ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে চট্টগ্রামে জনাকীর্ণ স্থানে গুলি, এক বছরেও শনাক্ত হয়নি সেই শুটার এপিক হেলথ কেয়ার থেকে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা পাবেন লায়ন্স সদস্যরা বিসিবির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলার চেষ্টা, সতর্কবার্তা বোর্ডের আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ কর্মী নিয়োগ, আবেদন শুরু ২ নভেম্বর ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ২৬ মার্কিন ঘাঁটি বিশ্বে সাংবাদিক হত্যার ৮৬ শতাংশের বিচার হয়নি: ইউনেস্কো আবারও হাঙ্গার গেমসে ফিরছেন জেনিফার লরেন্স মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে ৪ মামলা, অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ১০ হাজার বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইনের খসড়া অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা

কাউনিয়া বহু ভাষী সাঁটলিপি ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ একাডেমি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখছে

কাউনিয়া (রংপুর) আব্দুল কুদ্দুস বসুনীয়া
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫ ১১৯ বার পড়া হয়েছে

কাউনিয়া বহু ভাষী সাঁটলিপি ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ একাডেমি

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

কাউনিয়া বহু ভাষী সাঁটলিপি ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ একাডেমি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখছে

 

 

১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত কাউনিয়া বহুভাষী সাঁটলিপি ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ একাডেমি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

 

 

প্রতিষ্ঠানটি ২০০০ সাল থেকে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন এবং সাঁটলিপি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে নিযুক্ত হতে সহায়তা করেছে।

 

প্রতিষ্ঠার প্রথম দশকে (১৯৯০-২০০০)এ প্রতিষ্ঠানটি মূলত টাইপ ও সাঁটলিপি প্রশিক্ষণের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করেছিল। সে সময় তথ্যপ্রযুক্তির এত প্রচলন না থাকায়, টাইপ রাইটিং ও সাঁটলিপি ছিল সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে কর্মসংস্থানের জন্য অপরিহার্য দক্ষতা। প্রতিষ্ঠানটি তৎকালীন চাহিদা পূরণে সফলভাবে অবদান রাখে এবং অসংখ্য শিক্ষার্থীকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলে।

পড়ুন>> রংপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসী হামলার শিকার সাংবাদিক: বিএমএসএস তীব্র নিন্দা

 

২০০০ সাল থেকে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রশিক্ষণের ধরণে পরিবর্তন আনে। তারা কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, এক্সেস, পাওয়ারপয়েন্ট এবং সাঁটলিপি প্রশিক্ষণের সমন্বিত কোর্স চালু করে। এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের আধুনিক কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করে।

 

 

ফলস্বরূপ, এই প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হাজার হাজার যুবক ও যুবতী দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে নিযুক্ত রয়েছেন।

 

 

শুধু কর্মসংস্থানই নয়, এলাকার শিক্ষা জগতেও এই প্রতিষ্ঠানের অবদান অনস্বীকার্য। স্থানীয় প্রতিটি স্কুল ও কলেজে এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত আছেন, যা এলাকার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রাখছে।

 

 

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বেলাল হোসেন বলেন আমাদের মূল লক্ষ্য হলো এলাকার বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এবং তাদের দক্ষ করে তোলা। গত তিন দশকে আমরা এই লক্ষ্য পূরণে অনেকটাই সফল হয়েছি, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের।

 

 

এই প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নয়, এটি কাউনিয়া এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের এক নীরব কারিগর। এর নিরন্তর প্রচেষ্টা এবং সাফল্য এলাকার মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কাউনিয়া বহু ভাষী সাঁটলিপি ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ একাডেমি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখছে

আপডেট সময় : ০৭:২৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

 

 

কাউনিয়া বহু ভাষী সাঁটলিপি ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ একাডেমি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখছে

 

 

১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত কাউনিয়া বহুভাষী সাঁটলিপি ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ একাডেমি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

 

 

প্রতিষ্ঠানটি ২০০০ সাল থেকে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন এবং সাঁটলিপি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে নিযুক্ত হতে সহায়তা করেছে।

 

প্রতিষ্ঠার প্রথম দশকে (১৯৯০-২০০০)এ প্রতিষ্ঠানটি মূলত টাইপ ও সাঁটলিপি প্রশিক্ষণের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করেছিল। সে সময় তথ্যপ্রযুক্তির এত প্রচলন না থাকায়, টাইপ রাইটিং ও সাঁটলিপি ছিল সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে কর্মসংস্থানের জন্য অপরিহার্য দক্ষতা। প্রতিষ্ঠানটি তৎকালীন চাহিদা পূরণে সফলভাবে অবদান রাখে এবং অসংখ্য শিক্ষার্থীকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলে।

পড়ুন>> রংপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসী হামলার শিকার সাংবাদিক: বিএমএসএস তীব্র নিন্দা

 

২০০০ সাল থেকে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রশিক্ষণের ধরণে পরিবর্তন আনে। তারা কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, এক্সেস, পাওয়ারপয়েন্ট এবং সাঁটলিপি প্রশিক্ষণের সমন্বিত কোর্স চালু করে। এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের আধুনিক কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করে।

 

 

ফলস্বরূপ, এই প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হাজার হাজার যুবক ও যুবতী দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে নিযুক্ত রয়েছেন।

 

 

শুধু কর্মসংস্থানই নয়, এলাকার শিক্ষা জগতেও এই প্রতিষ্ঠানের অবদান অনস্বীকার্য। স্থানীয় প্রতিটি স্কুল ও কলেজে এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত আছেন, যা এলাকার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রাখছে।

 

 

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বেলাল হোসেন বলেন আমাদের মূল লক্ষ্য হলো এলাকার বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এবং তাদের দক্ষ করে তোলা। গত তিন দশকে আমরা এই লক্ষ্য পূরণে অনেকটাই সফল হয়েছি, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের।

 

 

এই প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নয়, এটি কাউনিয়া এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের এক নীরব কারিগর। এর নিরন্তর প্রচেষ্টা এবং সাফল্য এলাকার মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

 

 

Facebook Comments Box