ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাইকগাছা উপজেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম গঠন বামনডাঙ্গায় জমকালো আয়োজনে রোমা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন ডোমারের মির্জাগঞ্জ স্টেশনে ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ, ৫ ঘণ্টা পর চলাচল স্বাভাবিক  রাণীশংকৈলে পুলিশের জালে মাদক কারবারি ইয়াবাসহ আটক রাণীশংকৈলে এক দিনের ব্যবধানে দুই মৃত্যু; পুকুরে ডুবে শিশু, অভিমানে বিষপানে যুবক ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে বিভিন্ন পদে কর্মী নিয়োগ নেতানিয়াহুর অভিযোগ ভিত্তিহীন, প্রত্যাখ্যান করল কাতার এআই ব্যবহার করে জনগণকে দমানো যাবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী স্থগিত হলো সিএনজি স্টেশনগুলোর অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট জাসদ কার্যালয়ে বৈঠক, আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আটক

বিষাক্ত মাছ পটকা জেনে নিন খেলে কি হবে?

সৃষ্টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৫২ বার পড়া হয়েছে

বিষাক্ত মাছ পটকা জেনে নিন খেলে কি হবে?

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিষাক্ত মাছ পটকা জেনে নিন খেলে কি হবে

পটকা মাছ খুবই বিষাক্ত কারণ, এর মধ্যে ‘টেট্রোডোটক্সিন নামে এক প্রকার বিষ থাকে। এই বিষ কারও শরীরে ঢুকলে মৃত্যু অবধারিত। পটকা মাছের বিষ একটি শক্তিশালী বিষাক্ত পদার্থ যা মানুষের উত্তেজক সেল মেমব্রেনের সোডিয়াম চ্যানেল বন্ধ করে দিয়ে খুব তাড়াতাড়ি মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম।

মাছের বিষাক্ত পদার্থটি তার যকৃত, ডিম্বাশয়, অন্ত্র এবং চামড়ার মধ্যে খুব বেশি ঘনীভূত থাকে, তবে শরীরের পেশীসমূহ সাধারণত বিষমুক্ত থাকে। এই বিষের ফলে মানুষের জিহ্বা এবং ঠোঁটের স্বাদ নেওয়ার ক্ষমতা থাকে না, মাথা ঘোরে, বমি হয় এবং পরবর্তীতে শরীর অসাড় হয়ে আসে। সারা শরীর ঝিনঝিন করে, হ্নদস্পন্দন বেড়ে যায়, রক্তচাপ কমে যায় এবং মাংসপেশী অসাড় হয়ে পড়ে।ডায়াফ্রাম অসাড় হয়ে যাওয়ার ফলে শ্বাসতন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোগী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়।

তাই কখনই পটকা বা ট্যাপা মাছ খাবেন না। বিষাক্ত এই মাছটি দেখতে দেশি পুটি মাছের মত ছোট, পিচ্চিল শরীর,পেটটা অস্বাভাবিক মোটা। দেশের উত্তরাঞ্চলে এই মাছটিকে ট্যাপা মাছ বলে। বরিশাল অঞ্চলে পটকা মাছের কিছু প্রজাতি মারাত্মক বিষাক্ত। প্রতি বছর অজ্ঞতাবশত এটি খেয়ে কিছু মানুষ অকালে মৃত্যু বরন করেন।

এই মাছের বিষ সায়ানাইড বিষের চেয়েও ভয়ংকর। সুন্দরবন অঞ্চলে বড় পোটকা পাওয়া যায়। যেকোনো প্রজাতিরই হোক পটকা বা ট্যাপা মাছ কখনই খাবেন না। জাপানে এ মাছটি বেশি পাওয়া যায়। তবে সেটা খুবই বিষাক্ত। তারা বিশেষ প্রক্রিয়ায় মাছটি ক‍্যাটারিং করে খায়।

এই মাছে এক ধরনের নিউরোটক্সিন টেট্রডটক্সিন নিসৃত হয় যা খাওয়ায় রিসপিরেটরী মাসল বা পেশী অবস হয়ে মানুষ মারা যায়। তবে ভুলবশত কেউ এই মাছ খেয়ে অসুস্থ হলে অবশ‍্যই তাকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে রোগীর ভেনটিলেটরী সাপোর্ট বা আই সি ইউ প্রয়োজন হতে পারে। তাই আসুন এই মাছের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে নিজে সচেতন হই এবং অন্যকেও সচেতন করি।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিষাক্ত মাছ পটকা জেনে নিন খেলে কি হবে?

আপডেট সময় : ০৫:১১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিষাক্ত মাছ পটকা জেনে নিন খেলে কি হবে

পটকা মাছ খুবই বিষাক্ত কারণ, এর মধ্যে ‘টেট্রোডোটক্সিন নামে এক প্রকার বিষ থাকে। এই বিষ কারও শরীরে ঢুকলে মৃত্যু অবধারিত। পটকা মাছের বিষ একটি শক্তিশালী বিষাক্ত পদার্থ যা মানুষের উত্তেজক সেল মেমব্রেনের সোডিয়াম চ্যানেল বন্ধ করে দিয়ে খুব তাড়াতাড়ি মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম।

মাছের বিষাক্ত পদার্থটি তার যকৃত, ডিম্বাশয়, অন্ত্র এবং চামড়ার মধ্যে খুব বেশি ঘনীভূত থাকে, তবে শরীরের পেশীসমূহ সাধারণত বিষমুক্ত থাকে। এই বিষের ফলে মানুষের জিহ্বা এবং ঠোঁটের স্বাদ নেওয়ার ক্ষমতা থাকে না, মাথা ঘোরে, বমি হয় এবং পরবর্তীতে শরীর অসাড় হয়ে আসে। সারা শরীর ঝিনঝিন করে, হ্নদস্পন্দন বেড়ে যায়, রক্তচাপ কমে যায় এবং মাংসপেশী অসাড় হয়ে পড়ে।ডায়াফ্রাম অসাড় হয়ে যাওয়ার ফলে শ্বাসতন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোগী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়।

তাই কখনই পটকা বা ট্যাপা মাছ খাবেন না। বিষাক্ত এই মাছটি দেখতে দেশি পুটি মাছের মত ছোট, পিচ্চিল শরীর,পেটটা অস্বাভাবিক মোটা। দেশের উত্তরাঞ্চলে এই মাছটিকে ট্যাপা মাছ বলে। বরিশাল অঞ্চলে পটকা মাছের কিছু প্রজাতি মারাত্মক বিষাক্ত। প্রতি বছর অজ্ঞতাবশত এটি খেয়ে কিছু মানুষ অকালে মৃত্যু বরন করেন।

এই মাছের বিষ সায়ানাইড বিষের চেয়েও ভয়ংকর। সুন্দরবন অঞ্চলে বড় পোটকা পাওয়া যায়। যেকোনো প্রজাতিরই হোক পটকা বা ট্যাপা মাছ কখনই খাবেন না। জাপানে এ মাছটি বেশি পাওয়া যায়। তবে সেটা খুবই বিষাক্ত। তারা বিশেষ প্রক্রিয়ায় মাছটি ক‍্যাটারিং করে খায়।

এই মাছে এক ধরনের নিউরোটক্সিন টেট্রডটক্সিন নিসৃত হয় যা খাওয়ায় রিসপিরেটরী মাসল বা পেশী অবস হয়ে মানুষ মারা যায়। তবে ভুলবশত কেউ এই মাছ খেয়ে অসুস্থ হলে অবশ‍্যই তাকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে রোগীর ভেনটিলেটরী সাপোর্ট বা আই সি ইউ প্রয়োজন হতে পারে। তাই আসুন এই মাছের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে নিজে সচেতন হই এবং অন্যকেও সচেতন করি।

Facebook Comments Box