ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুন্দরগঞ্জে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তশিলদারের অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউএনও ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দেশে ইলিশের ঘাটতি: প্রথমবারের মতো ভারত থেকে আমদানি রাণীশংকৈলে এসিল্যান্ডের বদলি ঠেকাতে রাজপথে জনতা মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা: সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান ব্রিকস নেতাদের পুলিশের পাঁচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা ২৫ হাজার বছর আগেও মাদক হিসেবে সুপারির ব্যবহার ছিল, বলছে নতুন গবেষণা নরসিংদীর শিবপুরে শীতলক্ষ্যা নদীতে নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের সন্ধান মিলেছে জ্বালানি সংকটে শিল্পখাত ধুঁকছে, সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা জামায়াত আমীরের ব্রিকসের বিবর্তন ও বর্তমান চ্যালেঞ্জ: ঐকমত্যে পৌঁছানোই এখন বড় বাধা

জিয়াউলের ফ্ল্যাটে মিলল ‘সাদা স্বর্ণ’, যাচাই করছে দুদক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের জব্দ করা ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে ‘সাদা স্বর্ণ’ (হোয়াইট গোল্ড) হিসেবে চিহ্নিত কিছু অলংকারসহ বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। উদ্ধারকৃত এসব অলংকার প্রকৃতপক্ষে হোয়াইট গোল্ড কি না, তা বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আদালতের নির্দেশে রাজধানীর পূর্বাচলের জলসিঁড়ি আবাসিক প্রকল্পের ‘জয়িতা’ ভবনের ৮ম ও ৯ম তলার ওই ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে বর্তমানে ইনভেন্টরি বা সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। উদ্ধার করা মূল্যবান অলংকারগুলো আপাতত বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, ফ্ল্যাটটিতে মূল্যবান আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক পণ্য, পোশাক, শোপিস এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পাওয়া গেছে। তবে ইনভেন্টরির কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধারকৃত সামগ্রীর সংখ্যা, মূল্য বা প্রকৃতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি সংস্থাটি। মঙ্গলবার দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা জিয়াউলের ব্যবহৃত ফ্ল্যাটের প্রতিটি সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ করছেন।

দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সোনা ও হোয়াইট গোল্ড হিসেবে চিহ্নিত অলংকারগুলো মূল্যবান ধাতু কি না, তা বিশেষজ্ঞ পরীক্ষার পরেই নিশ্চিত হওয়া যাবে। যাচাই শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত এগুলোকে মূল্যবান ধাতু হিসেবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না। আদালতের আদেশে জব্দ করা সম্পদের পুঙ্খানুপুঙ্খ তালিকা তৈরি শেষে সম্পদের প্রকৃতি, পরিমাণ ও মূল্য নির্ধারণ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৩ জানুয়ারি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এর আগে ২০২৪ সালের ২৪ এপ্রিল আদালত তার প্রায় ১৮ কোটি টাকার জমি, বাড়ি ও ফ্ল্যাট ক্রোক এবং নয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট খিলক্ষেত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জিয়াউলের ফ্ল্যাটে মিলল ‘সাদা স্বর্ণ’, যাচাই করছে দুদক

আপডেট সময় : ০৬:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের জব্দ করা ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে ‘সাদা স্বর্ণ’ (হোয়াইট গোল্ড) হিসেবে চিহ্নিত কিছু অলংকারসহ বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। উদ্ধারকৃত এসব অলংকার প্রকৃতপক্ষে হোয়াইট গোল্ড কি না, তা বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আদালতের নির্দেশে রাজধানীর পূর্বাচলের জলসিঁড়ি আবাসিক প্রকল্পের ‘জয়িতা’ ভবনের ৮ম ও ৯ম তলার ওই ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে বর্তমানে ইনভেন্টরি বা সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। উদ্ধার করা মূল্যবান অলংকারগুলো আপাতত বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, ফ্ল্যাটটিতে মূল্যবান আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক পণ্য, পোশাক, শোপিস এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পাওয়া গেছে। তবে ইনভেন্টরির কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধারকৃত সামগ্রীর সংখ্যা, মূল্য বা প্রকৃতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি সংস্থাটি। মঙ্গলবার দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা জিয়াউলের ব্যবহৃত ফ্ল্যাটের প্রতিটি সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ করছেন।

দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সোনা ও হোয়াইট গোল্ড হিসেবে চিহ্নিত অলংকারগুলো মূল্যবান ধাতু কি না, তা বিশেষজ্ঞ পরীক্ষার পরেই নিশ্চিত হওয়া যাবে। যাচাই শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত এগুলোকে মূল্যবান ধাতু হিসেবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না। আদালতের আদেশে জব্দ করা সম্পদের পুঙ্খানুপুঙ্খ তালিকা তৈরি শেষে সম্পদের প্রকৃতি, পরিমাণ ও মূল্য নির্ধারণ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৩ জানুয়ারি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এর আগে ২০২৪ সালের ২৪ এপ্রিল আদালত তার প্রায় ১৮ কোটি টাকার জমি, বাড়ি ও ফ্ল্যাট ক্রোক এবং নয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট খিলক্ষেত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

Facebook Comments Box