ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিতের নির্দেশ, অমান্যে কঠোর হুঁশিয়ারি সিলেটে হামের উপসর্গে ১৭ বছর বয়সী কিশোরের মৃত্যু সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি: ইসি সচিব এক কাপ কফির নেপথ্যে: কৃষকের শ্রম থেকে ভোক্তার টেবিল দিনাজপুরের বিরামপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর প্রাণহানি পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রে ২০০ জনের নিয়োগ কাতারে স্বল্প আয়ের পরিবারের সহায়তায় রফিক ও কাতার চ্যারিটির শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের ফাইনালে ভারত ভূরুঙ্গামারীতে পিপিআর রোগের বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

ডিমলায় রেসকিউ বোট অযত্নে অবহেলায় অচল

নীলফামারী থেকে তপন দাস
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৮৮১ বার পড়া হয়েছে

ডিমলায় অযত্নে অবহেলায় অচল রেসকিউ বোট।

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

ডিমলায় রেসকিউ বোট অযত্নে অবহেলায় অচল

 

 

ডিমলায় রেসকিউ বোট অযত্নে অবহেলায় অচল
নীলফামারীর ডিমলায় সীমান্তবর্তী তিস্তা নদীতে বন্যা মোকাবিলার জন্য কোটি টাকারও বেশি মূল্যে কেনা দুটি উদ্ধারকারী নৌকা (রেসকিউ বোট) অযত্নে-অবহেলায় অচল হয়ে পড়েছে। নৌকাগুলো দীর্ঘদিন ধরে রোদ-বৃষ্টিতে পড়ে থেকে মরিচায় ক্ষতিগ্রস্ত, কেবিন-জানালা ভাঙা ও ইঞ্জিন প্রায় অচল হয়ে গেছে।

 

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২০২০ ও ২০২১ সালে নীলফামারীর ডিমলায় বরাদ্দ পাওয়া নৌযান দুটি রাখা হয় খগাখরিবাড়ি ইউনিয়নের পাগলপাড়া ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ডনের সাইড ঘাটে। একেকটি ৫৪ ফুট লম্বা ও ১২.৫ ফুট চওড়া নৌকা ৮০ জন যাত্রী বহনে সক্ষম এবং ঘণ্টায় ৭ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে পারে। উদ্দেশ্য ছিল বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষ ও গবাদি পশু উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহার করা।

পড়ুন>> ডাকসুর প্রথম সভায় ৫ শিক্ষার্থী সিনেটর মনোনীত

 

সরকারি নথি অনুযায়ী প্রতিবছর রক্ষণাবেক্ষণ, জ্বালানি ও রং করার জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকে। কিন্তু বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, সামান্য মেরামত বা ক্ষুদ্র রক্ষণাবেক্ষণের জন্য টাকা উত্তোলন হলেও তার ব্যবহার হয়নি। নৌকাগুলো বর্তমানে অচল হয়ে পড়ে আছে।

 

একজন নৌকার ক্রু জানান, ২০২১ সাল থেকে নৌকাটি এখানে আছে, কিন্তু এক লিটার মবিলও সরবরাহ করা হয়নি। এমনকি ১০ মাস ধরে তাদের বেতনও বন্ধ। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোটি টাকার সরকারি সম্পদ নষ্ট হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক।

 

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী জানান, সরকারের দেওয়া নৌকাগুলো দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবহেলায় অকেজো হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হবে।

পড়ুন>> ৩৫ কাঠুরিয়ার গণহত্যার স্মৃতিচারণে রাঙামাটিতে সংবাদ সম্মেলন

 

ডিমলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, নৌকাগুলো ব্যবহার না হওয়া দুঃখজনক। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিমলায় রেসকিউ বোট অযত্নে অবহেলায় অচল

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

ডিমলায় রেসকিউ বোট অযত্নে অবহেলায় অচল

 

 

ডিমলায় রেসকিউ বোট অযত্নে অবহেলায় অচল
নীলফামারীর ডিমলায় সীমান্তবর্তী তিস্তা নদীতে বন্যা মোকাবিলার জন্য কোটি টাকারও বেশি মূল্যে কেনা দুটি উদ্ধারকারী নৌকা (রেসকিউ বোট) অযত্নে-অবহেলায় অচল হয়ে পড়েছে। নৌকাগুলো দীর্ঘদিন ধরে রোদ-বৃষ্টিতে পড়ে থেকে মরিচায় ক্ষতিগ্রস্ত, কেবিন-জানালা ভাঙা ও ইঞ্জিন প্রায় অচল হয়ে গেছে।

 

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২০২০ ও ২০২১ সালে নীলফামারীর ডিমলায় বরাদ্দ পাওয়া নৌযান দুটি রাখা হয় খগাখরিবাড়ি ইউনিয়নের পাগলপাড়া ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ডনের সাইড ঘাটে। একেকটি ৫৪ ফুট লম্বা ও ১২.৫ ফুট চওড়া নৌকা ৮০ জন যাত্রী বহনে সক্ষম এবং ঘণ্টায় ৭ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে পারে। উদ্দেশ্য ছিল বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষ ও গবাদি পশু উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহার করা।

পড়ুন>> ডাকসুর প্রথম সভায় ৫ শিক্ষার্থী সিনেটর মনোনীত

 

সরকারি নথি অনুযায়ী প্রতিবছর রক্ষণাবেক্ষণ, জ্বালানি ও রং করার জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকে। কিন্তু বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, সামান্য মেরামত বা ক্ষুদ্র রক্ষণাবেক্ষণের জন্য টাকা উত্তোলন হলেও তার ব্যবহার হয়নি। নৌকাগুলো বর্তমানে অচল হয়ে পড়ে আছে।

 

একজন নৌকার ক্রু জানান, ২০২১ সাল থেকে নৌকাটি এখানে আছে, কিন্তু এক লিটার মবিলও সরবরাহ করা হয়নি। এমনকি ১০ মাস ধরে তাদের বেতনও বন্ধ। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোটি টাকার সরকারি সম্পদ নষ্ট হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক।

 

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী জানান, সরকারের দেওয়া নৌকাগুলো দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবহেলায় অকেজো হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হবে।

পড়ুন>> ৩৫ কাঠুরিয়ার গণহত্যার স্মৃতিচারণে রাঙামাটিতে সংবাদ সম্মেলন

 

ডিমলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, নৌকাগুলো ব্যবহার না হওয়া দুঃখজনক। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

 

Facebook Comments Box