারচর ও সদর এলাকার হাজারো মানুষ।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৫ ফুটের ওপরে উঠলেই শুরু হয় বিপর্যয়। বসতবাড়ি ভেসে যায়, কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যায়। গৃহহীন হয়ে পড়ে শত শত পরিবার। বন্ধ হয়ে যায় স্কুল-কলেজ। বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেয়। নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের কষ্ট চরম আকার ধারণ করে।

পড়ুন>> কাউনিয়ায় গাছের পাতা পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃটে নারীর মৃত্যু! 

প্রতিবার বর্ষায় আমাদের ধান-সবজি নষ্ট হয়, ঘরবাড়ি ডুবে যায়। কোথাও আশ্রয় মেলে না। পানি যদি ১০৫ ফুটের ওপরে না ওঠে, তবে আমরা বাঁচতে পারবো।

এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন এলাকাবাসী। আবেদনে তারা কাপ্তাই হ্রদের পানি সর্বোচ্চ ১০৫ ফুট উচ্চতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

আবেদনে সই করেছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, এ্যাডভোকেট মোঃ রহমত উল্লাহ (বাঘাইছড়ি), এ্যাডভোকেট আলাল উদ্দিন (লংগদু), এ্যাডভোকেট মাছুম (রহিম) (নানিয়ারচর) এবং এ্যাডভোকেট ফরহাদ চৌধুরী (রাঙামাটি সদর)।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পানি বেড়ে গেলে মানুষ গৃহহীন হয়, খাদ্যাভাব দেখা দেয়। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের দুর্দশা চরমে পৌঁছায়। কৃষি, শিক্ষা ও জীবিকার ভিত্তি ভেঙে পড়ে। গোটা অঞ্চল মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।

পড়ুন>>ভূরুঙ্গামারীতে সারের দাবিতে কৃষকদের সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ

এলাকাবাসীর দাবি, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে হ্রদের পানি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

জেলা প্রশাসকের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই পারে এ সমস্যার সমাধান করতে। দেশের সবচেয়ে বড় মানবসৃষ্ট কাপ্তাই হ্রদ বিদ্যুৎ উৎপাদন ও যোগাযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে পানির অতিরিক্ত উচ্চতা যদি হাজারো মানুষের জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে, তবে তা থামাতে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৫ ফুটে সীমিত রাখার দাবি স্থানীয়দের

আপডেট সময় : ১০:৩০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৫ ফুটে সীমিত রাখার দাবি স্থানীয়দের

 

 

কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৫ ফুটে সীমিত রাখার দাবিতে
রাঙামাটির ছয় উপজেলার হাজারো মানুষের।

বর্ষা এলেই পাহাড়ি জনপদ ডুবে যায় কাপ্তাই হ্রদের পানিতে। ঘরবাড়ি, ক্ষেত-খামার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর ধর্মীয় উপাসনালয় সব কিছু পানিতে তলিয়ে যায়। দুর্ভোগে পড়েন লংগদু, বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, নানিয়ারচর ও সদর এলাকার হাজারো মানুষ।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, কাপ্তাই হ্রদের পানি ১০৫ ফুটের ওপরে উঠলেই শুরু হয় বিপর্যয়। বসতবাড়ি ভেসে যায়, কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যায়। গৃহহীন হয়ে পড়ে শত শত পরিবার। বন্ধ হয়ে যায় স্কুল-কলেজ। বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেয়। নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের কষ্ট চরম আকার ধারণ করে।

পড়ুন>> কাউনিয়ায় গাছের পাতা পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃটে নারীর মৃত্যু! 

প্রতিবার বর্ষায় আমাদের ধান-সবজি নষ্ট হয়, ঘরবাড়ি ডুবে যায়। কোথাও আশ্রয় মেলে না। পানি যদি ১০৫ ফুটের ওপরে না ওঠে, তবে আমরা বাঁচতে পারবো।

এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন এলাকাবাসী। আবেদনে তারা কাপ্তাই হ্রদের পানি সর্বোচ্চ ১০৫ ফুট উচ্চতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

আবেদনে সই করেছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, এ্যাডভোকেট মোঃ রহমত উল্লাহ (বাঘাইছড়ি), এ্যাডভোকেট আলাল উদ্দিন (লংগদু), এ্যাডভোকেট মাছুম (রহিম) (নানিয়ারচর) এবং এ্যাডভোকেট ফরহাদ চৌধুরী (রাঙামাটি সদর)।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পানি বেড়ে গেলে মানুষ গৃহহীন হয়, খাদ্যাভাব দেখা দেয়। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের দুর্দশা চরমে পৌঁছায়। কৃষি, শিক্ষা ও জীবিকার ভিত্তি ভেঙে পড়ে। গোটা অঞ্চল মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।

পড়ুন>>ভূরুঙ্গামারীতে সারের দাবিতে কৃষকদের সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ

এলাকাবাসীর দাবি, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে হ্রদের পানি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

জেলা প্রশাসকের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই পারে এ সমস্যার সমাধান করতে। দেশের সবচেয়ে বড় মানবসৃষ্ট কাপ্তাই হ্রদ বিদ্যুৎ উৎপাদন ও যোগাযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে পানির অতিরিক্ত উচ্চতা যদি হাজারো মানুষের জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে, তবে তা থামাতে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি।

 

 

Facebook Comments Box