ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি: ইসি সচিব এক কাপ কফির নেপথ্যে: কৃষকের শ্রম থেকে ভোক্তার টেবিল দিনাজপুরের বিরামপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর প্রাণহানি পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রে ২০০ জনের নিয়োগ কাতারে স্বল্প আয়ের পরিবারের সহায়তায় রফিক ও কাতার চ্যারিটির শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের ফাইনালে ভারত ভূরুঙ্গামারীতে পিপিআর রোগের বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত প্রবীণদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

ভুরুঙ্গামারীর সোনাহাট স্থলবন্দরে নিয়োগে দূর্নীতি, শ্রমিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩৬৯ বার পড়া হয়েছে

সোনাহাট স্থল বন্দরে শ্রমিকদের মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভুরুঙ্গামারীর সোনাহাট স্থলবন্দরে লোড-আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি হামিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেনের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে ১১ শ অশ্রমিক নিয়োগের প্রতিবাদ ও নির্বাচনের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে সাধারণ শ্রমিকরা।
বুধবার দুপুরে ২টার সময়  সোনাহাট স্থলবন্দরের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন করা তারা। ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, শ্রমিক সদস্য আমিনুল ইসলাম, শ্রমিক সোহেল রানাসহ অনেকে। শ্রমিকরা অভিযোগ করেন পূর্বের ৭৩০ শ্রমিক বর্তমানে কর্মহীন। এরমধ্যে অর্থের লোভে আরও ১১ শ অশ্রমিক লোকদের শ্রমিকের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করার চেষ্টা করছে সভাপতি-সম্পাদক। তারা এ তালিকার প্রতিবাদ জানান এবং দ্রুত নির্বাচন দিয়ে নতুন কমিটি করার দাবী জানান।

 


 

শ্রমিকরা জানান, স্থলবন্দরে তিনটি শ্রমিক সংগঠনে প্রায় দুই হাজার শ্রমিক তালিকাভুক্ত রয়েছে। যারমধ্যে প্রতিদিন কাজ পায় ১২শ থেকে ১৫শ শ্রমিক। তাও দিনে দুই থেকে আড়াইশ টাকা রোজগার হয় তাদের। এরমধ্যে নতুন করে ১১শ শ্রমিক বাড়ানো সব শ্রমিকের কাজে ব্যাঘাত ঘটবে। শুধু পুনরায় ক্ষমতায় আসার জন্য এবং অর্থ আত্মসাতের জন্য তারা নতুন শ্রমিক তালিকাভুক্ত করছে। অভিযোগ করেন একজন শ্রমিকের কাছ থেকে তিন থেকে ছয় হাজার করে টাকা নেয়া হয়েছে তালিকায় নাম রাখার জন্য। এদের অনেকেই অশ্রমিক। দূরদুরান্তের ব্যবসায়ী ও অন্য পেশায় জড়িত। ভোট বাড়ানোর জন্য এ নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধের দাবী করেন।

 


 

তবে শ্রমিক নিয়োগে দুর্নীতি,যথা সময়ে নির্বাচন না দেয়া এবং শ্রমিকদের নিয়োগ ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে জানতে চাইলে বর্তমান সংগঠনটির সভাপতি হামিদুল ইসলাম জানান,সংগঠনের প্রয়োজনে মাত্র ১০০ টাকা ভর্তি ফি নিয়ে ৯০০ শ্রমিক নেয়া হয়েছে, করোনার কারনে নির্বাচন বিলম্বিত হয়েছে এবং সংগঠনে এত শ্রমিকের মধ্যে ১০/২০ জন অশ্রমিক থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

 



Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভুরুঙ্গামারীর সোনাহাট স্থলবন্দরে নিয়োগে দূর্নীতি, শ্রমিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০২:৪৬:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

 

ভুরুঙ্গামারীর সোনাহাট স্থলবন্দরে লোড-আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি হামিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেনের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে ১১ শ অশ্রমিক নিয়োগের প্রতিবাদ ও নির্বাচনের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে সাধারণ শ্রমিকরা।
বুধবার দুপুরে ২টার সময়  সোনাহাট স্থলবন্দরের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন করা তারা। ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, শ্রমিক সদস্য আমিনুল ইসলাম, শ্রমিক সোহেল রানাসহ অনেকে। শ্রমিকরা অভিযোগ করেন পূর্বের ৭৩০ শ্রমিক বর্তমানে কর্মহীন। এরমধ্যে অর্থের লোভে আরও ১১ শ অশ্রমিক লোকদের শ্রমিকের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করার চেষ্টা করছে সভাপতি-সম্পাদক। তারা এ তালিকার প্রতিবাদ জানান এবং দ্রুত নির্বাচন দিয়ে নতুন কমিটি করার দাবী জানান।

 


 

শ্রমিকরা জানান, স্থলবন্দরে তিনটি শ্রমিক সংগঠনে প্রায় দুই হাজার শ্রমিক তালিকাভুক্ত রয়েছে। যারমধ্যে প্রতিদিন কাজ পায় ১২শ থেকে ১৫শ শ্রমিক। তাও দিনে দুই থেকে আড়াইশ টাকা রোজগার হয় তাদের। এরমধ্যে নতুন করে ১১শ শ্রমিক বাড়ানো সব শ্রমিকের কাজে ব্যাঘাত ঘটবে। শুধু পুনরায় ক্ষমতায় আসার জন্য এবং অর্থ আত্মসাতের জন্য তারা নতুন শ্রমিক তালিকাভুক্ত করছে। অভিযোগ করেন একজন শ্রমিকের কাছ থেকে তিন থেকে ছয় হাজার করে টাকা নেয়া হয়েছে তালিকায় নাম রাখার জন্য। এদের অনেকেই অশ্রমিক। দূরদুরান্তের ব্যবসায়ী ও অন্য পেশায় জড়িত। ভোট বাড়ানোর জন্য এ নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধের দাবী করেন।

 


 

তবে শ্রমিক নিয়োগে দুর্নীতি,যথা সময়ে নির্বাচন না দেয়া এবং শ্রমিকদের নিয়োগ ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে জানতে চাইলে বর্তমান সংগঠনটির সভাপতি হামিদুল ইসলাম জানান,সংগঠনের প্রয়োজনে মাত্র ১০০ টাকা ভর্তি ফি নিয়ে ৯০০ শ্রমিক নেয়া হয়েছে, করোনার কারনে নির্বাচন বিলম্বিত হয়েছে এবং সংগঠনে এত শ্রমিকের মধ্যে ১০/২০ জন অশ্রমিক থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

 



Facebook Comments Box